ঢাকা ০৮:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাতিয়ায় উত্তাল সাগরে ৩ ট্রলারডুবি, জীবিত উদ্ধার ৪৮ জেলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে শাস্তির পাশাপাশি কাউন্সেলিং জরুরি: খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের ৫ নেতাকে সাংগঠনিক কারণে বহিষ্কার হামলার আশঙ্কায় পুলিশের নিরাপত্তা চাইল ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি চীনের অর্থনীতির রূপকার ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঝু রংজির পরলোকগমন তথ্য নিয়ে কোনো বিভ্রান্তি ছড়াবে না সরকার: আমির খসরু রাতে বাড়ছে মেট্রোরেল চলাচলের সময়, এ মাসেই যুক্ত হচ্ছে নতুন ট্রেন বাবার প্রয়াণে আবেগঘন বার্তায় মেসি: ‘শান্তিতে ঘুমাও বাবা’ জেলা পর্যায়ে ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ’ চালুর ঘোষণা মাহদী আমিনের ট্রাইব্যুনালে ওবায়দুল কাদেরকে ‘রাজনৈতিক জোকার’ বললেন চিফ প্রসিকিউটর

সমবায় কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৯:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬ ১৩৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

নিজস্ব প্রতিবেদক: সমবায় অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, প্রশাসনিক অসদাচরণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। একাধিক সূত্র ও অভিযোগকারীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বিষয়গুলো নিয়ে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাইয়ের কার্যক্রম চলছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, তিনি দীর্ঘ চাকরি জীবনে ঢাকা মহানগর ও ঢাকা জেলার বিভিন্ন কর্মস্থলে দায়িত্ব পালনকালে প্রশাসনিক কার্যক্রম ও দাপ্তরিক সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। এসব বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন তারা।

অভিযোগকারীদের আরও দাবি, বিষয়গুলো যথাযথভাবে তদন্ত করা হলে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হবে। এ লক্ষ্যে তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ এবং প্রয়োজনে যথাযথ সংস্থার মাধ্যমে তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন।

তবে এই প্রতিবেদনে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন বা সিদ্ধান্ত এই প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর বিষয়ে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও যাচাইয়ের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

এ বিষয়ে মো. রেজাউল বারীর বক্তব্য জানার জন্য যোগাযোগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।

সম্পাদকীয় নোটঃ এই প্রতিবেদনে উল্লিখিত বিষয়গুলো প্রাপ্ত অভিযোগ ও প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। সম্পাদকীয় পর্যালোচনার অংশ হিসেবে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হয়েছে। উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তদন্ত বা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এই প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। নতুন তথ্য, নির্ভরযোগ্য নথি বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি প্রয়োজন অনুযায়ী হালনাগাদ করা হবে।

(এই প্রতিবেদনটি সম্পাদকীয় পর্যালোচনার পর ০১ জুলাই ২০২৬ তারিখে হালনাগাদ করা হয়েছে।)

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

সমবায় কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবি

আপডেট সময় : ০৬:৩৯:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
print news

নিজস্ব প্রতিবেদক: সমবায় অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, প্রশাসনিক অসদাচরণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। একাধিক সূত্র ও অভিযোগকারীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বিষয়গুলো নিয়ে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাইয়ের কার্যক্রম চলছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, তিনি দীর্ঘ চাকরি জীবনে ঢাকা মহানগর ও ঢাকা জেলার বিভিন্ন কর্মস্থলে দায়িত্ব পালনকালে প্রশাসনিক কার্যক্রম ও দাপ্তরিক সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। এসব বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন তারা।

অভিযোগকারীদের আরও দাবি, বিষয়গুলো যথাযথভাবে তদন্ত করা হলে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হবে। এ লক্ষ্যে তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ এবং প্রয়োজনে যথাযথ সংস্থার মাধ্যমে তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন।

তবে এই প্রতিবেদনে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন বা সিদ্ধান্ত এই প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর বিষয়ে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও যাচাইয়ের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

এ বিষয়ে মো. রেজাউল বারীর বক্তব্য জানার জন্য যোগাযোগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।

সম্পাদকীয় নোটঃ এই প্রতিবেদনে উল্লিখিত বিষয়গুলো প্রাপ্ত অভিযোগ ও প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। সম্পাদকীয় পর্যালোচনার অংশ হিসেবে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হয়েছে। উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তদন্ত বা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এই প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। নতুন তথ্য, নির্ভরযোগ্য নথি বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি প্রয়োজন অনুযায়ী হালনাগাদ করা হবে।

(এই প্রতিবেদনটি সম্পাদকীয় পর্যালোচনার পর ০১ জুলাই ২০২৬ তারিখে হালনাগাদ করা হয়েছে।)