কিংবদন্তি সুরকার আলাউদ্দিন আলীর প্রয়াণ দিবস আজ
- আপডেট সময় : ০৩:১১:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

বাংলা আধুনিক গান, দেশাত্মবোধক সুর এবং চলচ্চিত্রের গানে এক অবিস্মরণীয় নাম আলাউদ্দিন আলী। তার জাদুকরী সুরের স্পর্শে দেশীয় চলচ্চিত্র পেয়েছে নতুন মাত্রা। সুরকার ও সংগীত পরিচালক হিসেবে পরিচিত এই গুণী শিল্পী সাতবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছেন। এর বাইরে গীতিকার হিসেবেও তিনি একবার এই সম্মান পেয়েছেন। সুর ও সংগীতের পাশাপাশি তিনি সংগীতশিল্পী হিসেবেও কাজ করেছেন।
আলাউদ্দিন আলীর জন্ম ১৯৫২ সালের ২৪ ডিসেম্বর মুন্সীগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ি উপজেলার বাঁশবাড়ী গ্রামে। তার বাবা ওস্তাদ জাবেদ আলী এবং মা জোহরা খাতুন। সংগীতের হাতেখড়ি হয়েছিল বাবা এবং ছোট চাচা সাদেক আলীর কাছে। ১৯৬৮ সালে যন্ত্রশিল্পী হিসেবে এবং আলতাফ মাহমুদের সহযোগী হিসেবে তিনি চলচ্চিত্র জগতে যাত্রা শুরু করেন। পরবর্তীকালে তিনি আনোয়ার পারভেজসহ তৎকালীন বিখ্যাত সব সুরকারের সঙ্গে কাজ করেছেন। ১৯৭৫ সালে সংগীত পরিচালক হিসেবে তিনি প্রথমবারের মতো আলোচনায় আসেন এবং জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত নিজের সৃজনশীলতা বজায় রাখেন।
তিনি অসংখ্য কালজয়ী গান সৃষ্টি করেছেন যা আজও মানুষের মুখে মুখে ফেরে এবং আমাদের সংগীতের সেই সোনালি সময়ের কথা মনে করিয়ে দেয়। তার উল্লেখযোগ্য গানের তালিকায় রয়েছে 'প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ', 'যে ছিল দৃষ্টির সীমানায়', 'ভালোবাসা যত বড় জীবন তত বড় নয়', 'হয় যদি বদনাম হোক আরও', 'আছেন আমার মোক্তার আছেন আমার ব্যারিস্টার', 'বন্ধু তিনদিন তোর বাড়িত গেলাম দেখা পাইলাম না', 'দুঃখ ভালোবেসে প্রেমের খেলা খেলতে হয়', 'সূর্যোদয়ে তুমি সূর্যাস্তেও তুমি', 'আমায় গেঁথে দাও না মাগো একটা পলাশ ফুলের মালা', 'এমনও তো প্রেম হয়', 'যেটুকু সময় তুমি থাকো কাছে' এবং 'সবাই বলে বয়স বাড়ে আমি বলি কমেরে'-এর মতো জনপ্রিয় সব সৃষ্টি।
আজ কিংবদন্তি এই সংগীতব্যক্তিত্বের চলে যাওয়ার দিন। ২০২০ সালের এই দিনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এই প্রয়াণ দিবসে গুণী এই শিল্পীর বিদেহী আত্মার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে।





























