ঢাকা ০৭:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বুধবার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহমের ছুটি গুলশান বিভাগের নতুন ডিসি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন রুহুল কবীর খান মাদক সেবন ও কারবারে জড়িত মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কনস্টেবল কারাগারে চাঁদা দাবির অভিযোগে বহিষ্কৃত কৃষক দল নেতা ফয়সাল যবিপ্রবিতে আন্তঃবিভাগ ব্যাডমিন্টন ও টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অতিরিক্ত বাস ভাড়া নিলে রুট পারমিট বাতিল হবে: পরিবহনমন্ত্রী জাতিসংঘ মহাসচিবের প্রাতরাশে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্রেশার্স ডে-নাইট ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় নতুন করে ভাবার আহ্বান গুতেরেসের অর্থনীতি ও বাণিজ্যে সহযোগিতা বাড়াতে তারেক রহমান ও এরদোয়ানের বৈঠক

রাজশাহীতে পর্যাপ্ত সার মজুত, কৃষকদের আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:৩২:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



আসন্ন আমন ও বোরো মৌসুমকে সামনে রেখে রাজশাহীতে সারের কোনো সংকট নেই বলে আশ্বস্ত করেছেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ইউসুফ আলী। জেলায় বর্তমানে যে পরিমাণ সার মজুত রয়েছে, তা মাসিক চাহিদার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি। তাই সার নিয়ে বাইরে ছড়ানো বিভ্রান্তিকর তথ্যে কান না দিতে এবং আতঙ্কিত না হতে কৃষকদের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে রাজশাহী মহানগরীর নওদাপাড়া এলাকায় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) সার গুদাম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান বিভাগীয় কমিশনার। আসন্ন চাষাবাদ মৌসুমের প্রস্তুতি হিসেবে সারের বাস্তব মজুত পরিস্থিতি দেখতে এই পরিদর্শনের আয়োজন করা হয়। এ সময় রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোস্তফা কামাল হোসেনও উপস্থিত ছিলেন।

গুদামে সারের মজুত পরিস্থিতি তুলে ধরে বিভাগীয় কমিশনার জানান, বিসিআইসির বাফার গুদামে বর্তমানে ৯ হাজার ৮০৪ টন ইউরিয়া, ৪৩০ টন টিএসপি এবং ৮৫ দশমিক ৫ টন ডিএপি সার জমা রয়েছে। পাশাপাশি বিএডিসির গুদামে রয়েছে ৬ হাজার ৩১২ টন টিএসপি, ৮০১ টন এমওপি এবং ৪ হাজার ৩৪৮ টন ডিএপি সার।

চলতি মাসের বরাদ্দের তুলনায় মজুত অনেক বেশি উল্লেখ করে তিনি বলেন, জেলায় চলতি মাসে টিএসপি সারের বরাদ্দ ১ হাজার ৪৫ মেট্রিক টন হলেও গুদামে মজুত রয়েছে প্রায় ৬ হাজার ৩০০ মেট্রিক টন। একইভাবে ইউরিয়া সারের মাসিক বরাদ্দ ৫ হাজার ৭০০ মেট্রিক টনের বিপরীতে একটি গুদামেই প্রায় ১০ হাজার টন সার মজুত রয়েছে।

ইউসুফ আলী বলেন, "সারের কোনো ক্রাইসিস নেই। গুদামে পর্যাপ্ত সার আছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ অনুযায়ী নিয়মিতভাবে ডিলারদের কাছে সার সরবরাহ করা হচ্ছে এবং তাঁরা দোকানে বিক্রি করছেন।" তিনি আরও যোগ করেন, সারের মজুত সবার সামনেই স্পষ্ট এবং এখানে লুকানোর কিছু নেই। বাইরে ছড়ানো অপপ্রচার বা বিভ্রান্তিকর তথ্যের কারণেই মূলত কৃত্রিম আতঙ্কের সৃষ্টি হচ্ছে। ফসল উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় সব সারই সরকারের কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

রাজশাহীতে পর্যাপ্ত সার মজুত, কৃষকদের আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ

আপডেট সময় : ০৩:৩২:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আসন্ন আমন ও বোরো মৌসুমকে সামনে রেখে রাজশাহীতে সারের কোনো সংকট নেই বলে আশ্বস্ত করেছেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ইউসুফ আলী। জেলায় বর্তমানে যে পরিমাণ সার মজুত রয়েছে, তা মাসিক চাহিদার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি। তাই সার নিয়ে বাইরে ছড়ানো বিভ্রান্তিকর তথ্যে কান না দিতে এবং আতঙ্কিত না হতে কৃষকদের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে রাজশাহী মহানগরীর নওদাপাড়া এলাকায় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) সার গুদাম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান বিভাগীয় কমিশনার। আসন্ন চাষাবাদ মৌসুমের প্রস্তুতি হিসেবে সারের বাস্তব মজুত পরিস্থিতি দেখতে এই পরিদর্শনের আয়োজন করা হয়। এ সময় রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোস্তফা কামাল হোসেনও উপস্থিত ছিলেন।

গুদামে সারের মজুত পরিস্থিতি তুলে ধরে বিভাগীয় কমিশনার জানান, বিসিআইসির বাফার গুদামে বর্তমানে ৯ হাজার ৮০৪ টন ইউরিয়া, ৪৩০ টন টিএসপি এবং ৮৫ দশমিক ৫ টন ডিএপি সার জমা রয়েছে। পাশাপাশি বিএডিসির গুদামে রয়েছে ৬ হাজার ৩১২ টন টিএসপি, ৮০১ টন এমওপি এবং ৪ হাজার ৩৪৮ টন ডিএপি সার।

চলতি মাসের বরাদ্দের তুলনায় মজুত অনেক বেশি উল্লেখ করে তিনি বলেন, জেলায় চলতি মাসে টিএসপি সারের বরাদ্দ ১ হাজার ৪৫ মেট্রিক টন হলেও গুদামে মজুত রয়েছে প্রায় ৬ হাজার ৩০০ মেট্রিক টন। একইভাবে ইউরিয়া সারের মাসিক বরাদ্দ ৫ হাজার ৭০০ মেট্রিক টনের বিপরীতে একটি গুদামেই প্রায় ১০ হাজার টন সার মজুত রয়েছে।

ইউসুফ আলী বলেন, "সারের কোনো ক্রাইসিস নেই। গুদামে পর্যাপ্ত সার আছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ অনুযায়ী নিয়মিতভাবে ডিলারদের কাছে সার সরবরাহ করা হচ্ছে এবং তাঁরা দোকানে বিক্রি করছেন।" তিনি আরও যোগ করেন, সারের মজুত সবার সামনেই স্পষ্ট এবং এখানে লুকানোর কিছু নেই। বাইরে ছড়ানো অপপ্রচার বা বিভ্রান্তিকর তথ্যের কারণেই মূলত কৃত্রিম আতঙ্কের সৃষ্টি হচ্ছে। ফসল উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় সব সারই সরকারের কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh