
বাংলা কবিতার নতুন এবং স্বতন্ত্র ধারার নাম হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে 'কুত্রাপি'। এই কাব্যধারার উদ্ভাবক হলেন কবি, লেখক এবং চিত্রশিল্পী অধ্যাপক দ্রাবিড় সৈকত। তিনি ময়মনসিংহের ত্রিশালে অবস্থিত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের একজন শিক্ষক।
কুত্রাপি সম্পর্কে ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে দ্রাবিড় সৈকত জানান, এটি মূলত কবিতার এক ধরনের ছন্দপ্রস্তাবনা। এই ধারায় অনুপ্রাস, অন্ত্যমিল, আদ্যমিল, যমক ও উৎপ্রেক্ষার মতো অলঙ্কার ব্যবহারের পাশাপাশি ভাবগত ও ধ্বনিগত বৈচিত্র্য বজায় রাখা হয়। কবি জানান, কুত্রাপি ধারায় কবিতা লেখার সময় ছন্দহীনতায় গা ভাসিয়ে দিয়ে পুনরায় শৃঙ্খলায় ফিরে আসার এক বিশেষ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়। এই ধারার প্রতিটি কবিতার লাইন সংখ্যা অবশ্যই ৯ অথবা ১১টি হতে হবে।
কবি দ্রাবিড় সৈকত তাঁর এই নতুন ধারায় বেশ কিছু উদাহরণ তুলে ধরেছেন। কুত্রাপি-৬২৭ কবিতায় তিনি প্রেমিকের হাতে আশ্চর্য প্রদীপের জ্বলে ওঠা ও দাবানলের রূপক ব্যবহার করেছেন। কুত্রাপি-৬২৮ কবিতায় মুখোশধারী পুজারি ও সময়ের পরিবর্তনের কথা বলেছেন। কুত্রাপি-৬২৯ কবিতায় অতলান্তিক চোখ ও ক্লান্তির ছাপের মধ্য দিয়ে বিরহ ও মায়ার চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন। কুত্রাপি-৬৩০ কবিতায় সামাজিক অনাচার ও মানুষের অসহায়ত্বের চিত্র এবং কুত্রাপি-৬৩১ কবিতায় ইলিশের উজানে ছুটে চলা ও বেদনার অনুভবের মাধ্যমে জীবনদর্শনের এক অনন্য প্রকাশ ঘটিয়েছেন তিনি।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২