ঢাকা ০৬:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণমাধ্যম ও গণতন্ত্রের শক্তি নিয়ে বিশিষ্টজনদের মতামত ও জরিপ ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের পরিকল্পিত নগরায়নে প্রতিমন্ত্রীর সহযোগিতার আশ্বাস পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে অগ্নিকাণ্ড: রহস্য ও ধোঁয়াশা গুলশানে গোপন বৈঠককালে আটক আওয়ামী লীগের ৬ নেতাকর্মীর রিমান্ড মঞ্জুর ঈদে মিলাদুন্নবী: যেভাবে মিলবে টানা চার দিনের ছুটি শর্ত না মানলে খুলবে না হরমুজ প্রণালি, জানাল আইআরজিসি ১৭ সেনা নিহতের পর হুথিদের বিরুদ্ধে ইয়েমেনি বাহিনীর পাল্টা অভিযান ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের ওপর হামলার জবাবে শিবিরকে প্রতিহত করেছি : নাছির রাজধানীর মহাখালীতে ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল তরুণের হবিগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধে কুপিয়ে যুবককে হত্যা

বিশ্ববাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামে বড় পতন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৩:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬ ১৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের জেরে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা আরও জোরালো হয়েছে। এই পরিস্থিতির প্রভাবে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম দুই শতাংশের বেশি হ্রাস পেয়েছে। গত বুধবারের (৭ জুলাই) সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে স্পট গোল্ডের দাম ২.১ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৪১ দশমিক ৫৯ ডলারে নেমে এসেছে। একই সঙ্গে আগস্ট সরবরাহের জন্য মার্কিন স্বর্ণের ফিউচার ২.৬ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৪৩ দশমিক ৫০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, অপরিশোধিত তেলের উচ্চমূল্য মুদ্রাস্ফীতির উদ্বেগকে উসকে দিয়েছে, যার ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর পক্ষে সহজে সুদের হার কমানো কঠিন হয়ে পড়বে। আমেরিকান গোল্ড এক্সচেঞ্জের বাজার বিশ্লেষক জিম উইকফ জানিয়েছেন, বন্ডের ইল্ড বৃদ্ধি স্বর্ণ ও রুপার মতো মূল্যবান ধাতুর জন্য নেতিবাচক, কারণ এসব ধাতু থেকে কোনো ইল্ড পাওয়া যায় না। এছাড়া ১০ বছর মেয়াদি মার্কিন ট্রেজারি নোটের ইল্ড এক বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং মার্কিন ডলারের মান ০.৩ শতাংশ বেড়েছে, যা বিদেশি ক্রেতাদের জন্য স্বর্ণ কেনাকে আরও ব্যয়বহুল করে তুলেছে।

ইয়েমেনের হুথিরা দুটি সৌদি তেল ট্যাঙ্কারে হামলার দাবি করার পর ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম মে মাসের শেষের পর প্রথমবারের মতো ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারে পৌঁছেছে। এই পরিস্থিতি হরমুজ প্রণালীর বাইরেও বৈশ্বিক তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করেছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, তেলের উচ্চ মূল্য দীর্ঘ সময় ধরে সুদের হার বেশি থাকার সম্ভাবনা বাড়িয়েছে, যা কোনো সুদ না দেওয়া সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের আকর্ষণ কমিয়ে দিয়েছে।

বর্তমানে বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের পরবর্তী সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের দিকে নিবদ্ধ রয়েছে। আগামী সপ্তাহে দুই দিনব্যাপী নীতি নির্ধারণী বৈঠক শেষে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চেয়ারম্যান কেভিন ওয়ার্শের বক্তব্য বাজারের পরবর্তী গতিপ্রকৃতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সিএমই ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, ব্যবসায়ীরা সেপ্টেম্বরে ফেডের সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা এখন প্রায় ৮০ শতাংশ হিসেবে বিবেচনা করছেন, যা বুধবার ছিল ৬৮ শতাংশ।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

বিশ্ববাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামে বড় পতন

আপডেট সময় : ০৬:৩৩:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
print news

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের জেরে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা আরও জোরালো হয়েছে। এই পরিস্থিতির প্রভাবে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম দুই শতাংশের বেশি হ্রাস পেয়েছে। গত বুধবারের (৭ জুলাই) সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে স্পট গোল্ডের দাম ২.১ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৪১ দশমিক ৫৯ ডলারে নেমে এসেছে। একই সঙ্গে আগস্ট সরবরাহের জন্য মার্কিন স্বর্ণের ফিউচার ২.৬ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৪৩ দশমিক ৫০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, অপরিশোধিত তেলের উচ্চমূল্য মুদ্রাস্ফীতির উদ্বেগকে উসকে দিয়েছে, যার ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর পক্ষে সহজে সুদের হার কমানো কঠিন হয়ে পড়বে। আমেরিকান গোল্ড এক্সচেঞ্জের বাজার বিশ্লেষক জিম উইকফ জানিয়েছেন, বন্ডের ইল্ড বৃদ্ধি স্বর্ণ ও রুপার মতো মূল্যবান ধাতুর জন্য নেতিবাচক, কারণ এসব ধাতু থেকে কোনো ইল্ড পাওয়া যায় না। এছাড়া ১০ বছর মেয়াদি মার্কিন ট্রেজারি নোটের ইল্ড এক বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং মার্কিন ডলারের মান ০.৩ শতাংশ বেড়েছে, যা বিদেশি ক্রেতাদের জন্য স্বর্ণ কেনাকে আরও ব্যয়বহুল করে তুলেছে।

ইয়েমেনের হুথিরা দুটি সৌদি তেল ট্যাঙ্কারে হামলার দাবি করার পর ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম মে মাসের শেষের পর প্রথমবারের মতো ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারে পৌঁছেছে। এই পরিস্থিতি হরমুজ প্রণালীর বাইরেও বৈশ্বিক তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করেছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, তেলের উচ্চ মূল্য দীর্ঘ সময় ধরে সুদের হার বেশি থাকার সম্ভাবনা বাড়িয়েছে, যা কোনো সুদ না দেওয়া সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের আকর্ষণ কমিয়ে দিয়েছে।

বর্তমানে বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের পরবর্তী সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের দিকে নিবদ্ধ রয়েছে। আগামী সপ্তাহে দুই দিনব্যাপী নীতি নির্ধারণী বৈঠক শেষে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চেয়ারম্যান কেভিন ওয়ার্শের বক্তব্য বাজারের পরবর্তী গতিপ্রকৃতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সিএমই ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, ব্যবসায়ীরা সেপ্টেম্বরে ফেডের সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা এখন প্রায় ৮০ শতাংশ হিসেবে বিবেচনা করছেন, যা বুধবার ছিল ৬৮ শতাংশ।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh