ঢাকা ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সিলেট মহানগর বিএনপির তৃণমূল গোছাতে নতুন উদ্যোগ চাঁদাবাজি ঠেকাতে মোড়ে মোড়ে ‘ভিক্ষার বাক্স’ বসানোর ডাক হাসনাত ও পাটওয়ারীর পাবলো নেরুদা ও গার্সিয়া লোরকার বন্ধুত্ব এবং এক ট্র্যাজিক বিদায় আবুল মনসুর আহমদের চিন্তাধারা নিয়ে নতুন বইয়ের প্রকাশনা জরিমানা-নিষেধাজ্ঞার পরও ফিলিস্তিনি শিশুদের স্মরণে অটল এনএফএল খেলোয়াড় টাইব্রেকারে উত্তর কোরিয়াকে হারিয়ে অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপ জিতল স্পেন মরিয়মের মৃত্যু: রিমান্ড শেষে কারাগারে এমপি গাজী নজরুল ইসলাম নিউগিনি আবাসন প্রকল্পে হামলা ও লুটপাট: গ্রেপ্তার ৫ মেসির সঙ্গে আলিঙ্গনের সেই মুহূর্তে কী বলেছিলেন লামিন ইয়ামাল আইফোনের লোভে অপ্রতিমকে হত্যার পরিকল্পনা ছিল এক সপ্তাহ আগে

নিউগিনি আবাসন প্রকল্পে হামলা ও লুটপাট: গ্রেপ্তার ৫

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৩:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



রাজধানীর ইসিবি চত্বর এলাকার নিউগিনি আবাসন প্রকল্পে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও গোলাগুলির ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সর্বশেষ রোববার রাতে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এক আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করে। এর আগে এ ঘটনায় পুলিশ আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন প্রধান আসামি শাহরিয়া মাহমুদ, মো. মামুন, মো. আসলাম, মুন্না ও শাহ আলম অনিক। এদের মধ্যে অনিক মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত পাঁচজনই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। এর মধ্যে মামুন ও মুন্না ভাষানটেক বস্তির বাসিন্দা এবং আসলাম টাঙ্গাইলের বাসিন্দা ও পেশায় অটোরিকশাচালক।

ঘটনার সূত্রপাত ঘটে শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে। হামলাকারীরা তিন দিক থেকে আবাসন প্রকল্পের ভেতরে প্রবেশ করে এবং রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত তাণ্ডব চালায়। প্রথমে তারা প্রবেশমুখের একটি বাড়ির ফ্ল্যাটে ঢুকে লুটপাট করে এবং সেখান থেকে মোটরসাইকেলসহ গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র নিয়ে যায়। এ সময় তারা প্রকল্পের শ্রমিকদের মোবাইল ফোন ও টাকাও লুট করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে হামলাকারীদের সঙ্গে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে হামলাকারীরা একটি ফটক ভেঙে পালিয়ে যাওয়ার সময় দুজনকে আটক করা হয়।

এ ঘটনায় আবাসন প্রকল্পের পরিচালক সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া বাদী হয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় শাহরিয়া মাহমুদকে এক নম্বর আসামি করে মোট ১৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৫০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার অপর আসামিদের মধ্যে রয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরী, আবুল কাশেম, বাবুল হোসেন, মোহাম্মদ শাহিনুজ্জামান, মতিউর রহমান, মজিবুর রহমান, নুরুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, এমকে আজাদ, মামুন, আসলাম ও মুন্না।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, পূর্ব-শত্রুতার জেরে শাহরিয়া মাহমুদের নির্দেশে দেড় শতাধিক সশস্ত্র সন্ত্রাসী শটগান, রিভলবার, চাপাতি ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রকল্পে প্রবেশ করে। তারা প্রায় ৫০ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে এলাকায় আতঙ্ক তৈরি করে। হামলাকারীরা প্রকল্পের অফিসকক্ষ ভাঙচুর করে লকার থেকে ২৫ লাখ টাকা, ২৩ টন রড, বৈদ্যুতিক তার ও ওয়াটার পাম্পসহ মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। একই ভবনে অবস্থিত কন্টেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ‘ব্রাউন ফিশ’ স্টুডিওতেও ভাঙচুর চালানো হয়। সেখান থেকে দুটি ১০০ ইঞ্চি টিভি, সার্ভার সেটআপ, হাই-এন্ড এডিটিং কম্পিউটার, পেশাদার ক্যামেরা, লেন্স, ম্যাকবুক ও প্লে-স্টেশনসহ বিপুল পরিমাণ লাইটিং ও সাউন্ড সরঞ্জাম লুট করা হয়। এসব সরঞ্জামের মূল্য কয়েক কোটি টাকা বলে দাবি করেছেন বাদী।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

নিউগিনি আবাসন প্রকল্পে হামলা ও লুটপাট: গ্রেপ্তার ৫

আপডেট সময় : ০৩:৩৩:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীর ইসিবি চত্বর এলাকার নিউগিনি আবাসন প্রকল্পে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও গোলাগুলির ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সর্বশেষ রোববার রাতে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এক আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করে। এর আগে এ ঘটনায় পুলিশ আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন প্রধান আসামি শাহরিয়া মাহমুদ, মো. মামুন, মো. আসলাম, মুন্না ও শাহ আলম অনিক। এদের মধ্যে অনিক মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত পাঁচজনই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। এর মধ্যে মামুন ও মুন্না ভাষানটেক বস্তির বাসিন্দা এবং আসলাম টাঙ্গাইলের বাসিন্দা ও পেশায় অটোরিকশাচালক।

ঘটনার সূত্রপাত ঘটে শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে। হামলাকারীরা তিন দিক থেকে আবাসন প্রকল্পের ভেতরে প্রবেশ করে এবং রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত তাণ্ডব চালায়। প্রথমে তারা প্রবেশমুখের একটি বাড়ির ফ্ল্যাটে ঢুকে লুটপাট করে এবং সেখান থেকে মোটরসাইকেলসহ গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র নিয়ে যায়। এ সময় তারা প্রকল্পের শ্রমিকদের মোবাইল ফোন ও টাকাও লুট করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে হামলাকারীদের সঙ্গে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে হামলাকারীরা একটি ফটক ভেঙে পালিয়ে যাওয়ার সময় দুজনকে আটক করা হয়।

এ ঘটনায় আবাসন প্রকল্পের পরিচালক সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া বাদী হয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় শাহরিয়া মাহমুদকে এক নম্বর আসামি করে মোট ১৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৫০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার অপর আসামিদের মধ্যে রয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরী, আবুল কাশেম, বাবুল হোসেন, মোহাম্মদ শাহিনুজ্জামান, মতিউর রহমান, মজিবুর রহমান, নুরুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, এমকে আজাদ, মামুন, আসলাম ও মুন্না।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, পূর্ব-শত্রুতার জেরে শাহরিয়া মাহমুদের নির্দেশে দেড় শতাধিক সশস্ত্র সন্ত্রাসী শটগান, রিভলবার, চাপাতি ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রকল্পে প্রবেশ করে। তারা প্রায় ৫০ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে এলাকায় আতঙ্ক তৈরি করে। হামলাকারীরা প্রকল্পের অফিসকক্ষ ভাঙচুর করে লকার থেকে ২৫ লাখ টাকা, ২৩ টন রড, বৈদ্যুতিক তার ও ওয়াটার পাম্পসহ মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। একই ভবনে অবস্থিত কন্টেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ‘ব্রাউন ফিশ’ স্টুডিওতেও ভাঙচুর চালানো হয়। সেখান থেকে দুটি ১০০ ইঞ্চি টিভি, সার্ভার সেটআপ, হাই-এন্ড এডিটিং কম্পিউটার, পেশাদার ক্যামেরা, লেন্স, ম্যাকবুক ও প্লে-স্টেশনসহ বিপুল পরিমাণ লাইটিং ও সাউন্ড সরঞ্জাম লুট করা হয়। এসব সরঞ্জামের মূল্য কয়েক কোটি টাকা বলে দাবি করেছেন বাদী।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin