ঢাকা ০৫:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সোবহানার সেঞ্চুরি, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের রেকর্ড সংগ্রহ ৫ বছর পর ন্যান্সি ও জাহিদ নিরবের দ্বৈত গান ‘দিওয়ানা দিল’ তুরস্কে পর্যটকবাহী বাস ও টো ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ১১, আহত ২৭ পিরোজপুরে ডেঙ্গু ও কিশোর গ্যাং দমনে প্রতিমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা জাতীয় ক্রিকেট লিগে একদিনে পাঁচ ব্যাটারের সেঞ্চুরি দিল্লির রাজপথে প্রতিবাদের ভূত যেভাবে মোদি সরকারকে তাড়া করছে দুর্গাপূজায় নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা রুখতে সজাগ থাকার আহ্বান রিজভীর আয়াসসহ চারজনের বিরুদ্ধে যেসব ধারায় মামলা, রিমান্ডের আদেশ চাঁদপুরে জেলেদের ৫ টন চাল জব্দ, তদন্ত কমিটি গঠন নতুন রেকর্ডের হাতছানি হানসি ফ্লিকের বার্সেলোনার সামনে

আইএমএফের সঙ্গে ৪৫০ কোটি ডলারের নতুন ঋণচুক্তি হতে পারে ডিসেম্বরে

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:৪৮:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬ ১৩১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



পুরোনো ঋণ কর্মসূচি বাতিলের পর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে নতুন ঋণ কর্মসূচিতে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার। এই কর্মসূচির আওতায় ৪৫০ কোটি ডলার ঋণ পাওয়ার জন্য প্রাথমিক আলোচনা চলছে। তিন বছর মেয়াদী এই নতুন ঋণ কর্মসূচির চুক্তি আগামী ডিসেম্বর মাসে হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। বর্তমানে উভয় পক্ষ ঋণের শর্তাবলী নিয়ে দর-কষাকষি করছে, যার মধ্যে ব্যাংক ও রাজস্ব খাতের সংস্কার এবং সরকারি ভর্তুকি কমানোর মতো বিষয়গুলো প্রাধান্য পাচ্ছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আগামী সোমবার থেকে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে অনুষ্ঠেয় সাত দিনব্যাপী আইএমএফ-বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল যোগ দেবে। সেখানে আইএমএফের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পরবর্তী ঋণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে এবং অর্থ মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে সেই প্রস্তুতি নিচ্ছে।

এর আগে ২০২৩ সালের ৩০ জানুয়ারি বাংলাদেশের জন্য ৪৭০ কোটি ডলার ঋণচুক্তি অনুমোদন করেছিল আইএমএফ, যার জন্য তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ২০২২ সালের জুলাই মাসে চিঠি দিয়েছিল। সেই ঋণের ৭ কিস্তির মধ্যে ৫ কিস্তিতে ৩৬৪ কোটি ডলার পাওয়া গেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ২০২৫ সালের জুনে ঋণ কর্মসূচির আকার ৮০ কোটি ডলার বাড়িয়ে ৫৫০ কোটি ডলারে উন্নীত করা হয়েছিল। কিন্তু পরিবর্তিত অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জসহ কঠিন শর্তের কারণে বর্তমান সরকার তা এগিয়ে নিতে আগ্রহী হয়নি। গত এপ্রিল মাসে আইএমএফ-বিশ্বব্যাংকের বসন্তকালীন সভায় সরকার তা জানিয়ে দেয় এবং গত ৩ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন ঋণ কর্মসূচির জন্য চিঠি দেয়। আইএমএফ তখন সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুন ঋণ কর্মসূচিতে যাওয়ার বিষয়টিকে স্বাগত জানিয়েছিল।

বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন এ নিয়ে প্রথম আলোকে বলেন, ব্যাংক ও রাজস্ব খাতে সংস্কার এবং ভর্তুকি কমানোর মতো বিষয়গুলোতে দীর্ঘসূত্রতার কারণে আগের ঋণ কর্মসূচি এগোয়নি। তিনি মনে করেন, আইএমএফ এবারও একই ধরনের সংস্কারের কথা বলবে এবং তাদের অবস্থানের পরিবর্তন হবে না। জাহিদ হোসেন আরও বলেন, এসব সংস্কার আটকে রেখে নতুন ঋণ কর্মসূচির আলোচনা করা সময়ের অপচয়। এসব সংস্কার জাতীয় স্বার্থেই করতে হবে। আইএমএফের মতো সংস্থা থাকলে একটি সময়সীমা থাকে এবং সংস্কারের চাপ থাকে। তিনি জানান, রাজস্ব আদায়ে অগ্রগতি নেই এবং খরচের চাপ সামলাতে দেশি-বিদেশি উৎস থেকে ঋণ নেওয়ার চাপ বাড়ছে।

নতুন ঋণ কর্মসূচির শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে বিনিময় হার পুরোপুরি বাজারব্যবস্থার ওপর ছেড়ে দেওয়া, রাজস্বনীতি ও আদায় বিভাগ আলাদা করা, করছাড় যৌক্তিক করা, দেউলিয়া আইন করা এবং সরকারের ভর্তুকি কমানো। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এসব শর্ত পুরোনো ঋণ কর্মসূচিতেও ছিল, কিন্তু নির্দিষ্ট সময়সীমায় সংস্কারগুলো করা সম্ভব হয়নি। নতুন ঋণের ক্ষেত্রে এসব সংস্কার করতে বাড়তি সময় পাওয়া যাবে। আগামী নভেম্বর মাসে আইএমএফের একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করতে পারে, ওই সফরেই ঋণের সংস্কার ও শর্ত চূড়ান্ত হবে।

পুরোনো ঋণের আওতায় ২০২৭ সালের মধ্যে পুরো ৫৫০ কোটি ডলার পাওয়ার কথা ছিল। অনেক সংস্কার সময়মতো হয়নি। যেমন, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসের মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বিলুপ্ত করে রাজস্বনীতি ও আদায় বিভাগ আলাদা করার শর্ত ছিল। অন্তর্বর্তী সরকার অধ্যাদেশ জারি করলেও বর্তমান সরকার তা আইনে পরিণত করেনি; বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহর নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, যারা এখনো প্রতিবেদন দেয়নি। এছাড়া ২০২৭ সালের জুলাই মাসের মধ্যে যৌক্তিকভাবে সব ধরনের করছাড় বাদ দেওয়ার শর্ত এবং প্রতিবছর জিডিপির আধা শতাংশের সমান অতিরিক্ত রাজস্ব আদায়ের শর্তও পূরণ হয়নি। ব্যাংক খাতে বিনিময় হার পুরোপুরি বাজারের ওপর ছেড়ে দেওয়ার শর্তও পূরণ হয়নি, তবে ব্যাংক রেজোলিউশন আইন হয়েছে এবং পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করা হয়েছে। জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে ভর্তুকি কমানোর ক্ষেত্রেও তেমন অগ্রগতি হয়নি, বরং ভর্তুকি বেড়েছে।

গত মে মাসে নতুন কর্মসূচিতে যাওয়ার ঘোষণার সময় অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, পুরোনো কর্মসূচিটি ভিন্ন অর্থনৈতিক ও নীতিগত পরিপ্রেক্ষিতে নেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে উদ্ভূত দেশি প্রেক্ষাপট, রাজনৈতিক অর্থনীতি ও বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার কারণে কিছু সংস্কার বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি হয়। সরকার সংস্কার থেকে সরে আসতে চায় না, বরং বাস্তবসম্মত ও ধাপে ধাপে সংস্কার বাস্তবায়নে আগ্রহী। অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক শীর্ষ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, নতুন ঋণ কর্মসূচি এগিয়ে নিতে সরকার আগ্রহী এবং ফিরে আসার কোনো সুযোগ নেই। বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের আসন্ন বার্ষিক বৈঠকে এ বিষয়ে ভালো অগ্রগতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আইএমএফের সঙ্গে ৪৫০ কোটি ডলারের নতুন ঋণচুক্তি হতে পারে ডিসেম্বরে

আপডেট সময় : ১২:৪৮:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

পুরোনো ঋণ কর্মসূচি বাতিলের পর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে নতুন ঋণ কর্মসূচিতে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার। এই কর্মসূচির আওতায় ৪৫০ কোটি ডলার ঋণ পাওয়ার জন্য প্রাথমিক আলোচনা চলছে। তিন বছর মেয়াদী এই নতুন ঋণ কর্মসূচির চুক্তি আগামী ডিসেম্বর মাসে হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। বর্তমানে উভয় পক্ষ ঋণের শর্তাবলী নিয়ে দর-কষাকষি করছে, যার মধ্যে ব্যাংক ও রাজস্ব খাতের সংস্কার এবং সরকারি ভর্তুকি কমানোর মতো বিষয়গুলো প্রাধান্য পাচ্ছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আগামী সোমবার থেকে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে অনুষ্ঠেয় সাত দিনব্যাপী আইএমএফ-বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল যোগ দেবে। সেখানে আইএমএফের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পরবর্তী ঋণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে এবং অর্থ মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে সেই প্রস্তুতি নিচ্ছে।

এর আগে ২০২৩ সালের ৩০ জানুয়ারি বাংলাদেশের জন্য ৪৭০ কোটি ডলার ঋণচুক্তি অনুমোদন করেছিল আইএমএফ, যার জন্য তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ২০২২ সালের জুলাই মাসে চিঠি দিয়েছিল। সেই ঋণের ৭ কিস্তির মধ্যে ৫ কিস্তিতে ৩৬৪ কোটি ডলার পাওয়া গেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ২০২৫ সালের জুনে ঋণ কর্মসূচির আকার ৮০ কোটি ডলার বাড়িয়ে ৫৫০ কোটি ডলারে উন্নীত করা হয়েছিল। কিন্তু পরিবর্তিত অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জসহ কঠিন শর্তের কারণে বর্তমান সরকার তা এগিয়ে নিতে আগ্রহী হয়নি। গত এপ্রিল মাসে আইএমএফ-বিশ্বব্যাংকের বসন্তকালীন সভায় সরকার তা জানিয়ে দেয় এবং গত ৩ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন ঋণ কর্মসূচির জন্য চিঠি দেয়। আইএমএফ তখন সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুন ঋণ কর্মসূচিতে যাওয়ার বিষয়টিকে স্বাগত জানিয়েছিল।

বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন এ নিয়ে প্রথম আলোকে বলেন, ব্যাংক ও রাজস্ব খাতে সংস্কার এবং ভর্তুকি কমানোর মতো বিষয়গুলোতে দীর্ঘসূত্রতার কারণে আগের ঋণ কর্মসূচি এগোয়নি। তিনি মনে করেন, আইএমএফ এবারও একই ধরনের সংস্কারের কথা বলবে এবং তাদের অবস্থানের পরিবর্তন হবে না। জাহিদ হোসেন আরও বলেন, এসব সংস্কার আটকে রেখে নতুন ঋণ কর্মসূচির আলোচনা করা সময়ের অপচয়। এসব সংস্কার জাতীয় স্বার্থেই করতে হবে। আইএমএফের মতো সংস্থা থাকলে একটি সময়সীমা থাকে এবং সংস্কারের চাপ থাকে। তিনি জানান, রাজস্ব আদায়ে অগ্রগতি নেই এবং খরচের চাপ সামলাতে দেশি-বিদেশি উৎস থেকে ঋণ নেওয়ার চাপ বাড়ছে।

নতুন ঋণ কর্মসূচির শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে বিনিময় হার পুরোপুরি বাজারব্যবস্থার ওপর ছেড়ে দেওয়া, রাজস্বনীতি ও আদায় বিভাগ আলাদা করা, করছাড় যৌক্তিক করা, দেউলিয়া আইন করা এবং সরকারের ভর্তুকি কমানো। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এসব শর্ত পুরোনো ঋণ কর্মসূচিতেও ছিল, কিন্তু নির্দিষ্ট সময়সীমায় সংস্কারগুলো করা সম্ভব হয়নি। নতুন ঋণের ক্ষেত্রে এসব সংস্কার করতে বাড়তি সময় পাওয়া যাবে। আগামী নভেম্বর মাসে আইএমএফের একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করতে পারে, ওই সফরেই ঋণের সংস্কার ও শর্ত চূড়ান্ত হবে।

পুরোনো ঋণের আওতায় ২০২৭ সালের মধ্যে পুরো ৫৫০ কোটি ডলার পাওয়ার কথা ছিল। অনেক সংস্কার সময়মতো হয়নি। যেমন, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসের মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বিলুপ্ত করে রাজস্বনীতি ও আদায় বিভাগ আলাদা করার শর্ত ছিল। অন্তর্বর্তী সরকার অধ্যাদেশ জারি করলেও বর্তমান সরকার তা আইনে পরিণত করেনি; বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহর নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, যারা এখনো প্রতিবেদন দেয়নি। এছাড়া ২০২৭ সালের জুলাই মাসের মধ্যে যৌক্তিকভাবে সব ধরনের করছাড় বাদ দেওয়ার শর্ত এবং প্রতিবছর জিডিপির আধা শতাংশের সমান অতিরিক্ত রাজস্ব আদায়ের শর্তও পূরণ হয়নি। ব্যাংক খাতে বিনিময় হার পুরোপুরি বাজারের ওপর ছেড়ে দেওয়ার শর্তও পূরণ হয়নি, তবে ব্যাংক রেজোলিউশন আইন হয়েছে এবং পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করা হয়েছে। জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে ভর্তুকি কমানোর ক্ষেত্রেও তেমন অগ্রগতি হয়নি, বরং ভর্তুকি বেড়েছে।

গত মে মাসে নতুন কর্মসূচিতে যাওয়ার ঘোষণার সময় অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, পুরোনো কর্মসূচিটি ভিন্ন অর্থনৈতিক ও নীতিগত পরিপ্রেক্ষিতে নেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে উদ্ভূত দেশি প্রেক্ষাপট, রাজনৈতিক অর্থনীতি ও বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার কারণে কিছু সংস্কার বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি হয়। সরকার সংস্কার থেকে সরে আসতে চায় না, বরং বাস্তবসম্মত ও ধাপে ধাপে সংস্কার বাস্তবায়নে আগ্রহী। অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক শীর্ষ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, নতুন ঋণ কর্মসূচি এগিয়ে নিতে সরকার আগ্রহী এবং ফিরে আসার কোনো সুযোগ নেই। বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের আসন্ন বার্ষিক বৈঠকে এ বিষয়ে ভালো অগ্রগতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।