ঢাকা ০৪:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শনিআখড়া লাইফ হাসপাতালে নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ জাহান্নামের আগুন ৩ হাজার বছর জলার পর শেষ পর্যায়ের কালো ও অন্ধকার কিশোরগঞ্জে শিক্ষার্থীদের নিয়ে মাদক, বাল্যবিবাহ ও সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশ সুপারের মতবিনিময় সভা রংপুরে ডিবি’র অভিযানে ২৫ পিস ইয়াবা, ৩০০ গ্রাম গাঁজা সহ মাদক বিক্রয়ের নগদ-৩৬৬৫০ টাকা উদ্ধার, ০১ জন মাদক কারবারি আটক দিনাজপুর ইয়াবা সহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ফায়েম হত্যার মূল আসামি হারুন গ্রেফতার সেনবাগে পুলিশের সাথে আরও ৭ জন গ্রেফতার নেত্রকোণা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ২ জনের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড নওগাঁ মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামি গ্রেফতার নতুন স্বপ্ন, নতুন উদ্যম, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত আধুনিক ও আদর্শ আমজাদ হাট ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয়ে রাজধানীতে গণপরিবহণ ব্যবস্থা নিয়ে নতুন পরিকল্পনা

রংপুরে ডিসিকে ‘স্যার বলতে বাধ্য করায়’ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের অবস্থান

হীমেল কুমার মিত্র স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ১২:২৭:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মার্চ ২০২৩ ২৯১ বার পড়া হয়েছে

রংপুরে ডিসিকে ‘স্যার বলতে বাধ্য করায়’ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের অবস্থান

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

রংপুরের জেলা প্রশাসক চিত্রলেখা নাজনীন ‘স্যার’ সম্মোধনে বাধ্য করেছেন-এমন অভিযোগ তুলে (২২ মার্চ) বুধবার রাতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের প্রবেশমুখে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ জন শিক্ষক।

নিজের শিশুকন্যাসহ ওমর ফারুক নামে ওই শিক্ষকের প্রতিবাদের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে গিয়ে একত্রিত হলে পরে উভয়পক্ষের আলোচনার প্রেক্ষিতে বিষয়টি সমঝোতা হয়।

ওমর ফারুক বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক। তিনি জানান, বুধবার সন্ধায় একটি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানাতে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে সাক্ষাত করে ফলপ্রসূ আলোচনার পর বিদায় জানাতে জেলা প্রশাসক ড. চিত্রলেখা নাজনীনকে তিনি ‘আপা’ সম্মোধন করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে জেলা প্রশাসক তার কাছে জানতে চান, এই চেয়ারে কোন পুরুষ বসে থাকলে তাকে স্যার বলে সম্মোধন করতেন কি না।

জেলা প্রশাসকের এমন প্রশ্নে অপমানিত বোধ করে সঙ্গে সঙ্গে তার কক্ষ থেকে বের হয়ে প্লাকার্ড লিখে ওমর ফারুক জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নিচতলার সিড়িতে অবস্থান নেন।

উপস্থিত শিক্ষার্থী ও সহকর্মীরা জানান, বিষয়টি মুহূর্তে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তারা সেখানে উপস্থিত হয়ে সংহতি প্রকাশ করেন। পরে জেলা প্রশাসক ড. চিত্রলেখা নাজনীন নিচে নেমে এসে তাদের সঙ্গে কথা বলে দুঃখ প্রকাশ করলে ক্ষোভ প্রশমিত হয় বলে জানান তারা।

জেলা প্রশাসক ড. চিত্রলেখা নাজনীন উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও শুধু এটুকু বলেন, একটা বিষয় নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল, সেটার সমাধান হয়ে গেছে।

তবে ঘটনার সময় উপস্থিত সাধারণ মানুষ ও কর্মকর্তাদের কেউ কেউ বলেছেন, বিষয়টি আসলে প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে দাম্ভিকতা থেকে নয়, বরং নারী ও পুরুষের মধ্যে সামাজিক বৈষম্যের দৃষ্টিকোণ থেকে জেলা প্রশাসক ড. চিত্রলেখা নাজনীন এই কথা বলে থাকতে পারেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

রংপুরে ডিসিকে ‘স্যার বলতে বাধ্য করায়’ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের অবস্থান

আপডেট সময় : ১২:২৭:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মার্চ ২০২৩
print news

রংপুরের জেলা প্রশাসক চিত্রলেখা নাজনীন ‘স্যার’ সম্মোধনে বাধ্য করেছেন-এমন অভিযোগ তুলে (২২ মার্চ) বুধবার রাতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের প্রবেশমুখে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ জন শিক্ষক।

নিজের শিশুকন্যাসহ ওমর ফারুক নামে ওই শিক্ষকের প্রতিবাদের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে গিয়ে একত্রিত হলে পরে উভয়পক্ষের আলোচনার প্রেক্ষিতে বিষয়টি সমঝোতা হয়।

ওমর ফারুক বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক। তিনি জানান, বুধবার সন্ধায় একটি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানাতে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে সাক্ষাত করে ফলপ্রসূ আলোচনার পর বিদায় জানাতে জেলা প্রশাসক ড. চিত্রলেখা নাজনীনকে তিনি ‘আপা’ সম্মোধন করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে জেলা প্রশাসক তার কাছে জানতে চান, এই চেয়ারে কোন পুরুষ বসে থাকলে তাকে স্যার বলে সম্মোধন করতেন কি না।

জেলা প্রশাসকের এমন প্রশ্নে অপমানিত বোধ করে সঙ্গে সঙ্গে তার কক্ষ থেকে বের হয়ে প্লাকার্ড লিখে ওমর ফারুক জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নিচতলার সিড়িতে অবস্থান নেন।

উপস্থিত শিক্ষার্থী ও সহকর্মীরা জানান, বিষয়টি মুহূর্তে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তারা সেখানে উপস্থিত হয়ে সংহতি প্রকাশ করেন। পরে জেলা প্রশাসক ড. চিত্রলেখা নাজনীন নিচে নেমে এসে তাদের সঙ্গে কথা বলে দুঃখ প্রকাশ করলে ক্ষোভ প্রশমিত হয় বলে জানান তারা।

জেলা প্রশাসক ড. চিত্রলেখা নাজনীন উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও শুধু এটুকু বলেন, একটা বিষয় নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল, সেটার সমাধান হয়ে গেছে।

তবে ঘটনার সময় উপস্থিত সাধারণ মানুষ ও কর্মকর্তাদের কেউ কেউ বলেছেন, বিষয়টি আসলে প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে দাম্ভিকতা থেকে নয়, বরং নারী ও পুরুষের মধ্যে সামাজিক বৈষম্যের দৃষ্টিকোণ থেকে জেলা প্রশাসক ড. চিত্রলেখা নাজনীন এই কথা বলে থাকতে পারেন।