রৌদ্রদগ্ধ দুপুরের দহন ও স্মৃতির একাকীত্ব
- আপডেট সময় : ০৫:১৩:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

খাঁ খাঁ করা তপ্ত দুপুরে প্রিয়জনের স্মৃতি যখন মনে কড়া নাড়ে, তখন চোখের কোণ বেয়ে নেমে আসে এক অজানা হাহাকার। ভাঙা নদীর মতো দুই চোখ তখন অশ্রুসিক্ত হয়ে ওঠে, আর সেই কান্নার ধারা যেন এক অভিমানী জ্বরের মতো শরীরে ভর করে। প্রকৃতির রুদ্ররূপ আর মনের ভেতরের শূন্যতা এক হয়ে মিশে যায় এই তপ্ত মধ্যাহ্নে।
আকাশ যেন তার বুক চিরে গাঢ় শ্যাওলা রঙের মেঘের ভারে কাঁপতে থাকে। সদ্য দাঁড়ানো কোনো শিশুর মতো সেই মেঘ আছড়ে পড়ে মাটির বুকে। ঠিক তেমনি, বুকের গভীরে জমে থাকা হাজার বছরের পুরোনো কষ্টের সুপ্ত আগ্নেয়গিরি হঠাৎ করেই জেগে ওঠে। নীরবতার সব পাথর ভেঙে সেই কষ্টগুলো এক দগ্ধ আর্তনাদ হয়ে বাইরে উথলে আসে।
ভাঙা শিলালিপির গা বেয়ে ধুলোবালির মতো দীর্ঘশ্বাস ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। এই রৌদ্রপীড়িত ও দিকভ্রান্ত নিস্তব্ধতার প্রতিটি স্তরে স্তরে মিশে যায় চাপা কান্না। দুপুরের এই তীব্র সূর্যের উত্তাপের চেয়েও প্রিয় মানুষের অনুপস্থিতি যে কতটা বেশি দহন ছড়ায়, তা কেবল একাকী হৃদয়ের নীরবতাই টের পায়।





























