ঢাকা ০৬:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
খুলনায় বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে জনসচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান কাজের মাধ্যমে ‘ছায়া সিটি করপোরেশন’ গড়ার ঘোষণা সেলিম উদ্দিনের নাটোর ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ইয়াবা ব্যবসার অভিযোগ আ.লীগকে ফেরাতে জামায়াত রাজনীতি ঘোলাটে করছে: ডিএসসিসি প্রশাসক নকলায় শিশুকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল কিশোরীর জবি সাংবাদিকতা অ্যালামনাইয়ের নেতৃত্বে নজরুল-রাজু মহেশপুর সীমান্তে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের সময় ৪ বাংলাদেশী আটক নেপালে হিমবাহ ধসে নিহত বেড়ে ৫৪৭, নিখোঁজ ৫১৭ বিদেশি শুটিং শুরুর ঠিক আগে প্রিয়াঙ্কার ‘রিসেট’ সিনেমা ছাড়লেন অরল্যান্ডো ব্লুম ৬ মাস ধরে জনসমক্ষে নেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মুজতবা খামেনি, বাড়ছে সংশয়

ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা: মিত্রদের ‘পক্ষ’ বেছে নেওয়ার হুঁশিয়ারি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৩২:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইরানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। যদিও মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এই নিষেধাজ্ঞার বিস্তারিত বা এর আওতাভুক্ত বিষয়গুলো ঘোষণা করেনি, তবে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, যেসব দেশ বা পক্ষ ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখবে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে অর্থনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে।

গত সপ্তাহে মার্কিন অর্থমন্ত্রী এক বক্তব্যে মিত্র দেশ এবং অন্যান্য পক্ষগুলোকে সতর্ক করে বলেন, ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক রাখার ক্ষেত্রে তাদের যেকোনো একটি অবস্থান বেছে নিতে হবে—হয় তারা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে থাকবে, নয়তো বিপক্ষে। তাঁর এই মন্তব্য থেকে পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে যে, ইরানের ওপর ওয়াশিংটনের আসন্ন নিষেধাজ্ঞার কার্যকারিতা ও সাফল্য বহুলাংশে নির্ভর করছে তেহরানের সঙ্গে ব্যবসা করা দেশ ও প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টির ওপর।

এই অর্থনৈতিক চাপের পাশাপাশি সামরিক তৎপরতাও জোরদার করা হচ্ছে। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ কঠোরভাবে কার্যকর করতে দেশটির সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

মার্কিন ট্রেজারি মন্ত্রীর বক্তব্যের আরেকটি তাৎপর্যপূর্ণ দিক হলো ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার পতন নিয়ে তাঁর মন্তব্য। তিনি উল্লেখ করেছেন, ইরানের বর্তমান সরকার পতনের দিকে ধাবিত হচ্ছে। এর মাধ্যমে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে, ইরানের ওপর সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের মূল লক্ষ্য কেবল দেশটির নীতি বা অবস্থান পরিবর্তন করা নয়, বরং সেখানে ‘রেজিম চেঞ্জ’ বা শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটানো। যদিও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মহলে এই চরমপন্থী অবস্থান প্রকাশ করার মতো ব্যক্তির সংখ্যা খুবই কম।

অতীতে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ বা যুদ্ধ শুরুর সময়ে মার্কিন প্রশাসন দাবি করেছিল যে, শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন তাদের মূল লক্ষ্যগুলোর মধ্যে ছিল না। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে এবং মার্কিন কর্মকর্তাদের সাম্প্রতিক বক্তব্যে এটি স্পষ্ট যে, তেহরানের ওপর অর্থনৈতিক ও সামরিক চাপ বহুগুণ বাড়িয়ে শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটানোর দিকেই হাঁটছে ওয়াশিংটন। নতুন নিষেধাজ্ঞার চূড়ান্ত রূপরেখা প্রকাশিত হওয়ার পর এর প্রকৃত পরিধি ও প্রয়োগের বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা: মিত্রদের ‘পক্ষ’ বেছে নেওয়ার হুঁশিয়ারি

আপডেট সময় : ০৮:৩২:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

ইরানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। যদিও মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এই নিষেধাজ্ঞার বিস্তারিত বা এর আওতাভুক্ত বিষয়গুলো ঘোষণা করেনি, তবে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, যেসব দেশ বা পক্ষ ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখবে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে অর্থনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে।

গত সপ্তাহে মার্কিন অর্থমন্ত্রী এক বক্তব্যে মিত্র দেশ এবং অন্যান্য পক্ষগুলোকে সতর্ক করে বলেন, ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক রাখার ক্ষেত্রে তাদের যেকোনো একটি অবস্থান বেছে নিতে হবে—হয় তারা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে থাকবে, নয়তো বিপক্ষে। তাঁর এই মন্তব্য থেকে পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে যে, ইরানের ওপর ওয়াশিংটনের আসন্ন নিষেধাজ্ঞার কার্যকারিতা ও সাফল্য বহুলাংশে নির্ভর করছে তেহরানের সঙ্গে ব্যবসা করা দেশ ও প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টির ওপর।

এই অর্থনৈতিক চাপের পাশাপাশি সামরিক তৎপরতাও জোরদার করা হচ্ছে। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ কঠোরভাবে কার্যকর করতে দেশটির সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

মার্কিন ট্রেজারি মন্ত্রীর বক্তব্যের আরেকটি তাৎপর্যপূর্ণ দিক হলো ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার পতন নিয়ে তাঁর মন্তব্য। তিনি উল্লেখ করেছেন, ইরানের বর্তমান সরকার পতনের দিকে ধাবিত হচ্ছে। এর মাধ্যমে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে, ইরানের ওপর সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের মূল লক্ষ্য কেবল দেশটির নীতি বা অবস্থান পরিবর্তন করা নয়, বরং সেখানে ‘রেজিম চেঞ্জ’ বা শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটানো। যদিও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মহলে এই চরমপন্থী অবস্থান প্রকাশ করার মতো ব্যক্তির সংখ্যা খুবই কম।

অতীতে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ বা যুদ্ধ শুরুর সময়ে মার্কিন প্রশাসন দাবি করেছিল যে, শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন তাদের মূল লক্ষ্যগুলোর মধ্যে ছিল না। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে এবং মার্কিন কর্মকর্তাদের সাম্প্রতিক বক্তব্যে এটি স্পষ্ট যে, তেহরানের ওপর অর্থনৈতিক ও সামরিক চাপ বহুগুণ বাড়িয়ে শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটানোর দিকেই হাঁটছে ওয়াশিংটন। নতুন নিষেধাজ্ঞার চূড়ান্ত রূপরেখা প্রকাশিত হওয়ার পর এর প্রকৃত পরিধি ও প্রয়োগের বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh