ঢাকা ০৬:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এএসআই (নিরস্ত্র) পদে নিয়োগ-২০২৬ এর লক্ষ্যে প্রার্থীদের শারীরিক মাপ ও কাগজপত্র যাচাইকরণ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণপাড়ায় গোয়াল ঘর থেকে গাঁজা উদ্বার গ্রেফতার-২ আমজাদ হাটে ডাকাতের হাতে গৃহবধূ হত্যা এলাকায় চাঞ্চল্য আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবস উপলক্ষ্যে বেগমগঞ্জে মাদক বিরোধী র‍্যালি অনুষ্ঠিত আরপিএমপি তাজহাট থানার অভিযানে চোরাই মালামাল সহ চোর গ্রেফতার পানি বেড়েছে তিস্তায়, খুলে দেওয়া হয়েছে জলকপাট কক্সবাজার বিপুল ইয়াবা সহ আটক স্বামী-স্ত্রী ফেনীতে ডাকাতির প্রস্তুতি কালে ডাকাত গ্রেফতার-৭ গাইবান্ধায় সাইফুল্লাহ বারী হত্যার প্রতিবাদে রংপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত মালেশিয়া প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে একান্ত বৈঠকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

খোকসায় অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগ ওসমানপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৬:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ জুন ২০২৪ ২৪৬ বার পড়া হয়েছে

খোকসায় অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগ ওসমানপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

স্টাফ রিপোর্টার,
কুষ্টিয়ার খোকসায় অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠেছে ওসমানপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এনিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরসহ দুর্নীতি দমন কমিশন ও জেলা প্রশাসনে অভিযোগ করেছেন শিক্ষক কর্মচারীরা। প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্কুলের অনুপস্থিতির প্রমাণও পেয়েছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস।জানা যায়, ২০১৭ সালে ওসমানপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন মতিয়ার রহমান। এরপর থেকেই শুরু হয় বিদ্যালয়ের টাকা নিয়ে নয়ছয়। শিক্ষকদের অভিযোগ, টিউশন ফিস, শেষণ ফিস ও ভর্তি ফিস, নিবন্ধন, প্রশংসা পত্র এসাইনমেন্ট স্কুলের জমি ও পুকুর ইজারা এবং ব্যাংকে জমাকৃত টাকা আত্মসাৎ করেছেন প্রধান শিক্ষক মতিয়ার রহমান।

শিক্ষকবৃন্দ আরও বলেন, পুকুর লিজসহ বিদ্যালয়ের অনান্য বরাদ্দকৃত অর্থের সঠিক ব্যবহার প্রধান শিক্ষক করেন না। প্রধান শিক্ষক নিয়মিত স্কুলেও আসেন না বলে জানান তারা।

শিক্ষার্থীরা জানান, পরীক্ষার ফিসসহ নানা খাতে প্রধান শিক্ষক নিজ হাতে টাকা নিলেও তিনি রসিদ দেন না।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক লিটন হোসেন বলেন, আয় ব্যায়ের কোন হিসাব স্কুলে নেই। তিনি আরও বলেন, কোন শিক্ষক যদি কিছু বলেন তখন প্রধান শিক্ষক তার শোকজ করেন অথবা থানায় অভিযোগ করেন। মিথ্যা মামলা দেয়ার কথাও বলেন তিনি।

বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক আ: রহিম বলেন, শিক্ষার্থীদের ইউনিক আইডি এবং উপবৃত্তির জন্য যে অর্থ প্রধান শিক্ষক নিয়েছেন সেগুলো হিসেবের বাইরে।

প্রধান শিক্ষক মতিয়ার রহমান শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে রশিদ বিহীন টাকা নেয়ার কথা স্বীকার করলেও আত্মসাৎ এর অভিযোগ অস্বীকার করেন। আবার এনিয়ে সংবাদ প্রচার করতে নিষেধ করেন তিনি।

খোকসা উপজেলা সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুস্তাফিজুর রহমান প্রধান শিক্ষকের অনুপস্থিতির সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এখনো শোকজ করা হয়নি। তবে অবশ্যই অনুস্থিতির কারণে শোকজ করা হবে।

কুষ্টিয়া জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা(ভারপ্রাপ্ত) হুমায়ুন কবির বলেন, যাচাই করে অভিযোগের সত্যতা মিললে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত করে ব্যবস্থা নিয়ে স্কুলটিতে শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

খোকসায় অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগ ওসমানপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে

আপডেট সময় : ০৩:৪৬:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ জুন ২০২৪
print news

স্টাফ রিপোর্টার,
কুষ্টিয়ার খোকসায় অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠেছে ওসমানপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এনিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরসহ দুর্নীতি দমন কমিশন ও জেলা প্রশাসনে অভিযোগ করেছেন শিক্ষক কর্মচারীরা। প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্কুলের অনুপস্থিতির প্রমাণও পেয়েছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস।জানা যায়, ২০১৭ সালে ওসমানপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন মতিয়ার রহমান। এরপর থেকেই শুরু হয় বিদ্যালয়ের টাকা নিয়ে নয়ছয়। শিক্ষকদের অভিযোগ, টিউশন ফিস, শেষণ ফিস ও ভর্তি ফিস, নিবন্ধন, প্রশংসা পত্র এসাইনমেন্ট স্কুলের জমি ও পুকুর ইজারা এবং ব্যাংকে জমাকৃত টাকা আত্মসাৎ করেছেন প্রধান শিক্ষক মতিয়ার রহমান।

শিক্ষকবৃন্দ আরও বলেন, পুকুর লিজসহ বিদ্যালয়ের অনান্য বরাদ্দকৃত অর্থের সঠিক ব্যবহার প্রধান শিক্ষক করেন না। প্রধান শিক্ষক নিয়মিত স্কুলেও আসেন না বলে জানান তারা।

শিক্ষার্থীরা জানান, পরীক্ষার ফিসসহ নানা খাতে প্রধান শিক্ষক নিজ হাতে টাকা নিলেও তিনি রসিদ দেন না।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক লিটন হোসেন বলেন, আয় ব্যায়ের কোন হিসাব স্কুলে নেই। তিনি আরও বলেন, কোন শিক্ষক যদি কিছু বলেন তখন প্রধান শিক্ষক তার শোকজ করেন অথবা থানায় অভিযোগ করেন। মিথ্যা মামলা দেয়ার কথাও বলেন তিনি।

বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক আ: রহিম বলেন, শিক্ষার্থীদের ইউনিক আইডি এবং উপবৃত্তির জন্য যে অর্থ প্রধান শিক্ষক নিয়েছেন সেগুলো হিসেবের বাইরে।

প্রধান শিক্ষক মতিয়ার রহমান শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে রশিদ বিহীন টাকা নেয়ার কথা স্বীকার করলেও আত্মসাৎ এর অভিযোগ অস্বীকার করেন। আবার এনিয়ে সংবাদ প্রচার করতে নিষেধ করেন তিনি।

খোকসা উপজেলা সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুস্তাফিজুর রহমান প্রধান শিক্ষকের অনুপস্থিতির সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এখনো শোকজ করা হয়নি। তবে অবশ্যই অনুস্থিতির কারণে শোকজ করা হবে।

কুষ্টিয়া জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা(ভারপ্রাপ্ত) হুমায়ুন কবির বলেন, যাচাই করে অভিযোগের সত্যতা মিললে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত করে ব্যবস্থা নিয়ে স্কুলটিতে শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।