ঢাকা ০৮:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হামলার আশঙ্কায় পুলিশের নিরাপত্তা চাইল ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি চীনের অর্থনীতির রূপকার ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঝু রংজির পরলোকগমন তথ্য নিয়ে কোনো বিভ্রান্তি ছড়াবে না সরকার: আমির খসরু রাতে বাড়ছে মেট্রোরেল চলাচলের সময়, এ মাসেই যুক্ত হচ্ছে নতুন ট্রেন বাবার প্রয়াণে আবেগঘন বার্তায় মেসি: ‘শান্তিতে ঘুমাও বাবা’ জেলা পর্যায়ে ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ’ চালুর ঘোষণা মাহদী আমিনের ট্রাইব্যুনালে ওবায়দুল কাদেরকে ‘রাজনৈতিক জোকার’ বললেন চিফ প্রসিকিউটর বিএমইউ’র বরিশাল বিভাগীয় কল্যাণ সমিতির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত সমকামিতার অভিযোগ: ঢাবির ২ শিক্ষার্থীর হলের সিট স্থায়ী বাতিল দৌলতপুরে নকল সিগারেট কারখানায় অভিযান, ২০ লাখ শলাকা জব্দ

গর্ভধারণের প্রথম তিন মাস: কেন জরুরি আলট্রাসনোগ্রাম ও সচেতনতা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১৯:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ৩৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

গর্ভধারণের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই একজন নারীর দায়িত্ব বহুগুণ বেড়ে যায়। কারণ, তিনি এখন নিজের পাশাপাশি গর্ভে বেড়ে ওঠা নতুন প্রাণের সুস্থতা ও বিকাশের দায়িত্ব বহন করছেন। পিরিয়ড বন্ধ হওয়া বা প্রেগন্যান্সি টেস্ট পজিটিভ আসার পর অনেকেই দ্বিধায় থাকেন যে কখন ডাক্তার দেখাবেন। অনেক হবু মা মনে করেন, পেটের আকার বোঝা গেলে বা শেষদিকে ডাক্তার দেখালেই যথেষ্ট, যা একটি ভুল ধারণা। মূলত গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাস বা ফার্স্ট ট্রাইমেস্টার হলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়।

এই সময়ে ভ্রূণের মৌলিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের বিকাশ শুরু হয়। একইসঙ্গে ইকটপিক প্রেগন্যান্সি (জরায়ুর বাইরে ভ্রূণ স্থাপন), ব্লাইটেড ওভাম (ভ্রূণহীন গর্ভফল), মোলার প্রেগন্যান্সি বা মিসড এবরশনের মতো জটিলতা দেখা দিতে পারে। অনেক সময় প্রাথমিক লক্ষণগুলো সাধারণ বমি ভাব বা ক্লান্তির মতো হওয়ায় মা নিজে এসব জটিলতা বুঝতে পারেন না। তাই পিরিয়ড মিস হওয়ার দেড় থেকে দুই মাসের মধ্যে একজন গাইনোকোলজিস্ট অথবা নিউক্লিয়ার মেডিসিন ও আল্ট্রাসাউন্ড বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া এবং আর্লি প্রেগন্যান্সি আলট্রাসনোগ্রাম করানো অত্যন্ত জরুরি।

এই পরীক্ষার মাধ্যমে গর্ভধারণ নিশ্চিত করা, ভ্রূণ জরায়ুর ভেতরে সঠিকভাবে সংস্থাপিত হয়েছে কিনা তা যাচাই করা, ভ্রূণের হার্টবিট দেখা এবং ডেলিভারির সম্ভাব্য তারিখ জানা সম্ভব। ইকটপিক প্রেগন্যান্সির মতো জটিলতা দ্রুত শনাক্ত করা গেলে তাৎক্ষণিক চিকিৎসার মাধ্যমে মায়ের জীবন বাঁচানো সম্ভব। একইভাবে ব্লাইটেড ওভাম বা মোলার প্রেগন্যান্সি প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে ভবিষ্যতের বড় ঝুঁকি এড়ানো যায়।

সুস্থ গর্ভাবস্থা নিশ্চিত করতে প্রথম দিন থেকেই যত্নবান হতে হবে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম, সুষম খাদ্যগ্রহণ, নিয়মিত ভিটামিন ও ফোলিক অ্যাসিড সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা জরুরি। তাই দেরি না করে গর্ভাবস্থার শুরুতেই প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও আলট্রাসনোগ্রাম করিয়ে নিজের ও অনাগত শিশুর সুস্থতা নিশ্চিত করুন।

এখনই, নাকি ৫-৬ মাস পরে যখন পেট বোঝা যাবে, তখন?

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy

নিউজটি শেয়ার করুন

গর্ভধারণের প্রথম তিন মাস: কেন জরুরি আলট্রাসনোগ্রাম ও সচেতনতা

আপডেট সময় : ০১:১৯:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
print news

গর্ভধারণের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই একজন নারীর দায়িত্ব বহুগুণ বেড়ে যায়। কারণ, তিনি এখন নিজের পাশাপাশি গর্ভে বেড়ে ওঠা নতুন প্রাণের সুস্থতা ও বিকাশের দায়িত্ব বহন করছেন। পিরিয়ড বন্ধ হওয়া বা প্রেগন্যান্সি টেস্ট পজিটিভ আসার পর অনেকেই দ্বিধায় থাকেন যে কখন ডাক্তার দেখাবেন। অনেক হবু মা মনে করেন, পেটের আকার বোঝা গেলে বা শেষদিকে ডাক্তার দেখালেই যথেষ্ট, যা একটি ভুল ধারণা। মূলত গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাস বা ফার্স্ট ট্রাইমেস্টার হলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়।

এই সময়ে ভ্রূণের মৌলিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের বিকাশ শুরু হয়। একইসঙ্গে ইকটপিক প্রেগন্যান্সি (জরায়ুর বাইরে ভ্রূণ স্থাপন), ব্লাইটেড ওভাম (ভ্রূণহীন গর্ভফল), মোলার প্রেগন্যান্সি বা মিসড এবরশনের মতো জটিলতা দেখা দিতে পারে। অনেক সময় প্রাথমিক লক্ষণগুলো সাধারণ বমি ভাব বা ক্লান্তির মতো হওয়ায় মা নিজে এসব জটিলতা বুঝতে পারেন না। তাই পিরিয়ড মিস হওয়ার দেড় থেকে দুই মাসের মধ্যে একজন গাইনোকোলজিস্ট অথবা নিউক্লিয়ার মেডিসিন ও আল্ট্রাসাউন্ড বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া এবং আর্লি প্রেগন্যান্সি আলট্রাসনোগ্রাম করানো অত্যন্ত জরুরি।

এই পরীক্ষার মাধ্যমে গর্ভধারণ নিশ্চিত করা, ভ্রূণ জরায়ুর ভেতরে সঠিকভাবে সংস্থাপিত হয়েছে কিনা তা যাচাই করা, ভ্রূণের হার্টবিট দেখা এবং ডেলিভারির সম্ভাব্য তারিখ জানা সম্ভব। ইকটপিক প্রেগন্যান্সির মতো জটিলতা দ্রুত শনাক্ত করা গেলে তাৎক্ষণিক চিকিৎসার মাধ্যমে মায়ের জীবন বাঁচানো সম্ভব। একইভাবে ব্লাইটেড ওভাম বা মোলার প্রেগন্যান্সি প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে ভবিষ্যতের বড় ঝুঁকি এড়ানো যায়।

সুস্থ গর্ভাবস্থা নিশ্চিত করতে প্রথম দিন থেকেই যত্নবান হতে হবে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম, সুষম খাদ্যগ্রহণ, নিয়মিত ভিটামিন ও ফোলিক অ্যাসিড সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা জরুরি। তাই দেরি না করে গর্ভাবস্থার শুরুতেই প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও আলট্রাসনোগ্রাম করিয়ে নিজের ও অনাগত শিশুর সুস্থতা নিশ্চিত করুন।

এখনই, নাকি ৫-৬ মাস পরে যখন পেট বোঝা যাবে, তখন?

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy