সময় সংবাদের বার্তাপ্রধানের তথ্য নিলেও রিপোর্ট দিতে গড়িমসি
- আপডেট সময় : ০৬:৪৪:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ২৬৮ বার পড়া হয়েছে

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় সময় সংবাদের বার্তাপ্রধান মুজতবা দানিশের ঠিকানা যাচাইয়ের নামে ৫ থানা পুলিশ তথ্য নিলেও রিপোর্ট দিতে গড়িমসি রংপুর সিআইডির। সময় চেয়ে আদালতে আবেদন করলে বিচারকের প্রশ্নের মুখে পড়েন তদন্ত কর্মকর্তা। পরে ১ মাস সময় দেন বিচারক।
(৯ ফেব্রুয়ারি) এ বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য থাকলেও জমা দেননি তদন্ত কর্মকর্তা।
দফতর প্রধানের অনুমতি ছাড়া পরীক্ষার ফল প্রকাশ ও ফেল করা ছাত্রকে প্রমোটেড দেখানোর ঘটনায় রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শামসুল হকের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠনের সংবাদ প্রকাশ হয় সময় সংবাদে। এর পরিপ্রেক্ষিতে শামসুল হক সময় সংবাদের বার্তাপ্রধান মুজতবা দানিশ ও রংপুর ব্যুরোপ্রধান রতন সরকারের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আদালতে মামলার আবেদন করেন।
বিষয়টি তদন্তের দায়িত্ব পান রংপুরের সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার কার্যালয়ের পরিদর্শক সামিউল হক।
৬০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেয়ার বিধান থাকলেও তিনি প্রতিবেদন জমা দেননি।
উল্টো সময় সংবাদের বার্তাপ্রধান মুজতবা দানিশকে খুঁজতে পরপর ৫টি থানায় চিঠি দেন তদন্তকারী সিআইডি কর্মকর্তা সামিউল হক। এই হয়রানির বিষয়ে ১ ফেব্রুয়ারি সময় সংবাদে একটি প্রতিবেদন প্রচার হয়। রতন সরকার।
রংপুর সাইবার ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর রুহুল আমিন তালুকদার জানান, বৃহস্পতিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এ বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য থাকলেও জমা দেননি তদন্ত কর্মকর্তা। উল্টো মৌখিকভাবে সময় আবেদন করেন সিআইডি কর্মকর্তা। তদন্ত কর্মকর্তার সময় আবেদন আদালত মঞ্জুর করেছেন।
এদিন শামসুল হক আদালতে উপস্থিত হয়ে সময় সংবাদে ১ ফেব্রুয়ারি প্রচারিত সংবাদ আদালতের নজরে আনেন। তবে তার আবেদনে সাড়া দেননি আদালত।
উল্লেখ্য, সময় সংবাদে তদন্ত কমিটি গঠনের সংবাদকে মিথ্যা ও মানহানিকর উল্লেখ করে গত বছর ২১ সেপ্টেম্বর রংপুরের সাইবার ট্রাইব্যুনালে একটি নালিশি পিটিশন করেন শামসুল হক। যদিও অনুসন্ধান কমিটির রিপোর্টে শামসুল হকের গাফিলতির প্রমাণ মেলে।




























