ঢাকা ০১:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় ফেসবুক লাইভ করে যুবককে পিটিয়ে হত্যা গাজীপুরে রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে মাদক কারবারিদের হামলা, আহত ২ নোবিপ্রবির পুরো ক্যাম্পাস সৌরবিদ্যুৎ চালুর পরিকল্পনা প্রতি তিন মাস পর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির তথ্য নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মোহাম্মদপুরে দুই গ্রুপের গোলাগুলি, গুলিবিদ্ধ একজন কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ ও বিজ্ঞানীদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির নিউইয়র্কের টাইমস স্কোয়ারে প্রবাসী বাঙালির জমজমাট দুর্গোৎসব ইয়েমেনের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে হুথিদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হাইতিতে জাতিসংঘ মিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৫০ সদস্যের অগ্রবর্তী দল বাংলাদেশের কৃষিকে লাভজনক খাতে রূপান্তরের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

চলতি মৌসুমে ধানের উৎপাদন বাড়লেও দাম নিয়ে চিন্তিত কৃষক

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর:
  • আপডেট সময় : ০২:১৪:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫ ২৩৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর:

রংপুরে গত ১০ বছরে আমন ধানের আবাদ বেড়েছে ৩৭ হাজার হেক্টরের বেশি জমিতে। উৎপাদন বেড়েছে ৬ লাখ মেট্রিক টনের বেশি। চলতি মৌসুমে উৎপাদন বাড়লেও দাম নিয়ে চিন্তিত কৃষক।

রংপুর সিটি করপোরেশন এলাকার কৃষক নিরোঞ্জন দাস, আব্দুল কাসেম, মনিরুল আলম, তাজুল রহমানসহ কয়েকজন জানান, গত বছর তারা মৌসুমের শুরুতে প্রতি মণ আমন ধান বিক্রি করেন ১ হাজার ২৫০ টাকা দরে। মৌসুম শেষে বিক্রি করেন ১ হাজার ৪০০ টাকা দরে।

এবার শুরুতেই গত বছরের তুলনায় দাম কমেছে মণপ্রতি ১৫০ টাকার বেশি। তাদের আশঙ্কা, পুরোদমে ধান কাটা-মাড়াই চললে ধানের দাম আরও কমে যেতে পারে। প্রতি মণ হাজার টাকার নিচে নেমে গেলে লোকসান গুনতে হবে কৃষকদের।

রংপুর নগরীর মাহিগঞ্জ এলাকার ধান-চাল ব্যবসায়ীরা জানান, গত বছরের চেয়ে এবার প্রতি মণ ধান ১৫০-২০০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে। তবে কয়েক দিনের মধ্যে দাম বাড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন এই ব্যবসায়ী।

রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ বছর আমন ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৬ লাখ ২০ হাজার ৪৩০ হেক্টর জমিতে। লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ৬ লাখ সাড়ে ২১ হাজার হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে। উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে ২০ লাখ ১০ হাজার টনের বেশি।

সম্প্রতি রংপুর অঞ্চলে শুরু হয়েছে আমন ধান কাটা-মাড়াই। ধানের ভালো ফলনে কৃষকের গোলাও ভরে উঠছে। তবে এবার বাজারে ধানের দাম কিছুটা কম। গত বছর মৌসুমের শুরুতে প্রতি মণ (৪০ কেজি) ধান বিক্রি হয়েছিল ১ হাজার ২৫০ টাকায়। এবার বিক্রি হচ্ছে ১৫০-২০০ টাকা কমে। পুরোদমে ধান কাটা-মাড়াই শুরু হলে দাম আরও কমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষক।

রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক সিরাজুল ইসলাম জানান, ধানের দাম আশা করি বাড়বে। কৃষক তার ন‍্যায‍্যমূল‍্য পাবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

চলতি মৌসুমে ধানের উৎপাদন বাড়লেও দাম নিয়ে চিন্তিত কৃষক

আপডেট সময় : ০২:১৪:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর:

রংপুরে গত ১০ বছরে আমন ধানের আবাদ বেড়েছে ৩৭ হাজার হেক্টরের বেশি জমিতে। উৎপাদন বেড়েছে ৬ লাখ মেট্রিক টনের বেশি। চলতি মৌসুমে উৎপাদন বাড়লেও দাম নিয়ে চিন্তিত কৃষক।

রংপুর সিটি করপোরেশন এলাকার কৃষক নিরোঞ্জন দাস, আব্দুল কাসেম, মনিরুল আলম, তাজুল রহমানসহ কয়েকজন জানান, গত বছর তারা মৌসুমের শুরুতে প্রতি মণ আমন ধান বিক্রি করেন ১ হাজার ২৫০ টাকা দরে। মৌসুম শেষে বিক্রি করেন ১ হাজার ৪০০ টাকা দরে।

এবার শুরুতেই গত বছরের তুলনায় দাম কমেছে মণপ্রতি ১৫০ টাকার বেশি। তাদের আশঙ্কা, পুরোদমে ধান কাটা-মাড়াই চললে ধানের দাম আরও কমে যেতে পারে। প্রতি মণ হাজার টাকার নিচে নেমে গেলে লোকসান গুনতে হবে কৃষকদের।

রংপুর নগরীর মাহিগঞ্জ এলাকার ধান-চাল ব্যবসায়ীরা জানান, গত বছরের চেয়ে এবার প্রতি মণ ধান ১৫০-২০০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে। তবে কয়েক দিনের মধ্যে দাম বাড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন এই ব্যবসায়ী।

রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ বছর আমন ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৬ লাখ ২০ হাজার ৪৩০ হেক্টর জমিতে। লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ৬ লাখ সাড়ে ২১ হাজার হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে। উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে ২০ লাখ ১০ হাজার টনের বেশি।

সম্প্রতি রংপুর অঞ্চলে শুরু হয়েছে আমন ধান কাটা-মাড়াই। ধানের ভালো ফলনে কৃষকের গোলাও ভরে উঠছে। তবে এবার বাজারে ধানের দাম কিছুটা কম। গত বছর মৌসুমের শুরুতে প্রতি মণ (৪০ কেজি) ধান বিক্রি হয়েছিল ১ হাজার ২৫০ টাকায়। এবার বিক্রি হচ্ছে ১৫০-২০০ টাকা কমে। পুরোদমে ধান কাটা-মাড়াই শুরু হলে দাম আরও কমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষক।

রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক সিরাজুল ইসলাম জানান, ধানের দাম আশা করি বাড়বে। কৃষক তার ন‍্যায‍্যমূল‍্য পাবেন।