ঢাকা ০৮:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আইএমএফের নতুন ঋণ পেতে যেসব শর্ত পূরণ করতে হবে বাংলাদেশকে চুল টেনে ৪ ম্যাচ নিষিদ্ধ ভিনিসিয়ুস, খেলা হবে না এল ক্লাসিকো শারদীয় দুর্গাপূজায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১০ দিনের ছুটি শুরু আজ ছোট পর্দায় বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল উপসাগরীয় অবকাঠামোয় ইরানের নির্ভুল হামলা: বিপর্যস্ত জ্বালানি ও বিশ্ব অর্থনীতি বাংলামটরে এনসিপির কার্যালয়ের সামনে ককটেল নিক্ষেপ উপনিবেশোত্তর পাকিস্তান আমলে বাঙালি ও বাংলা ভাষার প্রতি বৈষম্য গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স: ক্ষুধা কমানোর গতি কমে বাংলাদেশ ৮৪তম বন্দর লিজের আগে জনগণের মতামত নেওয়ার দাবি সাইফুল হকের পরিবেশ রক্ষায় কর্মকর্তাদের বাড়তি দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ফরিদপুরে ডেঙ্গুতে প্রথম প্রাণহানি, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:২৪:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফরিদপুরে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে নাসরিন সুলতানা (৩০) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ফরিদপুর জেলায় এটিই প্রথম মৃত্যুর ঘটনা। গত বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দিবাগত রাত ১টার দিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

মৃত নাসরিন সুলতানা ফরিদপুরের ভাঙ্গা পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চৌধুরীকান্দা এলাকার মিরাজ শেখের স্ত্রী। তিনি দুই পুত্রসন্তানের জননী ছিলেন। গত মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ডেঙ্গু আক্রান্ত অবস্থায় তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। রক্তের পরীক্ষায় তার ডেঙ্গু পজিটিভ শনাক্ত হয়।

নাসরিনের স্বামী মিরাজ শেখ চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ তুলে বলেন, গত রোববার তার স্ত্রী জ্বরে আক্রান্ত হলে তাকে ভাঙ্গা সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বেশ কয়েকটি পরীক্ষা করা হলেও ডেঙ্গু পরীক্ষা করার কোনো পরামর্শ দেওয়া হয়নি। পরবর্তীতে স্ত্রীর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটলে বাইরে থেকে চিকিৎসক দেখিয়ে ডেঙ্গু পরীক্ষা করানো হয়। পরীক্ষায় ডেঙ্গু শনাক্ত হওয়ার পর দ্রুত তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। মিরাজ শেখ আক্ষেপ করে বলেন, যদি শুরুতেই সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু পরীক্ষা করা হতো, তবে হয়তো সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা দিয়ে তার স্ত্রীকে বাঁচানো সম্ভব হতো।

এদিকে ফরিদপুর সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে আরও ১১ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। চলতি মৌসুমে এ পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে মোট ১৬৩ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালগুলোতে ২৫ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ফরিদপুরের সিভিল সার্জন মাহমুদুল হাসান জানান, জেলার হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় জ্বর বা ডেঙ্গুর কোনো উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত পরীক্ষা করানো এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে নিজ নিজ বাড়িঘর ও চারপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

ফরিদপুরে ডেঙ্গুতে প্রথম প্রাণহানি, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৫:২৪:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

ফরিদপুরে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে নাসরিন সুলতানা (৩০) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ফরিদপুর জেলায় এটিই প্রথম মৃত্যুর ঘটনা। গত বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দিবাগত রাত ১টার দিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

মৃত নাসরিন সুলতানা ফরিদপুরের ভাঙ্গা পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চৌধুরীকান্দা এলাকার মিরাজ শেখের স্ত্রী। তিনি দুই পুত্রসন্তানের জননী ছিলেন। গত মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ডেঙ্গু আক্রান্ত অবস্থায় তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। রক্তের পরীক্ষায় তার ডেঙ্গু পজিটিভ শনাক্ত হয়।

নাসরিনের স্বামী মিরাজ শেখ চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ তুলে বলেন, গত রোববার তার স্ত্রী জ্বরে আক্রান্ত হলে তাকে ভাঙ্গা সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বেশ কয়েকটি পরীক্ষা করা হলেও ডেঙ্গু পরীক্ষা করার কোনো পরামর্শ দেওয়া হয়নি। পরবর্তীতে স্ত্রীর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটলে বাইরে থেকে চিকিৎসক দেখিয়ে ডেঙ্গু পরীক্ষা করানো হয়। পরীক্ষায় ডেঙ্গু শনাক্ত হওয়ার পর দ্রুত তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। মিরাজ শেখ আক্ষেপ করে বলেন, যদি শুরুতেই সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু পরীক্ষা করা হতো, তবে হয়তো সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা দিয়ে তার স্ত্রীকে বাঁচানো সম্ভব হতো।

এদিকে ফরিদপুর সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে আরও ১১ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। চলতি মৌসুমে এ পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে মোট ১৬৩ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালগুলোতে ২৫ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ফরিদপুরের সিভিল সার্জন মাহমুদুল হাসান জানান, জেলার হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় জ্বর বা ডেঙ্গুর কোনো উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত পরীক্ষা করানো এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে নিজ নিজ বাড়িঘর ও চারপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh