ঢাকা ০৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কুড়িগ্রামে তথ্য অধিকার দিবসে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির ওপর জোর সংকটাপন্ন ঋণ প্রায় ১১ লাখ কোটি টাকা, নীতি শিথিলের সমালোচনা মধ্যপ্রাচ্য থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরে যাওয়ার কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন মোজতবা খামেনি কাতারের মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, মঙ্গলবার জবাবের আশা আরাগচির নলছিটিতে গাছ না লাগিয়েই ১৮ হাজার বৃক্ষরোপণের ভুয়া প্রতিবেদন সাইবার সুরক্ষা আইন নিপীড়নমূলক হবে না, আশ্বস্ত করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সিরাজগঞ্জের সীমান্ত বাজারে রিভলবার ও গুলিসহ যুবক গ্রেপ্তার ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বিক্রির অভিযোগে ইউপিএলের দোকানে তালা, ২ কর্মী মুক্ত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান নতুন আলোচনার পথে, মধ্যস্থতায় কাতার দেশে বাড়ছে ধর্ষণ মামলা, তদন্তে মিলছে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা

সুদ ছাড়াই মিলবে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ডিজিটাল ঋণ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৬:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



দৈনন্দিন ছোটখাটো জরুরি খরচ, যেমন বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি কিংবা মোবাইল ফোনের বিল পরিশোধের সুবিধার্থে একটি নতুন ডিজিটাল ঋণ ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় একজন গ্রাহক সর্বনিম্ন ৫০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ গ্রহণ করতে পারবেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের খসড়া নীতিমালা অনুযায়ী, এই ঋণের বিপরীতে কোনো ধরনের সুদ আরোপ করা হবে না। তবে ব্যাংকগুলো ঋণের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে একটি নির্দিষ্ট হারে সেবামূল্য বা সার্ভিস চার্জ গ্রহণ করতে পারবে। এই ঋণ গ্রহণের ৩০ দিনের মধ্যে সম্পূর্ণ অর্থ পরিশোধ করতে হবে।

প্রস্তাবিত নীতিমালা অনুযায়ী সেবামূল্যের হার নির্ধারণ করা হয়েছে এভাবে: ৫০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত ঋণে সর্বোচ্চ ৫ টাকা, ২৫১ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত ১০ টাকা, ৫০১ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত ১৫ টাকা এবং ১ হাজার থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত সর্বোচ্চ ২৫ টাকা সেবামূল্য নেওয়া যাবে। এছাড়া ২ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩৫ টাকা এবং ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণে সর্বোচ্চ ৫০ টাকা সেবামূল্য ধার্য করা হয়েছে। এর বাইরে কোনো বাড়তি চার্জ বা সুদ আরোপের সুযোগ থাকবে না।

এই ডিজিটাল ঋণ পাওয়ার প্রক্রিয়াটি হবে সম্পূর্ণ ঝামেলামুক্ত। গ্রাহককে ঋণের আবেদনের জন্য ব্যাংকের শাখায় সশরীরে উপস্থিত হয়ে কোনো কাগজপত্র জমা দিতে হবে না। মোবাইল ব্যাংকিং বা ডিজিটাল ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করেই পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। সনাতন পদ্ধতির কাগজের স্বাক্ষরের পরিবর্তে বায়োমেট্রিক পরিচয় যাচাই এবং ডিজিটাল সম্মতির মাধ্যমে ঋণ অনুমোদনের ব্যবস্থা থাকবে। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর ডিজিটাল পদ্ধতিতেই ঋণের আবেদন, অনুমোদন, অর্থ ছাড় এবং পরিশোধ সম্পন্ন হবে।

বর্তমানে এই সুবিধাটি চালু হয়নি। বাংলাদেশ ব্যাংক এই খসড়া নীতিমালার ওপর জনসাধারণ ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত গ্রহণ করছে। সব ধরনের মতামত ও পরামর্শ পর্যালোচনার পরেই চূড়ান্ত নীতিমালা জারি করা হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

নিউজটি শেয়ার করুন

সুদ ছাড়াই মিলবে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ডিজিটাল ঋণ

আপডেট সময় : ০৫:৪৬:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

দৈনন্দিন ছোটখাটো জরুরি খরচ, যেমন বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি কিংবা মোবাইল ফোনের বিল পরিশোধের সুবিধার্থে একটি নতুন ডিজিটাল ঋণ ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় একজন গ্রাহক সর্বনিম্ন ৫০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ গ্রহণ করতে পারবেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের খসড়া নীতিমালা অনুযায়ী, এই ঋণের বিপরীতে কোনো ধরনের সুদ আরোপ করা হবে না। তবে ব্যাংকগুলো ঋণের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে একটি নির্দিষ্ট হারে সেবামূল্য বা সার্ভিস চার্জ গ্রহণ করতে পারবে। এই ঋণ গ্রহণের ৩০ দিনের মধ্যে সম্পূর্ণ অর্থ পরিশোধ করতে হবে।

প্রস্তাবিত নীতিমালা অনুযায়ী সেবামূল্যের হার নির্ধারণ করা হয়েছে এভাবে: ৫০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত ঋণে সর্বোচ্চ ৫ টাকা, ২৫১ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত ১০ টাকা, ৫০১ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত ১৫ টাকা এবং ১ হাজার থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত সর্বোচ্চ ২৫ টাকা সেবামূল্য নেওয়া যাবে। এছাড়া ২ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩৫ টাকা এবং ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণে সর্বোচ্চ ৫০ টাকা সেবামূল্য ধার্য করা হয়েছে। এর বাইরে কোনো বাড়তি চার্জ বা সুদ আরোপের সুযোগ থাকবে না।

এই ডিজিটাল ঋণ পাওয়ার প্রক্রিয়াটি হবে সম্পূর্ণ ঝামেলামুক্ত। গ্রাহককে ঋণের আবেদনের জন্য ব্যাংকের শাখায় সশরীরে উপস্থিত হয়ে কোনো কাগজপত্র জমা দিতে হবে না। মোবাইল ব্যাংকিং বা ডিজিটাল ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করেই পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। সনাতন পদ্ধতির কাগজের স্বাক্ষরের পরিবর্তে বায়োমেট্রিক পরিচয় যাচাই এবং ডিজিটাল সম্মতির মাধ্যমে ঋণ অনুমোদনের ব্যবস্থা থাকবে। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর ডিজিটাল পদ্ধতিতেই ঋণের আবেদন, অনুমোদন, অর্থ ছাড় এবং পরিশোধ সম্পন্ন হবে।

বর্তমানে এই সুবিধাটি চালু হয়নি। বাংলাদেশ ব্যাংক এই খসড়া নীতিমালার ওপর জনসাধারণ ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত গ্রহণ করছে। সব ধরনের মতামত ও পরামর্শ পর্যালোচনার পরেই চূড়ান্ত নীতিমালা জারি করা হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din