বিমানবন্দরে লাগেজ চুরি রোধে সিসিটিভি লাইভ সম্প্রচারের আইনি দাবি
- আপডেট সময় : ০৫:০১:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

দেশের বিমানবন্দরগুলোতে যাত্রীদের লাগেজ কেটে মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি ও লুটপাটের ঘটনা রোধে কঠোর আইনি পদক্ষেপের দাবি তোলা হয়েছে। সোমবার বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান মামুন জনস্বার্থে এই আইনি নোটিশটি পাঠান। নোটিশে উড়োজাহাজের কার্গো হোল্ড থেকে শুরু করে লাগেজ বেল্ট পর্যন্ত পুরো হ্যান্ডলিং প্রক্রিয়া বিমানবন্দরের টার্মিনাল মনিটরে সরাসরি (লাইভ) সিসিটিভিতে সম্প্রচারের দাবি জানানো হয়েছে।
এতে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যানসহ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইওকে বিবাদী করা হয়েছে। এছাড়া হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রামের শাহ আমানত, সিলেটের ওসমানী, কক্সবাজার, সৈয়দপুর, রাজশাহী, যশোর ও বরিশাল বিমানবন্দরের পরিচালক ও ব্যবস্থাপকদের নোটিশের পক্ষভুক্ত করা হয়েছে।
আইনজীবী মামুন তার নোটিশে আগামী ১০ দিনের মধ্যে দেশের সব বিমানবন্দরে লাগেজ হ্যান্ডলিংয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। অন্যথায় সাধারণ যাত্রী ও প্রবাসী শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিআইএল দায়েরের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, বিমানবন্দরের অসাধু চক্র কার্গো হোল্ড থেকে লাগেজ বেল্টে পৌঁছানোর মধ্যবর্তী সময়ে তালাবদ্ধ লাগেজ কেটে মোবাইল, ল্যাপটপ, স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ চুরি করছে। রানওয়ে ও ব্যাগেজ সর্টিং এলাকায় নজরদারির ঘাটতি এবং সিসিটিভির 'ব্লাইন্ড স্পট' কাজে লাগিয়ে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং কর্মী ও লোডারদের একটি অংশ এই অপরাধে জড়িত। এছাড়া নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ঘুষ ও অনিয়মের কারণেও অপরাধপ্রবণতা বাড়ছে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।
নোটিশে দাবি করা হয়েছে যে, কাস্টমস বা নিরাপত্তা সংস্থা যদি কোনো যাত্রীর লাগেজ তল্লাশি করে, তবে তা যেন যাত্রীর সামনে ক্যামেরার উপস্থিতিতে করা হয়। পাশাপাশি লোডার, গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং ও নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) সক্রিয় নজরদারির আওতায় আনার আহ্বান জানানো হয়েছে। এই অনিয়মগুলো সংবিধানের ৩২ ও ৪২ অনুচ্ছেদে বর্ণিত জীবন ও সম্পত্তির অধিকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।




























