টার্নওভার কর নিয়ে ব্যবসায়ীদের উদ্বেগ ও অস্বস্তির কারণ

- আপডেট সময় : ০৯:৩৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আয়করের পরিবর্তে বার্ষিক মোট লেনদেন বা টার্নওভারের ওপর ন্যূনতম ১ শতাংশ কর আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যদিও কিছু ক্ষেত্রে এই হার কম-বেশি করা হয়েছে, তবে সব মিলিয়ে এই নতুন কর কাঠামো নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। ব্যবসায়ীদের মতে, এই নিয়ম তাদের ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড ও বিনিয়োগের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
ব্যবসায়ীদের উদ্বেগের প্রধান কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো মুনাফা না হলেও করের বোঝা। প্রচলিত আয়কর ব্যবস্থার বিপরীতে টার্নওভার কর সরাসরি মোট বিক্রির ওপর প্রযোজ্য হয়, ফলে প্রতিষ্ঠানের লাভ বা লোকসান কোনোটিই বিবেচিত হয় না। এতে লোকসানি বা কম লাভজনক প্রতিষ্ঠানগুলো বড় ধরনের করের মুখে পড়ে। এছাড়া, প্রকৃত লাভের ওপর কর হিসাব করলে যেখানে নামমাত্র কর আসার কথা, সেখানে টার্নওভার করের কারণে করের পরিমাণ কয়েক গুণ বেড়ে গিয়ে করদাতাদের ওপর আইনি ও আর্থিক চাপ তৈরি করছে।
ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (এসএমই) জন্য এই কর ব্যবস্থা নগদ প্রবাহ বা ক্যাশ ফ্লো সংকট তৈরি করছে। নিয়মিত মূলধন ও নগদ অর্থের প্রবাহ সীমিত থাকায় বিক্রির ওপর ভিত্তি করে কর পরিশোধ করা তাদের দৈনন্দিন ব্যবসায়িক কার্যক্রমকে ব্যাহত করছে। পাশাপাশি, স্বচ্ছভাবে ব্যবসা পরিচালনাকারী ভালো ব্যবসায়ীরাও এই কর ব্যবস্থার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, যা তাদের বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নিরুৎসাহিত করছে এবং সামগ্রিক বিনিয়োগ পরিবেশকে সংকুচিত করে তুলছে।
টার্নওভার করের এই বোঝার ফলে অর্থনীতির সামগ্রিক প্রবৃদ্ধি ও গতি কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বাড়তি কর দায়ের কারণে বিনিয়োগে অনীহা, ব্যবসা বন্ধ হওয়ার ঝুঁকি এবং উদ্যোক্তাদের মধ্যে মানসিক চাপ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে।
ফলে লোকসানি বা কম লাভজনক প্রতিষ্ঠানগুলো বড় অঙ্কের করের মুখে পড়ে।২.
এটি করদাতাদের ওপর অতিরিক্ত আইনি ও আর্থিক চাপ তৈরি করে।.৩.




























