ঢাকা ০৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রমনা কালীমন্দিরে রিজভী: সব ধর্মের মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে ইস্তাম্বুলে ৮০ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যায় নিহত ৪ দীর্ঘ বিরতির পর পর্দায় রশমি দেশাই, জানালেন কেন দূরে ছিলেন আজকের খেলার সূচি: বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে ওয়ানডে ও ইউরোপীয় ফুটবলের লড়াই স্পেসএক্সের রকেট প্রযুক্তিতে আকাশে উড়বে টেসলার ‘রোডস্টার ২’ গণহত্যাকারী দল হিসেবে আ.লীগের বিচার ও কার্যক্রম নিয়ে সংশয় গায়ে হলুদের দিনই ডেঙ্গুতে প্রাণ হারালেন বর ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ তাইজ দখল করতে চায় হুতিরা পেরুর আন্দিজে মেসির নামে নতুন উদ্ভিদ ‘সালভিয়া মেসি’র সন্ধান যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশ্ন ফাঁসে এনবিআর কর্মীসহ গ্রেপ্তার ৭

থাইল্যান্ডের স্কুলে কিশোরের গুলিতে ৯ জনের মৃত্যু

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:০৯:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬ ২৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের উপকণ্ঠে অবস্থিত দেবসিরিন ননথাবুরি স্কুলে এক ভয়াবহ গোলাগুলির ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯ জনে দাঁড়িয়েছে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে স্কুলের স্বাভাবিক ক্লাস চলাকালীন ১৪ বছর বয়সী এক কিশোর শিক্ষার্থী নির্বিচার গুলি চালায়। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী বিবিসিকে জানায়, সে যখন তার শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলছিল, ঠিক তখনই ওই শিক্ষক গুলিবিদ্ধ হন। আতঙ্কে প্রাণ বাঁচাতে ওই শিক্ষার্থী স্কুলের দেয়াল টপকে পালিয়ে যায় এবং পরে মায়ের কাছে ফিরে এসে পুরো ঘটনার বর্ণনা দেয়।

কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, হামলাকারী কিশোরটি একই স্কুলের শিক্ষার্থী। সে প্রথমে তার নিজ বাড়িতে দাদা ও দাদিকে গুলি করে হত্যা করে, এরপর স্কুলে গিয়ে এই তাণ্ডব চালায়। স্কুলে প্রবেশের পর সে এক কক্ষ থেকে অন্য কক্ষে ঘুরে বেড়িয়ে গুলি চালাতে থাকে। নিজেকে গুলি করে আত্মহত্যার আগে সে পাঁচজন শিক্ষক ও সহপাঠীসহ মোট ২৩ জনকে আহত করে।

স্কুলের ১৮ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী জানান, প্রথমে গুলির শব্দগুলোকে তিনি বাজি ফোটার শব্দ বলে ভুল করেছিলেন। পরে পরিস্থিতি বুঝতে পেরে সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। প্যারামেডিক উদ্ধারকর্মী কিয়াতিখুন ভেরাপংপ্রাদিথ জানান, তিনি ঘটনাস্থলে আহত শিক্ষার্থীদের বুকে, পিঠে ও হাতে গুলি লাগা অবস্থায় দেখেছেন এবং দ্রুত তাদের হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছেন। নিহতের তালিকায় ওই স্কুলেরই এক শিক্ষক রয়েছেন, যিনি হামলাকারীর বন্ধুর মতো ছিলেন বলে জানিয়েছেন অন্য এক শিক্ষক।

শিক্ষা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলাকারী কিশোরটি পড়াশোনায় ভালো ছিল এবং তার মধ্যে কোনো আক্রমণাত্মক স্বভাব ছিল না, তবে সে ভিডিও গেমের প্রতি অত্যন্ত আগ্রহী ছিল। ঘটনার পর থাইল্যান্ডে প্রকাশ্যে অস্ত্র বহন নিষিদ্ধ করার বিষয়টি সামনে এসেছে।

আর ভিড়ের মধ্যে থাকা লোকজন একে অপরকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।.থাইল্যান্ডের স্কুলে কিশোরের গুলির পর প্রকাশ্যে অস্ত্র বহন নিষিদ্ধ হচ্ছে.১২ বছর বয়সী শিশুরাও আহত হয়েছে, এমন খবর শুনে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়েছিলেন উদ্ধারকর্মী কিয়াতিখুন ভেরাপংপ্রাদিথ।৪৭ বছর বয়সী ভেরাপংপ্রাদিথ রয়টার্সকে বলেন, ‘আমি গুলিবিদ্ধ শিক্ষার্থীদের দ

তাই আমি দ্রুত তাদের হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করি।’শোকে মুহ্যমান এক শিক্ষক বিবিসিকে জানান, নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে তাঁর এক বন্ধুও রয়েছেন।নাম না প্রকাশ করার শর্তে ৩১ বছর বয়সী ওই শিক্ষক বলেন, ‘সে আমার বয়সী ছিল।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

থাইল্যান্ডের স্কুলে কিশোরের গুলিতে ৯ জনের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৪:০৯:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের উপকণ্ঠে অবস্থিত দেবসিরিন ননথাবুরি স্কুলে এক ভয়াবহ গোলাগুলির ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯ জনে দাঁড়িয়েছে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে স্কুলের স্বাভাবিক ক্লাস চলাকালীন ১৪ বছর বয়সী এক কিশোর শিক্ষার্থী নির্বিচার গুলি চালায়। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী বিবিসিকে জানায়, সে যখন তার শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলছিল, ঠিক তখনই ওই শিক্ষক গুলিবিদ্ধ হন। আতঙ্কে প্রাণ বাঁচাতে ওই শিক্ষার্থী স্কুলের দেয়াল টপকে পালিয়ে যায় এবং পরে মায়ের কাছে ফিরে এসে পুরো ঘটনার বর্ণনা দেয়।

কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, হামলাকারী কিশোরটি একই স্কুলের শিক্ষার্থী। সে প্রথমে তার নিজ বাড়িতে দাদা ও দাদিকে গুলি করে হত্যা করে, এরপর স্কুলে গিয়ে এই তাণ্ডব চালায়। স্কুলে প্রবেশের পর সে এক কক্ষ থেকে অন্য কক্ষে ঘুরে বেড়িয়ে গুলি চালাতে থাকে। নিজেকে গুলি করে আত্মহত্যার আগে সে পাঁচজন শিক্ষক ও সহপাঠীসহ মোট ২৩ জনকে আহত করে।

স্কুলের ১৮ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী জানান, প্রথমে গুলির শব্দগুলোকে তিনি বাজি ফোটার শব্দ বলে ভুল করেছিলেন। পরে পরিস্থিতি বুঝতে পেরে সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। প্যারামেডিক উদ্ধারকর্মী কিয়াতিখুন ভেরাপংপ্রাদিথ জানান, তিনি ঘটনাস্থলে আহত শিক্ষার্থীদের বুকে, পিঠে ও হাতে গুলি লাগা অবস্থায় দেখেছেন এবং দ্রুত তাদের হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছেন। নিহতের তালিকায় ওই স্কুলেরই এক শিক্ষক রয়েছেন, যিনি হামলাকারীর বন্ধুর মতো ছিলেন বলে জানিয়েছেন অন্য এক শিক্ষক।

শিক্ষা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলাকারী কিশোরটি পড়াশোনায় ভালো ছিল এবং তার মধ্যে কোনো আক্রমণাত্মক স্বভাব ছিল না, তবে সে ভিডিও গেমের প্রতি অত্যন্ত আগ্রহী ছিল। ঘটনার পর থাইল্যান্ডে প্রকাশ্যে অস্ত্র বহন নিষিদ্ধ করার বিষয়টি সামনে এসেছে।

আর ভিড়ের মধ্যে থাকা লোকজন একে অপরকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।.থাইল্যান্ডের স্কুলে কিশোরের গুলির পর প্রকাশ্যে অস্ত্র বহন নিষিদ্ধ হচ্ছে.১২ বছর বয়সী শিশুরাও আহত হয়েছে, এমন খবর শুনে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়েছিলেন উদ্ধারকর্মী কিয়াতিখুন ভেরাপংপ্রাদিথ।৪৭ বছর বয়সী ভেরাপংপ্রাদিথ রয়টার্সকে বলেন, ‘আমি গুলিবিদ্ধ শিক্ষার্থীদের দ

তাই আমি দ্রুত তাদের হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করি।’শোকে মুহ্যমান এক শিক্ষক বিবিসিকে জানান, নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে তাঁর এক বন্ধুও রয়েছেন।নাম না প্রকাশ করার শর্তে ৩১ বছর বয়সী ওই শিক্ষক বলেন, ‘সে আমার বয়সী ছিল।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo