ঢাকা ০২:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চীনে আঘাত হানলো শক্তিশালী টাইফুন বাভি, নিরাপদ আশ্রয়ে ২০ লাখ মানুষ টানা বৃষ্টিতে নাকাল রাজধানী: বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতায় জনদুর্ভোগ ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে সুপ্রিম কোর্টে অর্ধদিবস ছুটি শাহজালালের মাজারে ১৯ দিন পর মিলেছে অর্ধকোটি টাকা প্রকাশিত হলো ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল ২০২৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল: মুখোমুখি যারা, সময়সূচি জেনে নিন কিশোরগঞ্জে হাওর ও নদে নিখোঁজ দুই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা টানা বৃষ্টি ও বেড়িবাঁধ ভাঙনে কুতুবদিয়া-পেকুয়ায় ভয়াবহ মানবিক সংকট ভারী বর্ষণ ও জলাবদ্ধতায় স্থবির ঢাকা, ভোগান্তিতে নগরবাসী

খোকসায় অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগ ওসমানপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৬:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ জুন ২০২৪ ২৬১ বার পড়া হয়েছে

খোকসায় অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগ ওসমানপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

স্টাফ রিপোর্টার,
কুষ্টিয়ার খোকসায় অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠেছে ওসমানপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এনিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরসহ দুর্নীতি দমন কমিশন ও জেলা প্রশাসনে অভিযোগ করেছেন শিক্ষক কর্মচারীরা। প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্কুলের অনুপস্থিতির প্রমাণও পেয়েছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস।জানা যায়, ২০১৭ সালে ওসমানপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন মতিয়ার রহমান। এরপর থেকেই শুরু হয় বিদ্যালয়ের টাকা নিয়ে নয়ছয়। শিক্ষকদের অভিযোগ, টিউশন ফিস, শেষণ ফিস ও ভর্তি ফিস, নিবন্ধন, প্রশংসা পত্র এসাইনমেন্ট স্কুলের জমি ও পুকুর ইজারা এবং ব্যাংকে জমাকৃত টাকা আত্মসাৎ করেছেন প্রধান শিক্ষক মতিয়ার রহমান।

শিক্ষকবৃন্দ আরও বলেন, পুকুর লিজসহ বিদ্যালয়ের অনান্য বরাদ্দকৃত অর্থের সঠিক ব্যবহার প্রধান শিক্ষক করেন না। প্রধান শিক্ষক নিয়মিত স্কুলেও আসেন না বলে জানান তারা।

শিক্ষার্থীরা জানান, পরীক্ষার ফিসসহ নানা খাতে প্রধান শিক্ষক নিজ হাতে টাকা নিলেও তিনি রসিদ দেন না।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক লিটন হোসেন বলেন, আয় ব্যায়ের কোন হিসাব স্কুলে নেই। তিনি আরও বলেন, কোন শিক্ষক যদি কিছু বলেন তখন প্রধান শিক্ষক তার শোকজ করেন অথবা থানায় অভিযোগ করেন। মিথ্যা মামলা দেয়ার কথাও বলেন তিনি।

বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক আ: রহিম বলেন, শিক্ষার্থীদের ইউনিক আইডি এবং উপবৃত্তির জন্য যে অর্থ প্রধান শিক্ষক নিয়েছেন সেগুলো হিসেবের বাইরে।

প্রধান শিক্ষক মতিয়ার রহমান শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে রশিদ বিহীন টাকা নেয়ার কথা স্বীকার করলেও আত্মসাৎ এর অভিযোগ অস্বীকার করেন। আবার এনিয়ে সংবাদ প্রচার করতে নিষেধ করেন তিনি।

খোকসা উপজেলা সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুস্তাফিজুর রহমান প্রধান শিক্ষকের অনুপস্থিতির সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এখনো শোকজ করা হয়নি। তবে অবশ্যই অনুস্থিতির কারণে শোকজ করা হবে।

কুষ্টিয়া জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা(ভারপ্রাপ্ত) হুমায়ুন কবির বলেন, যাচাই করে অভিযোগের সত্যতা মিললে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত করে ব্যবস্থা নিয়ে স্কুলটিতে শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

খোকসায় অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগ ওসমানপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে

আপডেট সময় : ০৩:৪৬:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ জুন ২০২৪
print news

স্টাফ রিপোর্টার,
কুষ্টিয়ার খোকসায় অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠেছে ওসমানপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এনিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরসহ দুর্নীতি দমন কমিশন ও জেলা প্রশাসনে অভিযোগ করেছেন শিক্ষক কর্মচারীরা। প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্কুলের অনুপস্থিতির প্রমাণও পেয়েছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস।জানা যায়, ২০১৭ সালে ওসমানপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন মতিয়ার রহমান। এরপর থেকেই শুরু হয় বিদ্যালয়ের টাকা নিয়ে নয়ছয়। শিক্ষকদের অভিযোগ, টিউশন ফিস, শেষণ ফিস ও ভর্তি ফিস, নিবন্ধন, প্রশংসা পত্র এসাইনমেন্ট স্কুলের জমি ও পুকুর ইজারা এবং ব্যাংকে জমাকৃত টাকা আত্মসাৎ করেছেন প্রধান শিক্ষক মতিয়ার রহমান।

শিক্ষকবৃন্দ আরও বলেন, পুকুর লিজসহ বিদ্যালয়ের অনান্য বরাদ্দকৃত অর্থের সঠিক ব্যবহার প্রধান শিক্ষক করেন না। প্রধান শিক্ষক নিয়মিত স্কুলেও আসেন না বলে জানান তারা।

শিক্ষার্থীরা জানান, পরীক্ষার ফিসসহ নানা খাতে প্রধান শিক্ষক নিজ হাতে টাকা নিলেও তিনি রসিদ দেন না।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক লিটন হোসেন বলেন, আয় ব্যায়ের কোন হিসাব স্কুলে নেই। তিনি আরও বলেন, কোন শিক্ষক যদি কিছু বলেন তখন প্রধান শিক্ষক তার শোকজ করেন অথবা থানায় অভিযোগ করেন। মিথ্যা মামলা দেয়ার কথাও বলেন তিনি।

বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক আ: রহিম বলেন, শিক্ষার্থীদের ইউনিক আইডি এবং উপবৃত্তির জন্য যে অর্থ প্রধান শিক্ষক নিয়েছেন সেগুলো হিসেবের বাইরে।

প্রধান শিক্ষক মতিয়ার রহমান শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে রশিদ বিহীন টাকা নেয়ার কথা স্বীকার করলেও আত্মসাৎ এর অভিযোগ অস্বীকার করেন। আবার এনিয়ে সংবাদ প্রচার করতে নিষেধ করেন তিনি।

খোকসা উপজেলা সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুস্তাফিজুর রহমান প্রধান শিক্ষকের অনুপস্থিতির সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এখনো শোকজ করা হয়নি। তবে অবশ্যই অনুস্থিতির কারণে শোকজ করা হবে।

কুষ্টিয়া জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা(ভারপ্রাপ্ত) হুমায়ুন কবির বলেন, যাচাই করে অভিযোগের সত্যতা মিললে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত করে ব্যবস্থা নিয়ে স্কুলটিতে শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।