ঢাকা ১১:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শনিআখড়া লাইফ হাসপাতালে নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ জাহান্নামের আগুন ৩ হাজার বছর জলার পর শেষ পর্যায়ের কালো ও অন্ধকার কিশোরগঞ্জে শিক্ষার্থীদের নিয়ে মাদক, বাল্যবিবাহ ও সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশ সুপারের মতবিনিময় সভা রংপুরে ডিবি’র অভিযানে ২৫ পিস ইয়াবা, ৩০০ গ্রাম গাঁজা সহ মাদক বিক্রয়ের নগদ-৩৬৬৫০ টাকা উদ্ধার, ০১ জন মাদক কারবারি আটক দিনাজপুর ইয়াবা সহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ফায়েম হত্যার মূল আসামি হারুন গ্রেফতার সেনবাগে পুলিশের সাথে আরও ৭ জন গ্রেফতার নেত্রকোণা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ২ জনের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড নওগাঁ মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামি গ্রেফতার নতুন স্বপ্ন, নতুন উদ্যম, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত আধুনিক ও আদর্শ আমজাদ হাট ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয়ে রাজধানীতে গণপরিবহণ ব্যবস্থা নিয়ে নতুন পরিকল্পনা

শিশু অপহরণ মামলার যাবজ্জীবন আসামি ১৩ বছর পর গ্রেফতার

মাহিদ হাসান শেরপুর জেলা প্রতিনিধিঃ 
  • আপডেট সময় : ০৮:০৮:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ৩৫৫ বার পড়া হয়েছে

শিশু অপহরণ মামলার যাবজ্জীবন আসামি ১৩ বছর পর গ্রেফতার

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

মাহিদ হাসান শেরপুর জেলা প্রতিনিধিঃ 

শিশু অপহরণ মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি তাসলিমাকে দীর্ঘ ১৩ বছর পলাতক থাকার পর গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে র‌্যাব-১৪ (সিপিসি-১) জামালপুরের কোম্পানি অধিনায়ক মেজর মো. আবরার ফয়সাল সাদী গ্রেফতারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তাসলিমা শেরপুরের নকলা উপজেলার পাঁচ কাহনিয়া গ্রামের হোসেন আলীর স্ত্রী। মামলার পর হতেই তিনি পলাতক ছিলেন।

র‌্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত তাসলিমা খাতুন আত্মীয়তার সুযোগে বিগত ২০১১ সালের ৯ অক্টোবর নকলা উপজেলার শালখা গ্রামের এক বাড়িতে বেড়াতে যান। এর দু’দিন পর সেই বাড়ির চার বছর বয়সী মেয়ে শিশুকে অপহরণ করে ঢাকায় নিয়ে যান। সেখান থেকে তাসলিমা ভুক্তভোগীর বাবার কাছে ১ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন।

বিষয়টি নকলা থানা-পুলিশকে জানালে পুলিশ ঢাকা থেকে অপহৃত শিশুকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নকলা থানায় তাসলিমাকে একমাত্র আসামি করে মামলা করেন ভুক্তভোগীর বাবা। এরপর থেকেই পলাতক ছিলেন তাসলিমা।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত শেষে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে ২০২০ সালের ১৪ ডিসেম্বর শেরপুরের নারী ও শিশুনির্যাতন ট্রাইবুনালের বিচারক আসামি তাসলিমাকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৭ ধারায় ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৮ ধারায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

র‌্যাব-১৪ (সিপিসি-১) জামালপুরের কোম্পানি অধিনায়ক মেজর মো. আবরার ফয়সাল সাদী বলেন, বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে আসামির অবস্থান নিশ্চিত করে র‌্যাব-৭।

পরে যৌথ অভিযান চালিয়ে তাসলিমাকে গতকাল বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের হাটহাজারীর বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। তাসলিমাকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নকলা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান এ র‍্যাব কর্মকর্তা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

শিশু অপহরণ মামলার যাবজ্জীবন আসামি ১৩ বছর পর গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৮:০৮:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
print news

মাহিদ হাসান শেরপুর জেলা প্রতিনিধিঃ 

শিশু অপহরণ মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি তাসলিমাকে দীর্ঘ ১৩ বছর পলাতক থাকার পর গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে র‌্যাব-১৪ (সিপিসি-১) জামালপুরের কোম্পানি অধিনায়ক মেজর মো. আবরার ফয়সাল সাদী গ্রেফতারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তাসলিমা শেরপুরের নকলা উপজেলার পাঁচ কাহনিয়া গ্রামের হোসেন আলীর স্ত্রী। মামলার পর হতেই তিনি পলাতক ছিলেন।

র‌্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত তাসলিমা খাতুন আত্মীয়তার সুযোগে বিগত ২০১১ সালের ৯ অক্টোবর নকলা উপজেলার শালখা গ্রামের এক বাড়িতে বেড়াতে যান। এর দু’দিন পর সেই বাড়ির চার বছর বয়সী মেয়ে শিশুকে অপহরণ করে ঢাকায় নিয়ে যান। সেখান থেকে তাসলিমা ভুক্তভোগীর বাবার কাছে ১ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন।

বিষয়টি নকলা থানা-পুলিশকে জানালে পুলিশ ঢাকা থেকে অপহৃত শিশুকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নকলা থানায় তাসলিমাকে একমাত্র আসামি করে মামলা করেন ভুক্তভোগীর বাবা। এরপর থেকেই পলাতক ছিলেন তাসলিমা।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত শেষে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে ২০২০ সালের ১৪ ডিসেম্বর শেরপুরের নারী ও শিশুনির্যাতন ট্রাইবুনালের বিচারক আসামি তাসলিমাকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৭ ধারায় ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৮ ধারায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

র‌্যাব-১৪ (সিপিসি-১) জামালপুরের কোম্পানি অধিনায়ক মেজর মো. আবরার ফয়সাল সাদী বলেন, বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে আসামির অবস্থান নিশ্চিত করে র‌্যাব-৭।

পরে যৌথ অভিযান চালিয়ে তাসলিমাকে গতকাল বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের হাটহাজারীর বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। তাসলিমাকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নকলা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান এ র‍্যাব কর্মকর্তা।