অভিযোগ ভিত্তিহীন, শিবিরের বহিষ্কারের বিষয়ে মুখ খুললেন আম্মার
- আপডেট সময় : ০৩:৫৪:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মার তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের আনা বিভিন্ন অভিযোগকে ‘মিথ্যা’ বলে অভিহিত করেছেন। বুধবার রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি এসব অভিযোগের বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন।
শিবিরের প্রকাশিত চিঠিতে আম্মারের বিরুদ্ধে নৈতিক পদস্খলন, নারীদের সঙ্গে অবাধ মেলামেশা, অর্থনৈতিক অনিয়ম এবং অর্থের বিনিময়ে পদ-বাণিজ্যের অভিযোগ তোলা হয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে আম্মার বলেন, তিনি কোনো অভিযোগের সঙ্গেই জড়িত নন। তিনি আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বলেন, “তারা একাধিক অভিযোগ এনেছে, একটা প্রমাণ আনেনি। শুধু এলিগেশন। আমি আজ আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বললাম! আমি আজ পর্যন্ত কোনোদিন আনিত অভিযোগগুলোর কোনোটার সাথেই সম্পৃক্ত না।”
নারীদের সঙ্গে মেলামেশার বিষয়ে তিনি বলেন, ক্যাম্পাস জীবনে কোনো নারী শিক্ষার্থীর সঙ্গে তিনি ভাই-বোনের সম্পর্কের বাইরে কোনো আচরণ করেননি। চাঁদাবাজির অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি জানান, জুলাই মাসে একটি কনসার্ট আয়োজনের জন্য তৎকালীন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পরামর্শে তিনি বিভিন্ন ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠানে প্রস্তাব নিয়ে গিয়েছিলেন, যা পরবর্তীতে ভুলভাবে চাঁদাবাজির চিঠি হিসেবে প্রচার করা হয়েছে। এছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রাজশাহীর একটি কমিটির সঙ্গে তাকে জড়িয়ে যে পদ-বাণিজ্যের অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা-ও তিনি অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় পর্যায়ের ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ ভালো থাকায় তাকে অযথা ওই কমিটির সঙ্গে জড়ানো হয়েছে।
নিজের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে আম্মার উল্লেখ করেন, অতীতে তিনি প্রকাশ্যেই শিবিরের সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন এবং তাদের একটি অফিসিয়াল গানে অভিনয়ও করেছেন। এছাড়া তিনি কলরবের সঙ্গেও কাজ করেছেন।
এর আগে বুধবার বিকেলে রাবি শিবিরের সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক আহমেদ মুন্সীর ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে আম্মারকে ২০২৫ সালে শিবির থেকে বহিষ্কারের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। রাবি শিবিরের সেক্রেটারি মেহেদী হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ২০২৫ সালের ৪ ফেব্রুয়ারির চিঠিতে আম্মারের সাথী পদ স্থগিত এবং একই বছরের সেপ্টেম্বরে পদ বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।





























