ঢাকা ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ওয়ালটনে ফুল-স্ট্যাক ডেভেলপার নিয়োগ, আবেদনের সুযোগ ১৭ আগস্ট পর্যন্ত ট্রুথ সোশ্যালে আগাম পোস্ট দেখার সুবিধা, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি: জাজান হামলার পর নতুন সমীকরণ ও বাংলাদেশের স্বার্থ বাংলাদেশে বিনিয়োগের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে: হুমায়ুন কবির মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে মিসরকে নিতে রাজি নয় সৌদি আরব টিকাদান কর্মসূচিতে দেশসেরা ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন অসুস্থ মাওলানা ইলিয়াস আতহারীর সুস্থতা কামনায় দোয়া চেয়েছেন নেতারা প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর জাল করে প্রতারণা, ৬ জনের সাত দিনের রিমান্ড সিলেটে ট্রিপল মার্ডারের রহস্য উন্মোচন, গ্রেপ্তার রঙমিস্ত্রি তুরস্কের ইয়ালোভায় প্রশিক্ষণকালে বিধ্বস্ত এফ-১৬ যুদ্ধবিমান

সিলেটে ট্রিপল মার্ডারের রহস্য উন্মোচন, গ্রেপ্তার রঙমিস্ত্রি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪৩:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সিলেট নগরের রায়নগর এলাকায় স্বামী-স্ত্রী ও তাদের গৃহকর্মীকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ। ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কোনো প্রাথমিক সূত্র ছাড়াই পুলিশ এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটন করতে সক্ষম হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে বাবুল মিয়া (৪০) নামের এক রঙমিস্ত্রিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বুধবার (১১ আগস্ট) সকালে মিতালী আবাসিক এলাকার ১১১ নম্বর বাসার দোতলা থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন মো. আব্দুস সাত্তার (৮২), তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৭২) এবং গৃহকর্মী তাহমিনা (১৫)। পুলিশ জানায়, একটি কক্ষ থেকে সুরাইয়া ও তাহমিনার মরদেহ এবং অন্য একটি কক্ষ থেকে আব্দুস সাত্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

ঘটনার বিবরণ দিয়ে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম বুধবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের জানান, গ্রেপ্তারকৃত বাবুল মিয়া ওই বাড়িতে রঙের কাজ করতেন। সেই সুবাদে গৃহকর্মী তাহমিনার সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ঘটনার দিন সকাল নয়টার দিকে তিনি বাসায় প্রবেশ করেন। একপর্যায়ে তাহমিনার সঙ্গে কথা কাটাকাটির জেরে তিনি ছুরি দিয়ে তাকে আঘাত করেন। এরপর তাহমিনাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে সুরাইয়া বেগমকেও আঘাত করা হয়। সবশেষে আব্দুস সাত্তার এগিয়ে এলে তাকেও ছুরিকাঘাত করে বাবুল বারান্দা দিয়ে পালিয়ে যান।

পুলিশ জানায়, ওই বাসায় দুজন গৃহকর্মী থাকতেন, যার মধ্যে তাহমিনা নিহত হয়েছেন এবং অপর গৃহকর্মীর এখনো কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। স্থানীয় প্রতিবেশীরা জানান, সকালে বাসার দরজার নিচ দিয়ে রক্ত বের হতে দেখে তারা পুলিশকে খবর দেন। পরবর্তীতে পুলিশ দরজা খুলে তিনজনের রক্তমাখা মরদেহ উদ্ধার করে।

সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মোহাম্মদ মইনুল জাকির জানান, ধারালো অস্ত্র দিয়ে তিনজনকে একাধিকবার আঘাত করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

সিলেটে ট্রিপল মার্ডারের রহস্য উন্মোচন, গ্রেপ্তার রঙমিস্ত্রি

আপডেট সময় : ১১:৪৩:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

সিলেট নগরের রায়নগর এলাকায় স্বামী-স্ত্রী ও তাদের গৃহকর্মীকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ। ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কোনো প্রাথমিক সূত্র ছাড়াই পুলিশ এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটন করতে সক্ষম হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে বাবুল মিয়া (৪০) নামের এক রঙমিস্ত্রিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বুধবার (১১ আগস্ট) সকালে মিতালী আবাসিক এলাকার ১১১ নম্বর বাসার দোতলা থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন মো. আব্দুস সাত্তার (৮২), তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৭২) এবং গৃহকর্মী তাহমিনা (১৫)। পুলিশ জানায়, একটি কক্ষ থেকে সুরাইয়া ও তাহমিনার মরদেহ এবং অন্য একটি কক্ষ থেকে আব্দুস সাত্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

ঘটনার বিবরণ দিয়ে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম বুধবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের জানান, গ্রেপ্তারকৃত বাবুল মিয়া ওই বাড়িতে রঙের কাজ করতেন। সেই সুবাদে গৃহকর্মী তাহমিনার সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ঘটনার দিন সকাল নয়টার দিকে তিনি বাসায় প্রবেশ করেন। একপর্যায়ে তাহমিনার সঙ্গে কথা কাটাকাটির জেরে তিনি ছুরি দিয়ে তাকে আঘাত করেন। এরপর তাহমিনাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে সুরাইয়া বেগমকেও আঘাত করা হয়। সবশেষে আব্দুস সাত্তার এগিয়ে এলে তাকেও ছুরিকাঘাত করে বাবুল বারান্দা দিয়ে পালিয়ে যান।

পুলিশ জানায়, ওই বাসায় দুজন গৃহকর্মী থাকতেন, যার মধ্যে তাহমিনা নিহত হয়েছেন এবং অপর গৃহকর্মীর এখনো কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। স্থানীয় প্রতিবেশীরা জানান, সকালে বাসার দরজার নিচ দিয়ে রক্ত বের হতে দেখে তারা পুলিশকে খবর দেন। পরবর্তীতে পুলিশ দরজা খুলে তিনজনের রক্তমাখা মরদেহ উদ্ধার করে।

সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মোহাম্মদ মইনুল জাকির জানান, ধারালো অস্ত্র দিয়ে তিনজনকে একাধিকবার আঘাত করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin