ধাপে ধাপে দুর্বল ব্যাংক পুনর্গঠন করছে বাংলাদেশ ব্যাংক

- আপডেট সময় : ০৮:৪৩:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

দেশের দুর্বল ব্যাংকগুলোর সংকট কাটাতে একযোগে কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে ধাপে ধাপে পুনর্গঠন কার্যক্রম পরিচালনা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। দেশের আর্থিক খাতের সার্বিক বাস্তবতা বিবেচনা করে নিজস্ব কৌশলে এই কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই তথ্য জানান। আরিফ হোসেন খান বলেন, প্রথম ধাপে সবচেয়ে বেশি সংকটে থাকা পাঁচটি ব্যাংককে একীভূতকরণ বা মার্জার প্রক্রিয়ার আওতায় আনা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে যেসব ব্যাংক এখনও দুর্বল অবস্থায় রয়েছে, সেগুলোর বিষয়েও পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্বল ব্যাংকগুলোর আর্থিক অবস্থার উন্নয়নে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছে এবং এ বিষয়ে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হলে তা আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমকে জানানো হবে।
পদ্মা ব্যাংক ও আইসিবি ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের অর্থ ফেরত পাওয়া নিয়ে তৈরি হওয়া উদ্বেগের বিষয়ে মুখপাত্র কথা বলেন। তিনি জানান, একসঙ্গে অনেক ব্যাংক আর্থিক সংকটে পড়ার কারণে সব সমস্যার সমাধান একই সময়ে করা সম্ভব হয়নি। এই কারণে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ব্যাংকগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে পর্যায়ক্রমে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পরবর্তী ধাপে অপেক্ষাকৃত দুর্বল ব্যাংকগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে আমানতকারী, গ্রাহক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের সার্বিক স্বার্থ বিবেচনা করা হবে। একই সঙ্গে তিনি গ্রাহকদের ধৈর্য ধরে পরিস্থিতির উন্নয়নের জন্য অপেক্ষা করার আহ্বান জানান।
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের দাবির মুখে ‘হেয়ারকাট’ বাতিল এবং এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য প্রসঙ্গে আরিফ হোসেন খান জানান, রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও তা বাস্তবায়নের আগে প্রয়োজনীয় আইনি ও কারিগরি प्रक्रिया সম্পন্ন করতে হয়। রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের পরপরই সার্কুলার জারি করা সম্ভব হয় না উল্লেখ করে তিনি বলেন, সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের পদ্ধতি, আইনি কাঠামো ও সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রস্তুতের কাজ চলছে। সরকার যে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেবে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক তা বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে এবং কারিগরি প্রস্তুতি শেষ হলেই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানানো হবে।





























