ঢাকা ০৭:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
লুপাস নেফ্রাইটিসে প্রাণ হারাল সখীপুরের ১০ বছরের শিশু সাদিয়া রংপুরে শিক্ষক পরিবার হত্যা: দ্রুত চার্জশিট ও সুবিচারের আশ্বাস আরপিএমপির কেরানীগঞ্জে সাত দিন ধরে গ্যাস নেই, অচল কলকারখানা সেন্ট গ্রেগরী কলেজে একাদশে ভর্তি পরীক্ষা ১৩ সেপ্টেম্বর, আবেদন শুরু ১ সেপ্টেম্বর সিংগাইরে মদ্যপ অবস্থায় মারামারি, চিকিৎসাধীন যুবকের মৃত্যু দেশজুড়ে আশঙ্কাজনকহারে বেড়েছে খুন, ৭ মাসে ২০৭৬ হত্যাকাণ্ড ২৯ আগস্ট থেকে চুয়াডাঙ্গায় আন্তঃজেলা বাস চলাচল বন্ধের ঘোষণা আষাঢ়িয়ারচর ব্রিজে ফাটল: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট রূপপুর প্রকল্পে লিফট থেকে পড়ে শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু কুলাউড়ায় এনসিপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০, গ্রেপ্তার ৫

রৌদ্রদগ্ধ দুপুরের দহন ও স্মৃতির একাকীত্ব

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৩:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

খাঁ খাঁ করা তপ্ত দুপুরে প্রিয়জনের স্মৃতি যখন মনে কড়া নাড়ে, তখন চোখের কোণ বেয়ে নেমে আসে এক অজানা হাহাকার। ভাঙা নদীর মতো দুই চোখ তখন অশ্রুসিক্ত হয়ে ওঠে, আর সেই কান্নার ধারা যেন এক অভিমানী জ্বরের মতো শরীরে ভর করে। প্রকৃতির রুদ্ররূপ আর মনের ভেতরের শূন্যতা এক হয়ে মিশে যায় এই তপ্ত মধ্যাহ্নে।

আকাশ যেন তার বুক চিরে গাঢ় শ্যাওলা রঙের মেঘের ভারে কাঁপতে থাকে। সদ্য দাঁড়ানো কোনো শিশুর মতো সেই মেঘ আছড়ে পড়ে মাটির বুকে। ঠিক তেমনি, বুকের গভীরে জমে থাকা হাজার বছরের পুরোনো কষ্টের সুপ্ত আগ্নেয়গিরি হঠাৎ করেই জেগে ওঠে। নীরবতার সব পাথর ভেঙে সেই কষ্টগুলো এক দগ্ধ আর্তনাদ হয়ে বাইরে উথলে আসে।

ভাঙা শিলালিপির গা বেয়ে ধুলোবালির মতো দীর্ঘশ্বাস ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। এই রৌদ্রপীড়িত ও দিকভ্রান্ত নিস্তব্ধতার প্রতিটি স্তরে স্তরে মিশে যায় চাপা কান্না। দুপুরের এই তীব্র সূর্যের উত্তাপের চেয়েও প্রিয় মানুষের অনুপস্থিতি যে কতটা বেশি দহন ছড়ায়, তা কেবল একাকী হৃদয়ের নীরবতাই টের পায়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

রৌদ্রদগ্ধ দুপুরের দহন ও স্মৃতির একাকীত্ব

আপডেট সময় : ০৫:১৩:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

খাঁ খাঁ করা তপ্ত দুপুরে প্রিয়জনের স্মৃতি যখন মনে কড়া নাড়ে, তখন চোখের কোণ বেয়ে নেমে আসে এক অজানা হাহাকার। ভাঙা নদীর মতো দুই চোখ তখন অশ্রুসিক্ত হয়ে ওঠে, আর সেই কান্নার ধারা যেন এক অভিমানী জ্বরের মতো শরীরে ভর করে। প্রকৃতির রুদ্ররূপ আর মনের ভেতরের শূন্যতা এক হয়ে মিশে যায় এই তপ্ত মধ্যাহ্নে।

আকাশ যেন তার বুক চিরে গাঢ় শ্যাওলা রঙের মেঘের ভারে কাঁপতে থাকে। সদ্য দাঁড়ানো কোনো শিশুর মতো সেই মেঘ আছড়ে পড়ে মাটির বুকে। ঠিক তেমনি, বুকের গভীরে জমে থাকা হাজার বছরের পুরোনো কষ্টের সুপ্ত আগ্নেয়গিরি হঠাৎ করেই জেগে ওঠে। নীরবতার সব পাথর ভেঙে সেই কষ্টগুলো এক দগ্ধ আর্তনাদ হয়ে বাইরে উথলে আসে।

ভাঙা শিলালিপির গা বেয়ে ধুলোবালির মতো দীর্ঘশ্বাস ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। এই রৌদ্রপীড়িত ও দিকভ্রান্ত নিস্তব্ধতার প্রতিটি স্তরে স্তরে মিশে যায় চাপা কান্না। দুপুরের এই তীব্র সূর্যের উত্তাপের চেয়েও প্রিয় মানুষের অনুপস্থিতি যে কতটা বেশি দহন ছড়ায়, তা কেবল একাকী হৃদয়ের নীরবতাই টের পায়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh