ঢাকা ০৫:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মনপুরায় অধ্যক্ষের ওপর হামলা, ভোলায় বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৬:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ভোলার নাজিউর রহমান কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ মহিউদ্দিনের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ, মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ করেছেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। সোমবার সকালে নাজিউর রহমান কলেজ প্রাঙ্গণে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচি পালিত হয়। শিক্ষার্থীদের ব্যানারে আয়োজিত এই বিক্ষোভ কর্মসূচির কারণে সড়কে যান চলাচল সাময়িক ব্যাহত হয়।

এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে অংশ নেয় স্থানীয় কবি মোজাম্মেল হক মহিলা কলেজ, পরাণগঞ্জ হালিমা খাতুন মাধ্যমিক মহিলা কলেজ, পরাণগঞ্জ হাইস্কুল এবং পরাণগঞ্জ দাখিল মাদরাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। সমাবেশ থেকে বক্তারা আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের আলটিমেটাম দেন।

এর আগে গত রোববার রাতে ভোলার মনপুরা উপজেলা মডেল মসজিদে এশার নামাজ শেষে অধ্যক্ষ মোহাম্মদ মহিউদ্দিনের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অধ্যক্ষের অভিযোগ, অসুস্থ বাবাকে দেখতে পরিবারসহ তিনি মনপুরায় এসেছিলেন। মডেল মসজিদে নামাজ ও হাদিস তালিম শেষে উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ডা. কামাল উদ্দিনের নির্দেশে যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা পূর্ব শত্রুতার জেরে তার ওপর এই হামলা চালায়।

এ সময় কর্মসূচিতে কাচিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. ইউছুফ, পরাণগঞ্জ কবি মোজাম্মেল হক মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল কাশেমসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও ছাত্রনেতারা বক্তব্য প্রদান করেন।

তবে এই হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক শামসুদ্দিন মোল্লা ও সদস্য সচিব হাফেজ আবদুর রহিম। রোববার রাতে মনপুরা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা দাবি করেন, মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ থাকাকালীন মো. মহিউদ্দিন মিয়া বেআইনিভাবে সেলিম নামের এক তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করেছিলেন। সেই ক্ষোভ থেকেই সেলিম এই ঘটনা ঘটিয়েছেন। এর সঙ্গে যুবদল বা স্বেচ্ছাসেবক দলের কোনো নেতাকর্মী জড়িত নন।

অভিযুক্ত কর্মচারী সেলিম জানান, অবৈধভাবে চাকরিচ্যুতির বিষয়ে জানতে তিনি সাবেক অধ্যক্ষের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েছিলেন এবং তাদের মধ্যে কেবল কথা কাটাকাটি হয়েছে, মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি। উল্টো অধ্যক্ষ তাকে গালিগালাজ করে গায়ে হাত তুলেছেন বলে দাবি করেন সেলিম।

এ বিষয়ে মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজাহারুল ইসলাম জানান, হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

মনপুরায় অধ্যক্ষের ওপর হামলা, ভোলায় বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ

আপডেট সময় : ০৩:৪৬:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভোলার নাজিউর রহমান কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ মহিউদ্দিনের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ, মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ করেছেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। সোমবার সকালে নাজিউর রহমান কলেজ প্রাঙ্গণে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচি পালিত হয়। শিক্ষার্থীদের ব্যানারে আয়োজিত এই বিক্ষোভ কর্মসূচির কারণে সড়কে যান চলাচল সাময়িক ব্যাহত হয়।

এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে অংশ নেয় স্থানীয় কবি মোজাম্মেল হক মহিলা কলেজ, পরাণগঞ্জ হালিমা খাতুন মাধ্যমিক মহিলা কলেজ, পরাণগঞ্জ হাইস্কুল এবং পরাণগঞ্জ দাখিল মাদরাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। সমাবেশ থেকে বক্তারা আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের আলটিমেটাম দেন।

এর আগে গত রোববার রাতে ভোলার মনপুরা উপজেলা মডেল মসজিদে এশার নামাজ শেষে অধ্যক্ষ মোহাম্মদ মহিউদ্দিনের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অধ্যক্ষের অভিযোগ, অসুস্থ বাবাকে দেখতে পরিবারসহ তিনি মনপুরায় এসেছিলেন। মডেল মসজিদে নামাজ ও হাদিস তালিম শেষে উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ডা. কামাল উদ্দিনের নির্দেশে যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা পূর্ব শত্রুতার জেরে তার ওপর এই হামলা চালায়।

এ সময় কর্মসূচিতে কাচিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. ইউছুফ, পরাণগঞ্জ কবি মোজাম্মেল হক মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল কাশেমসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও ছাত্রনেতারা বক্তব্য প্রদান করেন।

তবে এই হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক শামসুদ্দিন মোল্লা ও সদস্য সচিব হাফেজ আবদুর রহিম। রোববার রাতে মনপুরা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা দাবি করেন, মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ থাকাকালীন মো. মহিউদ্দিন মিয়া বেআইনিভাবে সেলিম নামের এক তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করেছিলেন। সেই ক্ষোভ থেকেই সেলিম এই ঘটনা ঘটিয়েছেন। এর সঙ্গে যুবদল বা স্বেচ্ছাসেবক দলের কোনো নেতাকর্মী জড়িত নন।

অভিযুক্ত কর্মচারী সেলিম জানান, অবৈধভাবে চাকরিচ্যুতির বিষয়ে জানতে তিনি সাবেক অধ্যক্ষের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েছিলেন এবং তাদের মধ্যে কেবল কথা কাটাকাটি হয়েছে, মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি। উল্টো অধ্যক্ষ তাকে গালিগালাজ করে গায়ে হাত তুলেছেন বলে দাবি করেন সেলিম।

এ বিষয়ে মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজাহারুল ইসলাম জানান, হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh