ঢাকা ১০:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মেক্সিকোর উপকূলে ৭.৩ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, জারি সুনামি সতর্কতা ইয়ামালকে থামাতে সর্বোচ্চ চেষ্টার প্রতিশ্রুতি লিওনেল মেসির ১৮ জুলাইয়ের আন্দোলনে যেভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেন-আর্জেন্টিনা, কার পক্ষে গার্দিওলা? ঢাকায় আজ বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস, তাপমাত্রা অপরিবর্তিত ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের দাম বাড়ায়নি সরকার: সিরাজগঞ্জে বিদ্যুৎমন্ত্রী হরমুজ প্রণালিতে মাইন বিস্ফোরণে দুটি তেলের ট্যাঙ্কারে ভয়াবহ আগুন বাংলা কবিতার নতুন ছন্দপ্রস্তাবনা ‘কুত্রাপি’ উদ্ভাবন করলেন দ্রাবিড় সৈকত শ্রেণিকক্ষে পাঠদানে অনীহা, কোচিং বাণিজ্যে জিম্মি শিক্ষার্থীরা ক্রিকেটের সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডার স্যার গ্যারি সোবার্সের জীবনাবসান

বাংলা কবিতার নতুন ছন্দপ্রস্তাবনা ‘কুত্রাপি’ উদ্ভাবন করলেন দ্রাবিড় সৈকত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০৪:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

বাংলা কবিতার নতুন এবং স্বতন্ত্র ধারার নাম হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে 'কুত্রাপি'। এই কাব্যধারার উদ্ভাবক হলেন কবি, লেখক এবং চিত্রশিল্পী অধ্যাপক দ্রাবিড় সৈকত। তিনি ময়মনসিংহের ত্রিশালে অবস্থিত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের একজন শিক্ষক।

কুত্রাপি সম্পর্কে ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে দ্রাবিড় সৈকত জানান, এটি মূলত কবিতার এক ধরনের ছন্দপ্রস্তাবনা। এই ধারায় অনুপ্রাস, অন্ত্যমিল, আদ্যমিল, যমক ও উৎপ্রেক্ষার মতো অলঙ্কার ব্যবহারের পাশাপাশি ভাবগত ও ধ্বনিগত বৈচিত্র্য বজায় রাখা হয়। কবি জানান, কুত্রাপি ধারায় কবিতা লেখার সময় ছন্দহীনতায় গা ভাসিয়ে দিয়ে পুনরায় শৃঙ্খলায় ফিরে আসার এক বিশেষ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়। এই ধারার প্রতিটি কবিতার লাইন সংখ্যা অবশ্যই ৯ অথবা ১১টি হতে হবে।

কবি দ্রাবিড় সৈকত তাঁর এই নতুন ধারায় বেশ কিছু উদাহরণ তুলে ধরেছেন। কুত্রাপি-৬২৭ কবিতায় তিনি প্রেমিকের হাতে আশ্চর্য প্রদীপের জ্বলে ওঠা ও দাবানলের রূপক ব্যবহার করেছেন। কুত্রাপি-৬২৮ কবিতায় মুখোশধারী পুজারি ও সময়ের পরিবর্তনের কথা বলেছেন। কুত্রাপি-৬২৯ কবিতায় অতলান্তিক চোখ ও ক্লান্তির ছাপের মধ্য দিয়ে বিরহ ও মায়ার চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন। কুত্রাপি-৬৩০ কবিতায় সামাজিক অনাচার ও মানুষের অসহায়ত্বের চিত্র এবং কুত্রাপি-৬৩১ কবিতায় ইলিশের উজানে ছুটে চলা ও বেদনার অনুভবের মাধ্যমে জীবনদর্শনের এক অনন্য প্রকাশ ঘটিয়েছেন তিনি।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলা কবিতার নতুন ছন্দপ্রস্তাবনা ‘কুত্রাপি’ উদ্ভাবন করলেন দ্রাবিড় সৈকত

আপডেট সময় : ০৯:০৪:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
print news

বাংলা কবিতার নতুন এবং স্বতন্ত্র ধারার নাম হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে 'কুত্রাপি'। এই কাব্যধারার উদ্ভাবক হলেন কবি, লেখক এবং চিত্রশিল্পী অধ্যাপক দ্রাবিড় সৈকত। তিনি ময়মনসিংহের ত্রিশালে অবস্থিত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের একজন শিক্ষক।

কুত্রাপি সম্পর্কে ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে দ্রাবিড় সৈকত জানান, এটি মূলত কবিতার এক ধরনের ছন্দপ্রস্তাবনা। এই ধারায় অনুপ্রাস, অন্ত্যমিল, আদ্যমিল, যমক ও উৎপ্রেক্ষার মতো অলঙ্কার ব্যবহারের পাশাপাশি ভাবগত ও ধ্বনিগত বৈচিত্র্য বজায় রাখা হয়। কবি জানান, কুত্রাপি ধারায় কবিতা লেখার সময় ছন্দহীনতায় গা ভাসিয়ে দিয়ে পুনরায় শৃঙ্খলায় ফিরে আসার এক বিশেষ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়। এই ধারার প্রতিটি কবিতার লাইন সংখ্যা অবশ্যই ৯ অথবা ১১টি হতে হবে।

কবি দ্রাবিড় সৈকত তাঁর এই নতুন ধারায় বেশ কিছু উদাহরণ তুলে ধরেছেন। কুত্রাপি-৬২৭ কবিতায় তিনি প্রেমিকের হাতে আশ্চর্য প্রদীপের জ্বলে ওঠা ও দাবানলের রূপক ব্যবহার করেছেন। কুত্রাপি-৬২৮ কবিতায় মুখোশধারী পুজারি ও সময়ের পরিবর্তনের কথা বলেছেন। কুত্রাপি-৬২৯ কবিতায় অতলান্তিক চোখ ও ক্লান্তির ছাপের মধ্য দিয়ে বিরহ ও মায়ার চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন। কুত্রাপি-৬৩০ কবিতায় সামাজিক অনাচার ও মানুষের অসহায়ত্বের চিত্র এবং কুত্রাপি-৬৩১ কবিতায় ইলিশের উজানে ছুটে চলা ও বেদনার অনুভবের মাধ্যমে জীবনদর্শনের এক অনন্য প্রকাশ ঘটিয়েছেন তিনি।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh