ঢাকা ০৮:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীতে হত্যা মামলায় পান দোকানিকে ফাঁসানোর অভিযোগ, পরিবারের সংবাদ সম্মেলন উয়েফার বিরুদ্ধে ‘অপপ্রচার ও হয়রানির’ অভিযোগ আনল ফিফা ক্যালিফোর্নিয়ার সরকারি ছুটির তালিকায় যুক্ত হলো দুই ঈদ মনপুরায় ১০০ ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক রণবীরের জন্মদিনে আলিয়ার বিশেষ পোস্ট, নেটদুনিয়ায় মুগ্ধতা ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ৬ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা সংসার সাজানোর আগেই ডেঙ্গুতে প্রাণ হারালেন চিকিৎসক আঁচল রায় জয়পুরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ধ্বংসস্তূপের মাঝেও টিকে আছে গাজার মানুষের জীবন ও স্বপ্ন উগান্ডায় নতুন রাজা হিসেবে অভিষিক্ত হচ্ছেন সাংবাদিক এডওয়ার্ড রুকিদি

২ কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেনে টার্নওভার কর নেই, এনবিআরের প্রজ্ঞাপন

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৯:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



বার্ষিক দুই কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেন করা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও কোম্পানিকে টার্নওভার করের আওতামুক্ত ঘোষণা করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। সংস্থাটি এ–সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এনবিআরের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ছোট ব্যবসায়ীদের স্বস্তি দেওয়ার লক্ষ্যেই এই করছাড়ের সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বার্ষিক লেনদেনের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে টার্নওভার করের হার পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন থেকে দুই কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো কোনো টার্নওভার কর দেবে না। তবে দুই কোটি থেকে চার কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেন করা কোম্পানিগুলোকে দশমিক ৫ শতাংশ হারে টার্নওভার কর পরিশোধ করতে হবে। এছাড়া চার কোটি টাকার বেশি লেনদেন করা প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর আগের মতোই ১ শতাংশ ন্যূনতম টার্নওভার কর বহাল রাখা হয়েছে।

এর আগে কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া বেশির ভাগ কোম্পানির ওপর ১ শতাংশ হারে ন্যূনতম টার্নওভার কর প্রযোজ্য ছিল। এই ব্যবস্থার কারণে মুনাফা কম হওয়া বা লোকসানে থাকা ব্যবসায়ীদের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ তৈরি হতো, কারণ লাভ-লোকসান নির্বিশেষে এই কর পরিশোধ করতে হতো। এই ১ শতাংশ ন্যূনতম টার্নওভার করব্যবস্থা থেকে ধীরে ধীরে সরে আসার আহ্বান জানিয়ে সম্প্রতি ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই এবং ঢাকা চেম্বার অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছিল।

আয়কর আইনের ১৬৩ ধারায় টার্নওভার করের বিধান রয়েছে। সেখানে নির্দিষ্ট কিছু খাতের জন্য ভিন্ন ভিন্ন হার নির্ধারিত আছে। যেমন সিগারেট, বিড়ি ও তামাক জাতীয় পণ্যের জন্য ৩ শতাংশ, কার্বোনেটেড বেভারেজ ও মিস্টি প্রস্তুতকারকদের জন্য আড়াই শতাংশ এবং মোবাইল ফোন অপারেটরদের ক্ষেত্রে দেড় শতাংশ টার্নওভার কর প্রযোজ্য। এই খাতগুলো ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে ১ শতাংশ হারে টার্নওভার কর আরোপের বিধান ছিল, যা এখন পরিবর্তন করা হলো। এছাড়া শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর প্রথম তিন বছর দশমিক ২ শতাংশ হারে টার্নওভার কর দেওয়ার যে বিধান আগে থেকেই ছিল, তা অপরিবর্তিত থাকছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

২ কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেনে টার্নওভার কর নেই, এনবিআরের প্রজ্ঞাপন

আপডেট সময় : ০৫:৩৯:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বার্ষিক দুই কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেন করা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও কোম্পানিকে টার্নওভার করের আওতামুক্ত ঘোষণা করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। সংস্থাটি এ–সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এনবিআরের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ছোট ব্যবসায়ীদের স্বস্তি দেওয়ার লক্ষ্যেই এই করছাড়ের সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বার্ষিক লেনদেনের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে টার্নওভার করের হার পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন থেকে দুই কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো কোনো টার্নওভার কর দেবে না। তবে দুই কোটি থেকে চার কোটি টাকা পর্যন্ত লেনদেন করা কোম্পানিগুলোকে দশমিক ৫ শতাংশ হারে টার্নওভার কর পরিশোধ করতে হবে। এছাড়া চার কোটি টাকার বেশি লেনদেন করা প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর আগের মতোই ১ শতাংশ ন্যূনতম টার্নওভার কর বহাল রাখা হয়েছে।

এর আগে কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া বেশির ভাগ কোম্পানির ওপর ১ শতাংশ হারে ন্যূনতম টার্নওভার কর প্রযোজ্য ছিল। এই ব্যবস্থার কারণে মুনাফা কম হওয়া বা লোকসানে থাকা ব্যবসায়ীদের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ তৈরি হতো, কারণ লাভ-লোকসান নির্বিশেষে এই কর পরিশোধ করতে হতো। এই ১ শতাংশ ন্যূনতম টার্নওভার করব্যবস্থা থেকে ধীরে ধীরে সরে আসার আহ্বান জানিয়ে সম্প্রতি ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই এবং ঢাকা চেম্বার অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছিল।

আয়কর আইনের ১৬৩ ধারায় টার্নওভার করের বিধান রয়েছে। সেখানে নির্দিষ্ট কিছু খাতের জন্য ভিন্ন ভিন্ন হার নির্ধারিত আছে। যেমন সিগারেট, বিড়ি ও তামাক জাতীয় পণ্যের জন্য ৩ শতাংশ, কার্বোনেটেড বেভারেজ ও মিস্টি প্রস্তুতকারকদের জন্য আড়াই শতাংশ এবং মোবাইল ফোন অপারেটরদের ক্ষেত্রে দেড় শতাংশ টার্নওভার কর প্রযোজ্য। এই খাতগুলো ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে ১ শতাংশ হারে টার্নওভার কর আরোপের বিধান ছিল, যা এখন পরিবর্তন করা হলো। এছাড়া শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর প্রথম তিন বছর দশমিক ২ শতাংশ হারে টার্নওভার কর দেওয়ার যে বিধান আগে থেকেই ছিল, তা অপরিবর্তিত থাকছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo