সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে আটক যুবকের মৃত্যু, তদন্তে শেরেবাংলা নগর থানা
- আপডেট সময় : ০২:১৭:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মোবাইল চুরির অভিযোগে আটক জনি হোসেন (৩০) নামের এক যুবকের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে তার মৃত্যু হয়।
হাসপাতাল ও আনসার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার ভোরে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পৃথক ঘটনায় মোট পাঁচজনকে আটক করা হয়েছিল। রাত ৩টার দিকে ৬৩২ নম্বর ওয়ার্ডের ছাদে এসির পাইপ কাটার অভিযোগে শাহাদত (৩৫), ভোর ৫টা ৫০ মিনিটে ৪২০ নম্বর ওয়ার্ড থেকে মোবাইল চুরির অভিযোগে জনি (৩০), জিহান (১২) ও নাদিম (১১) এবং সকাল ৬টার দিকে আইসিইউর সামনে এক রোগীর স্বজনকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে আনিসুর (৩২) নামে একজনকে আটক করা হয়।
সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে আনসার সদস্য এপিসি শফিকুল ইসলাম, এপিসি মো. আব্দুর রাজ্জাক, আনসার মো. হাবিব খান ও মো. হাসান আলী আটককৃত পাঁচজনকে হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার মো. রেজাউলের কাছে হস্তান্তর করেন। আনসার বাহিনীর দাবি, হস্তান্তরের সময় আটক ব্যক্তিরা সুস্থ ও স্বাভাবিক ছিলেন। পরবর্তীতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এসির পাইপ কাটার ও উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে আটক দুজনকে ছেড়ে দেয়। তবে খোয়া যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধার না হওয়ায় মোবাইল চুরির অভিযোগে আটক জনি, জিহান ও নাদিমকে ওয়ার্ড মাস্টার ও সুপারভাইজার সুমন হাসপাতালের একটি কক্ষে আটকে রাখেন বলে জানা গেছে।
শুক্রবার বিকাল ৩টার দিকে আটক জনি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে বিকাল ৫টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে। শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর সঠিক কারণ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ময়নাতদন্ত ও সার্বিক তদন্তের পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।





























