বিনিয়োগ ও ব্যবসা সহজ করতে জাতীয় টাস্কফোর্স গঠন করল সরকার
- আপডেট সময় : ১২:১৫:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬ ২১ বার পড়া হয়েছে

দেশে ব্যবসা পরিচালনা ও বিনিয়োগের পরিবেশ সহজতর, প্রতিযোগিতামূলক এবং বিনিয়োগবান্ধব করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার ‘ন্যাশনাল টাস্কফোর্স অন ডিরেগুলেশন অ্যান্ড বিজনেস ফ্যাসিলিটেশন’ নামে একটি নতুন কমিটি গঠন করেছে। এই টাস্কফোর্সের প্রধান কাজ হবে ব্যবসা সহজীকরণ ও বিনিয়ন্ত্রণ-সংক্রান্ত বিভিন্ন খাতের সংস্কার এবং রোডম্যাপ অনুমোদন ও বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী এই টাস্কফোর্সের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন পরিবেশমন্ত্রী, শিল্পমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা। এছাড়া বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজার বিষয়ক বিশেষ সহকারীকেও সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
টাস্কফোর্সের অন্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ সচিব, নৌপরিবহন সচিব, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান এবং যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মগুলোর পরিদপ্তরের রেজিস্ট্রার। পাশাপাশি ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধি হিসেবে এফবিসিসিআই, এফআইসিসিআই, ডিসিসিআই, এমসিসিআই, বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর সভাপতিদের কমিটিতে রাখা হয়েছে।
কমিটি লাইসেন্স অনুমোদন, ছাড়পত্র, কর, শুল্ক, ব্যাংকিং, পুঁজিবাজার, নির্মাণ, পরিবেশ এবং স্থানীয় সেবার প্রয়োজনীয় ধাপগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো সহজ করার নির্দেশনা প্রদান করবে। এছাড়া সরকারি সেবায় সিঙ্গেল উইন্ডো, সার্ভিস লেভেল এগ্রিমেন্ট (এসএলএ), স্বয়ংক্রিয় অনুমোদন ও অনলাইন ট্র্যাকিং ব্যবস্থা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও নীতিগত দিকনির্দেশনা দেবে এই টাস্কফোর্স। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার মধ্যে বিদ্যমান জটিলতা নিষ্পত্তি, আইন ও বিধি সংশোধন এবং ব্যবসায়ী ও সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ ও বিলম্বের বিষয়গুলো তদারকি করার দায়িত্বও তাদের ওপর অর্পণ করা হয়েছে।
এই কার্যক্রমের অগ্রগতি ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে পর্যালোচনা করা হবে। প্রয়োজনে টাস্কফোর্স অন্য সদস্যদের কো-অপ্ট করতে পারবে এবং এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। সরকারের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো ব্যবসা পরিচালনায় অপ্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ ও জটিলতা কমিয়ে সেবাপ্রদান প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও দ্রুত করা।





























