ঢাকা ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
লালমনিরহাটে ভারত গজলডোবা ব্যারাজের ৪০টি গেট খুলে দেওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি কুমিল্লায় স্কুল ছাত্র গুলিবিদ্ধের ঘটনায় বিদেশি পিস্তল ও গুলি সহ গ্রেফতার-৪ ফতুল্লা উত্তর দেলপাড়ায় স্ত্রী ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্বামীকে নির্মম হত্যা ঘাতক স্ত্রী গ্রেফতার অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের কর্মকাণ্ড তদন্তের দাবি সংসদে, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চট্টগ্রামে ব্যাংকের ১৭ লক্ষ টাকা চুরির রহস্য উদ্ঘাটন নিরাপত্তা প্রহরী রংপুর থেকে গ্রেফতার কক্সবাজার ইয়াবা সহ আটক ১ ভোলায় ফুটপাতের পাগলী মা হলেও বাবা হলোনা কেউ নবীনগরে গাঁজা সহ আটক-১ দুধকুমার নদের পানি বিপৎসীমার ২৩ সেন্টিমিটার ওপরে

ঢাকার উত্তরায় চাঁদাবাজি ও হামলার অভিযোগ পরিবারকে হত্যার হুমকি

ফখরুল আলম সাজু
  • আপডেট সময় : ০২:১৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬ ১২২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

ফখরুল আলম সাজু

২০ মার্চ ২০২৬ ঢাকার উত্তরায় চাঁদাবাজি, লুটপাট ও হত্যার হুমকির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় একাধিক সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, দীর্ঘদিন ধরে তারা চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, উত্তরার ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম এর পরিবারের ওপর আওয়ামী সন্ত্রাসী সানি, আকাশ এবং যুবদল নেতা মামুন ও কামাল মিলে চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটায়। ভুক্তভোগীদের দাবি, সিরাজুল ইসলামের বড় ছেলে কাউছারুল ইসলামের সঙ্গে পূর্ব শত্রুতার জেরে এই হামলা ও চাঁদাবাজি চালানো হচ্ছে।

সিরাজুল ইসলাম জানান, তার ছেলে কাউছারুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে এসব সন্ত্রাসীদের নির্যাতনের শিকার হয়ে জীবন বাঁচাতে দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য হন। এরপরও আওয়ামী সন্ত্রাসীরা রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে পুলিশের সহযোগিতায় তাদের ওপর নির্যাতন ও চাঁদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, গত ১৭ মার্চ মঙ্গলবার সকালে তার পুত্রবধূ আয়েশা সিদ্দিকী ঈদ উদযাপন উপলক্ষে তার বাসায় আসেন। এ সময় সন্ত্রাসী সানি, আকাশ ও মামুন কয়েকজন সহযোগী নিয়ে বাসায় এসে তার ছেলের খোঁজ করে এবং ৩ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা ঘরে হামলা চালায় অভিযোগ রয়েছে, সন্ত্রাসীরা ঘরের মালামাল ভাঙচুর করে এবং আলমারি ভেঙে নগদ ৬০ হাজার টাকা ও প্রায় ১ ভরি স্বর্ণ লুট করে নিয়ে যায়, যাওয়ার সময় মামুন বলেন কাওকে বাঁচতে দিবো না।

এলাকাবাসীরা জানান, মামুনের ভয়ে কেউ এগিয়ে আসতে সাহস পায়নি। তাদের অভিযোগ, মামুনের বিরুদ্ধে যারা অবস্থান নিয়েছে তারা কেউই নিরাপদে থাকতে পারেনি। এলাকায় আতঙ্কের আরেক নাম হয়ে উঠেছে মামুন।

ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, থানায় অভিযোগ করতে গেলে পুলিশ মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানায়। এক পুলিশ সদস্য জানান, সংসদ সদস্যের অনুমতি ছাড়া এ ধরনের অভিযোগ গ্রহণ করা হবে না।এ ঘটনায় এলাকায় চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

ঢাকার উত্তরায় চাঁদাবাজি ও হামলার অভিযোগ পরিবারকে হত্যার হুমকি

আপডেট সময় : ০২:১৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬
print news

ফখরুল আলম সাজু

২০ মার্চ ২০২৬ ঢাকার উত্তরায় চাঁদাবাজি, লুটপাট ও হত্যার হুমকির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় একাধিক সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, দীর্ঘদিন ধরে তারা চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, উত্তরার ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম এর পরিবারের ওপর আওয়ামী সন্ত্রাসী সানি, আকাশ এবং যুবদল নেতা মামুন ও কামাল মিলে চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটায়। ভুক্তভোগীদের দাবি, সিরাজুল ইসলামের বড় ছেলে কাউছারুল ইসলামের সঙ্গে পূর্ব শত্রুতার জেরে এই হামলা ও চাঁদাবাজি চালানো হচ্ছে।

সিরাজুল ইসলাম জানান, তার ছেলে কাউছারুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে এসব সন্ত্রাসীদের নির্যাতনের শিকার হয়ে জীবন বাঁচাতে দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য হন। এরপরও আওয়ামী সন্ত্রাসীরা রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে পুলিশের সহযোগিতায় তাদের ওপর নির্যাতন ও চাঁদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, গত ১৭ মার্চ মঙ্গলবার সকালে তার পুত্রবধূ আয়েশা সিদ্দিকী ঈদ উদযাপন উপলক্ষে তার বাসায় আসেন। এ সময় সন্ত্রাসী সানি, আকাশ ও মামুন কয়েকজন সহযোগী নিয়ে বাসায় এসে তার ছেলের খোঁজ করে এবং ৩ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা ঘরে হামলা চালায় অভিযোগ রয়েছে, সন্ত্রাসীরা ঘরের মালামাল ভাঙচুর করে এবং আলমারি ভেঙে নগদ ৬০ হাজার টাকা ও প্রায় ১ ভরি স্বর্ণ লুট করে নিয়ে যায়, যাওয়ার সময় মামুন বলেন কাওকে বাঁচতে দিবো না।

এলাকাবাসীরা জানান, মামুনের ভয়ে কেউ এগিয়ে আসতে সাহস পায়নি। তাদের অভিযোগ, মামুনের বিরুদ্ধে যারা অবস্থান নিয়েছে তারা কেউই নিরাপদে থাকতে পারেনি। এলাকায় আতঙ্কের আরেক নাম হয়ে উঠেছে মামুন।

ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, থানায় অভিযোগ করতে গেলে পুলিশ মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানায়। এক পুলিশ সদস্য জানান, সংসদ সদস্যের অনুমতি ছাড়া এ ধরনের অভিযোগ গ্রহণ করা হবে না।এ ঘটনায় এলাকায় চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।