ঢাকা ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশজুড়ে আশঙ্কাজনকহারে বেড়েছে খুন, ৭ মাসে ২০৭৬ হত্যাকাণ্ড ২৯ আগস্ট থেকে চুয়াডাঙ্গায় আন্তঃজেলা বাস চলাচল বন্ধের ঘোষণা আষাঢ়িয়ারচর ব্রিজে ফাটল: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট রূপপুর প্রকল্পে লিফট থেকে পড়ে শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু কুলাউড়ায় এনসিপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০, গ্রেপ্তার ৫ নারায়ণগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনা ও পানিতে ডুবে ৩ জনের মৃত্যু রূপগঞ্জে জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্পের বিরুদ্ধে কৃষিজমি রক্ষার দাবি ইউএস ওপেনে ওয়াইল্ড কার্ড পেলেন সেরেনা-ভেনাস, চার বছর পর ফিরছে উইলিয়ামস জুটি টালিউড অভিনেত্রী মধুমিতার সঙ্গে বড়পর্দায় ফিরছেন বাপ্পারাজ নেপালে বন্যায় নিখোঁজ বিদেশি নাগরিকের সংখ্যা বেড়ে ৫৭৫

যুক্তরাষ্ট্র থেকে জ্যাভেলিন ক্ষেপণাস্ত্র কেনার পথে ভারত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:২৮:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রতিরক্ষা অংশীদারত্বের নতুন এক ধাপে মার্কিন ট্যাংকবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা ‘জ্যাভেলিন’ কেনার পরিকল্পনা করছে ভারত। মাঝারি পাল্লার এই অস্ত্রটি একজন সেনাসদস্য সহজেই বহন ও উৎক্ষেপণ করতে পারেন। ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গর এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত বছরের নভেম্বরে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ভারতের কাছে এই ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছিল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সার্জিও গর জানান, যুদ্ধক্ষেত্রে কার্যকর হিসেবে প্রমাণিত এই ক্ষেপণাস্ত্র কেনার পরিকল্পনা দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের রেকর্ড উচ্চতাকে নির্দেশ করে। তিনি উল্লেখ করেন, গত ২০ মে অনুষ্ঠিত শাংরি-লা সংলাপে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ যে কৌশলগত গুরুত্বের কথা বলেছিলেন, এই চুক্তি তারই এক বড় অগ্রগতি। এই পদক্ষেপ ভবিষ্যতে দুই দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পে যৌথ উৎপাদনের সুযোগ তৈরি করবে।

লকহিড মার্টিন ও আরটিএক্স যৌথভাবে তৈরি জ্যাভেলিন ক্ষেপণাস্ত্রটি কাঁধ থেকে ছোড়ার উপযোগী। এতে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা থাকায় এটি উৎক্ষেপণের পর নিজেই লক্ষ্যবস্তুকে তাড়া করতে পারে, যা সেনাসদস্যকে নিরাপদ দূরত্বে থাকতে সহায়তা করে। বিশেষ নকশার কারণে এটি ট্যাংকের সবচেয়ে কম সুরক্ষিত অংশ বা ‘ক্যানোপিতে’ আঘাত হানতে সক্ষম। এছাড়া বহুতল ভবন বা বাংকারের মতো আবদ্ধ জায়গা থেকেও এটি নিরাপদে ব্যবহার করা যায়।

মার্কিন দূতাবাসের তথ্যমতে, জ্যাভেলিন ক্ষেপণাস্ত্রটি বর্তমানে মার্কিন সেনাবাহিনী, মেরিন কোরসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে ভারত ঠিক কতগুলো ক্ষেপণাস্ত্র কিনছে বা এর মোট ব্যয় কত হবে, তা এখনো জানানো হয়নি। নয়াদিল্লির পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ভারতের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার পরিধি ক্রমাগত বাড়ছে। এর আগে ২০২৫ সালের নভেম্বরে প্রায় ৯ কোটি ৩০ লাখ ডলারের সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির অনুমোদন দিয়েছিল মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর, যার মধ্যে সর্বোচ্চ ১০০টি জ্যাভেলিন ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত ছিল। স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, ভারত বর্তমানে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম সামরিক ব্যয়ের দেশ এবং ইউক্রেনের পর বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অস্ত্র আমদানিকারক।

এর আগে গত বছরের নভেম্বরে ভারতের কাছে ‘এফজিএম–১৪৭ জ্যাভেলিন’ ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা বিক্রির অনুমোদন দিয়েছিল মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।

২০২৬ সালের মে মাসে অনুষ্ঠিত শাংরি-লা সংলাপে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ যেমনটা জোর দিয়েছিলেন, এই চুক্তি ঠিক তেমনই এক বড় অগ্রগতি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র থেকে জ্যাভেলিন ক্ষেপণাস্ত্র কেনার পথে ভারত

আপডেট সময় : ০১:২৮:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

প্রতিরক্ষা অংশীদারত্বের নতুন এক ধাপে মার্কিন ট্যাংকবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা ‘জ্যাভেলিন’ কেনার পরিকল্পনা করছে ভারত। মাঝারি পাল্লার এই অস্ত্রটি একজন সেনাসদস্য সহজেই বহন ও উৎক্ষেপণ করতে পারেন। ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গর এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত বছরের নভেম্বরে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ভারতের কাছে এই ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছিল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সার্জিও গর জানান, যুদ্ধক্ষেত্রে কার্যকর হিসেবে প্রমাণিত এই ক্ষেপণাস্ত্র কেনার পরিকল্পনা দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের রেকর্ড উচ্চতাকে নির্দেশ করে। তিনি উল্লেখ করেন, গত ২০ মে অনুষ্ঠিত শাংরি-লা সংলাপে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ যে কৌশলগত গুরুত্বের কথা বলেছিলেন, এই চুক্তি তারই এক বড় অগ্রগতি। এই পদক্ষেপ ভবিষ্যতে দুই দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পে যৌথ উৎপাদনের সুযোগ তৈরি করবে।

লকহিড মার্টিন ও আরটিএক্স যৌথভাবে তৈরি জ্যাভেলিন ক্ষেপণাস্ত্রটি কাঁধ থেকে ছোড়ার উপযোগী। এতে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা থাকায় এটি উৎক্ষেপণের পর নিজেই লক্ষ্যবস্তুকে তাড়া করতে পারে, যা সেনাসদস্যকে নিরাপদ দূরত্বে থাকতে সহায়তা করে। বিশেষ নকশার কারণে এটি ট্যাংকের সবচেয়ে কম সুরক্ষিত অংশ বা ‘ক্যানোপিতে’ আঘাত হানতে সক্ষম। এছাড়া বহুতল ভবন বা বাংকারের মতো আবদ্ধ জায়গা থেকেও এটি নিরাপদে ব্যবহার করা যায়।

মার্কিন দূতাবাসের তথ্যমতে, জ্যাভেলিন ক্ষেপণাস্ত্রটি বর্তমানে মার্কিন সেনাবাহিনী, মেরিন কোরসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে ভারত ঠিক কতগুলো ক্ষেপণাস্ত্র কিনছে বা এর মোট ব্যয় কত হবে, তা এখনো জানানো হয়নি। নয়াদিল্লির পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ভারতের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার পরিধি ক্রমাগত বাড়ছে। এর আগে ২০২৫ সালের নভেম্বরে প্রায় ৯ কোটি ৩০ লাখ ডলারের সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির অনুমোদন দিয়েছিল মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর, যার মধ্যে সর্বোচ্চ ১০০টি জ্যাভেলিন ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত ছিল। স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, ভারত বর্তমানে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম সামরিক ব্যয়ের দেশ এবং ইউক্রেনের পর বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অস্ত্র আমদানিকারক।

এর আগে গত বছরের নভেম্বরে ভারতের কাছে ‘এফজিএম–১৪৭ জ্যাভেলিন’ ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা বিক্রির অনুমোদন দিয়েছিল মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।

২০২৬ সালের মে মাসে অনুষ্ঠিত শাংরি-লা সংলাপে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ যেমনটা জোর দিয়েছিলেন, এই চুক্তি ঠিক তেমনই এক বড় অগ্রগতি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo