ঢাকা ১০:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদারগঞ্জে অনিয়মের দায়ে দুই ফার্মেসিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা নেত্রকোনা-১ আসনের সাবেক এমপি মোশতাক আহমেদ রুহী গ্রেপ্তার নিউ ইয়র্কে নামছে না নেতানিয়াহুর উড়োজাহাজ মূল্যস্ফীতির চাপে নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রাখল কেন্দ্রীয় ব্যাংক টাকায় আন্তর্জাতিক লেনদেন সহজ করতে নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের পাকিস্তান–চীন নতুন সীমান্ত চুক্তি নিয়ে ভারতের তীব্র প্রতিক্রিয়া গুলশানে ককটেল বিস্ফোরণ মামলায় ১৫ আসামির ৩ দিনের রিমান্ড ক্ষমতার পাঁচ মাসে কেন হতাশ পশ্চিমবঙ্গের মানুষ, কী বলছে পরিস্থিতি মাদরাসা প্রধানদের ইআইআইএনভিত্তিক সিম কার্ড সচল রাখার নির্দেশ পাংশায় প্রবাসীর স্ত্রী রুনা হত্যায় প্রধান আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

সঞ্চয়পত্র কেনার আগে যে ৫টি ভুল এড়িয়ে চলা জরুরি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:১৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত ও সীমিত আয়ের মানুষের কাছে সঞ্চয়পত্র একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও নিরাপদ বিনিয়োগের মাধ্যম। সংসার পরিচালনার জরুরি খরচ, শিক্ষা কিংবা চিকিৎসার প্রয়োজনে অনেকে সঞ্চয়পত্রের ওপর ভরসা করেন। তবে পরিকল্পিতভাবে বিনিয়োগ না করার কারণে অনেকেই প্রত্যাশিত মুনাফা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, এমনকি লোকসানও গুনছেন। তাই সঞ্চয়পত্র কেনার আগে এর মেয়াদ, প্রয়োজনীয়তা এবং মুনাফার নিয়মগুলো সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা জরুরি।

বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রথম ভুলটি হলো জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহারের টাকা সঞ্চয়পত্রে আটকে ফেলা। সঞ্চয়পত্রের মেয়াদ সাধারণত ৩ থেকে ৫ বছর হয়ে থাকে। যদি আপনার কয়েক মাসের মধ্যেই টাকার প্রয়োজন হতে পারে বলে আশঙ্কা থাকে, তবে সঞ্চয়পত্র না কেনাই শ্রেয়। কারণ, মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই টাকা তুলে নিলে মুনাফার পরিমাণ অনেক কমে যায়।

দ্বিতীয়ত, বিনিয়োগের স্তর সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ সাড়ে সাত লাখ টাকার বেশি হলে মুনাফার হার ধাপে ধাপে হ্রাস পায়। তাই বড় অংকের বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এক নামে না রেখে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ভাগ করে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ। কর সংক্রান্ত জটিলতা এড়াতে স্ত্রী, সন্তান, মা-বাবা বা ভাই-বোনের নামে সঞ্চয়পত্র কেনা ভালো, কারণ তাদের উপহার হিসেবে অর্থ দেওয়া যায় এবং এতে কোনো করের ঝামেলা থাকে না।

তৃতীয় ভুলটি হলো কর শনাক্তকরণ নম্বর বা টিআইএন (TIN) ব্যবহার না করা। নিয়ম অনুযায়ী, টিআইএন না থাকলে মুনাফা থেকে ১০ শতাংশ উৎসে কর কাটা হয়। আর টিআইএন থাকলে ১৫ শতাংশ উৎসে কর কাটা হয়। অনেকে টিআইএন ছাড়াই সঞ্চয়পত্র কেনেন, যা মুনাফা কমিয়ে দেয়।

চতুর্থত, নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক স্কিম নির্বাচন না করা। আপনার মুনাফা প্রতি মাসে দরকার, নাকি তিন মাস অন্তর, নাকি মেয়াদের শেষে—তা বিবেচনা করেই স্কিম বেছে নেওয়া উচিত। যেমন, নারীদের জন্য পরিবার সঞ্চয়পত্রে প্রতি মাসে মুনাফা পাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। তাই কেনার আগেই আপনার নগদ অর্থের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি নিশ্চিত করুন।

সবশেষে, 'সব ডিম এক ঝুড়িতে না রাখা'র নীতি মেনে চলা উচিত। ভবিষ্যতের সব সঞ্চয় কেবল একটি খাতে বিনিয়োগ করা ঠিক নয়। স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি—এই তিন মেয়াদে পরিকল্পনা করে বিনিয়োগ করাই হলো সঠিক কৌশল।

সঞ্চয়পত্র কেনার আগে মেয়াদ, আপনার প্রয়োজন এবং মুনাফার নিয়মগুলো ভালো করে জানতে হবে।.১.

যদি কয়েক মাসের মধ্যে টাকা লাগতে পারে—এমন ভাবনা থাকে, তাহলে সঞ্চয়পত্র না কেনাই ভালো।২.

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

সঞ্চয়পত্র কেনার আগে যে ৫টি ভুল এড়িয়ে চলা জরুরি

আপডেট সময় : ০৯:১৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত ও সীমিত আয়ের মানুষের কাছে সঞ্চয়পত্র একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও নিরাপদ বিনিয়োগের মাধ্যম। সংসার পরিচালনার জরুরি খরচ, শিক্ষা কিংবা চিকিৎসার প্রয়োজনে অনেকে সঞ্চয়পত্রের ওপর ভরসা করেন। তবে পরিকল্পিতভাবে বিনিয়োগ না করার কারণে অনেকেই প্রত্যাশিত মুনাফা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, এমনকি লোকসানও গুনছেন। তাই সঞ্চয়পত্র কেনার আগে এর মেয়াদ, প্রয়োজনীয়তা এবং মুনাফার নিয়মগুলো সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা জরুরি।

বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রথম ভুলটি হলো জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহারের টাকা সঞ্চয়পত্রে আটকে ফেলা। সঞ্চয়পত্রের মেয়াদ সাধারণত ৩ থেকে ৫ বছর হয়ে থাকে। যদি আপনার কয়েক মাসের মধ্যেই টাকার প্রয়োজন হতে পারে বলে আশঙ্কা থাকে, তবে সঞ্চয়পত্র না কেনাই শ্রেয়। কারণ, মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই টাকা তুলে নিলে মুনাফার পরিমাণ অনেক কমে যায়।

দ্বিতীয়ত, বিনিয়োগের স্তর সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ সাড়ে সাত লাখ টাকার বেশি হলে মুনাফার হার ধাপে ধাপে হ্রাস পায়। তাই বড় অংকের বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এক নামে না রেখে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ভাগ করে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ। কর সংক্রান্ত জটিলতা এড়াতে স্ত্রী, সন্তান, মা-বাবা বা ভাই-বোনের নামে সঞ্চয়পত্র কেনা ভালো, কারণ তাদের উপহার হিসেবে অর্থ দেওয়া যায় এবং এতে কোনো করের ঝামেলা থাকে না।

তৃতীয় ভুলটি হলো কর শনাক্তকরণ নম্বর বা টিআইএন (TIN) ব্যবহার না করা। নিয়ম অনুযায়ী, টিআইএন না থাকলে মুনাফা থেকে ১০ শতাংশ উৎসে কর কাটা হয়। আর টিআইএন থাকলে ১৫ শতাংশ উৎসে কর কাটা হয়। অনেকে টিআইএন ছাড়াই সঞ্চয়পত্র কেনেন, যা মুনাফা কমিয়ে দেয়।

চতুর্থত, নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক স্কিম নির্বাচন না করা। আপনার মুনাফা প্রতি মাসে দরকার, নাকি তিন মাস অন্তর, নাকি মেয়াদের শেষে—তা বিবেচনা করেই স্কিম বেছে নেওয়া উচিত। যেমন, নারীদের জন্য পরিবার সঞ্চয়পত্রে প্রতি মাসে মুনাফা পাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। তাই কেনার আগেই আপনার নগদ অর্থের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি নিশ্চিত করুন।

সবশেষে, 'সব ডিম এক ঝুড়িতে না রাখা'র নীতি মেনে চলা উচিত। ভবিষ্যতের সব সঞ্চয় কেবল একটি খাতে বিনিয়োগ করা ঠিক নয়। স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি—এই তিন মেয়াদে পরিকল্পনা করে বিনিয়োগ করাই হলো সঠিক কৌশল।

সঞ্চয়পত্র কেনার আগে মেয়াদ, আপনার প্রয়োজন এবং মুনাফার নিয়মগুলো ভালো করে জানতে হবে।.১.

যদি কয়েক মাসের মধ্যে টাকা লাগতে পারে—এমন ভাবনা থাকে, তাহলে সঞ্চয়পত্র না কেনাই ভালো।২.

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo