ঢাকা ১১:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রযুক্তির যুগে দাওয়াহর সম্ভাবনা ও দাঈদের নিয়ত রক্ষার চ্যালেঞ্জ নেপাল-তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক ঢলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭২ নেপালে ভয়াবহ বিপর্যয়: চট্টগ্রামে চরম উৎকণ্ঠায় নেপালি শিক্ষার্থীরা নেপালের বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় ৩ কোটি ডলারের আবেদন রেড ক্রসের ঋণের চাপে সপরিবারে আত্মগোপনে থাকা স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু আটক পাকিস্তান ও কুয়েতের মধ্যে নতুন যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের জন্য অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারের তালিকা প্রকাশ মিয়ানমারে পণ্য রপ্তানির অর্থ আসবে তৃতীয় দেশ থেকে, ছাড় দিচ্ছে এনবিআর নেপালে বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬৯, নিখোঁজ দেড় হাজার হরমুজ প্রণালি খুলতে শর্তের তালিকা তৈরি করছে ইরান

বিধানসভায় প্রয়াত নেতাকে নাম ধরে সম্বোধন, ক্ষমা চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৮:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের বিধানসভায় প্রয়াত সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও ডিএমকে-র প্রভাবশালী নেতা এম করুণানিধিকে নাম ধরে সম্বোধন করায় তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। রাজ্যের বনমন্ত্রী আর ভি রঞ্জিত কুমার বিধানসভায় স্বাস্থ্য ও রাজস্ব বিভাগের অনুদান দাবির ওপর আলোচনার সময় এই ঘটনাটি ঘটান।

আলোচনা চলাকালে মন্ত্রী অতীতে নির্বাচনে ‘ভোটের বিনিময়ে টাকা বিতরণ’ ব্যবস্থার সমালোচনা করছিলেন। এ সময় তিনি ‘তিরুমঙ্গলম ফর্মুলা’-র প্রসঙ্গ টেনে দাবি করেন, তার কাঞ্চীপুরম কেন্দ্রে আগের নির্বাচনগুলোতে ভোটপ্রতি ১,৫০০ রুপি পর্যন্ত বিলি করা হয়েছিল। বর্তমান সরকারের সঙ্গে আগের সরকারগুলোর পার্থক্য বোঝাতে গিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান প্রশাসন ক্ষমতায় আসার জন্য কোনো অর্থ বিতরণ করেনি। তবে এই তালিকা দেওয়ার সময় তিনি প্রথা ভেঙে প্রয়াত নেতা এম করুণানিধিকে কেবল ‘করুণানিধি’ বলে সম্বোধন করেন।

তামিলনাড়ু বিধানসভার দীর্ঘদিনের রীতি অনুযায়ী, প্রবীণ নেতাদের নামের আগে ‘কলাইঞার’ বা ‘সাবেক মুখ্যমন্ত্রী’-র মতো সম্মানসূচক খেতাব ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এই প্রোটোকল লঙ্ঘন করায় বিরোধী ডিএমকে সদস্যরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। সাবেক মন্ত্রী কে কে এস এস আর রামচন্দ্রনের নেতৃত্বে বিরোধী বিধায়করা বিষয়টিকে সংসদীয় শিষ্টাচারের লঙ্ঘন আখ্যা দিয়ে প্রতিবাদ শুরু করেন।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে এবং অধিবেশন ব্যাহত হওয়ার উপক্রম হলে মুখ্যমন্ত্রী সি জোসেফ বিজয় নিজে হস্তক্ষেপ করেন। তিনি বনমন্ত্রীকে থামিয়ে দিয়ে এই অনভিপ্রেত সম্বোধনের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। ডিএমকে শিবিরের ক্ষোভ প্রশমিত করতে বিজয় বিধানসভায় দাঁড়িয়ে বলেন, ‘আমি তার পক্ষ থেকে ক্ষমা চাইছি।’ মুখ্যমন্ত্রীর এই তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে বিতর্ক থেমে যায় এবং বিধানসভার কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

বিধানসভায় প্রয়াত নেতাকে নাম ধরে সম্বোধন, ক্ষমা চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়

আপডেট সময় : ০৯:৩৮:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের বিধানসভায় প্রয়াত সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও ডিএমকে-র প্রভাবশালী নেতা এম করুণানিধিকে নাম ধরে সম্বোধন করায় তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। রাজ্যের বনমন্ত্রী আর ভি রঞ্জিত কুমার বিধানসভায় স্বাস্থ্য ও রাজস্ব বিভাগের অনুদান দাবির ওপর আলোচনার সময় এই ঘটনাটি ঘটান।

আলোচনা চলাকালে মন্ত্রী অতীতে নির্বাচনে ‘ভোটের বিনিময়ে টাকা বিতরণ’ ব্যবস্থার সমালোচনা করছিলেন। এ সময় তিনি ‘তিরুমঙ্গলম ফর্মুলা’-র প্রসঙ্গ টেনে দাবি করেন, তার কাঞ্চীপুরম কেন্দ্রে আগের নির্বাচনগুলোতে ভোটপ্রতি ১,৫০০ রুপি পর্যন্ত বিলি করা হয়েছিল। বর্তমান সরকারের সঙ্গে আগের সরকারগুলোর পার্থক্য বোঝাতে গিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান প্রশাসন ক্ষমতায় আসার জন্য কোনো অর্থ বিতরণ করেনি। তবে এই তালিকা দেওয়ার সময় তিনি প্রথা ভেঙে প্রয়াত নেতা এম করুণানিধিকে কেবল ‘করুণানিধি’ বলে সম্বোধন করেন।

তামিলনাড়ু বিধানসভার দীর্ঘদিনের রীতি অনুযায়ী, প্রবীণ নেতাদের নামের আগে ‘কলাইঞার’ বা ‘সাবেক মুখ্যমন্ত্রী’-র মতো সম্মানসূচক খেতাব ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এই প্রোটোকল লঙ্ঘন করায় বিরোধী ডিএমকে সদস্যরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। সাবেক মন্ত্রী কে কে এস এস আর রামচন্দ্রনের নেতৃত্বে বিরোধী বিধায়করা বিষয়টিকে সংসদীয় শিষ্টাচারের লঙ্ঘন আখ্যা দিয়ে প্রতিবাদ শুরু করেন।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে এবং অধিবেশন ব্যাহত হওয়ার উপক্রম হলে মুখ্যমন্ত্রী সি জোসেফ বিজয় নিজে হস্তক্ষেপ করেন। তিনি বনমন্ত্রীকে থামিয়ে দিয়ে এই অনভিপ্রেত সম্বোধনের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। ডিএমকে শিবিরের ক্ষোভ প্রশমিত করতে বিজয় বিধানসভায় দাঁড়িয়ে বলেন, ‘আমি তার পক্ষ থেকে ক্ষমা চাইছি।’ মুখ্যমন্ত্রীর এই তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে বিতর্ক থেমে যায় এবং বিধানসভার কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor