ঢাকা ১০:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা: ছাত্রদলের তিন নেতা বহিষ্কার দুর্গাপূজায় কেনাকাটার জন্য দোকানপাট খোলা থাকবে রাত ১০টা পর্যন্ত দুর্গাপূজায় দোকানপাট ও শপিং মল খোলা রাখার সময় বাড়ল ৯ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে ঢাকা প্রথম বিভাগ হকি লিগ রাজনৈতিক মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ, কারাগারে শ্রমিক ও যুবদল নেতা খুলনায় দেড় মাসের ব্যবধানে বাবা-ছেলে খুন, আতঙ্কে এলাকাবাসী শ্যামনগরে স্কাউটিং বিষয়ক ৬৯৫ তম ওরিয়েন্টেশন কোর্স সম্পন্ন ঢাবি হলের নয়তলা থেকে ঝাঁপ দিয়েও প্রাণে বাঁচলেন শিক্ষার্থী দুর্গাপূজায় সরকারি চাকরিজীবীদের টানা সাত দিনের ছুটি ঘোষণা এশিয়ার বাজারে তেলের দামে বড় ছাড় দিলো সৌদি আরব

রাজনৈতিক মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ, কারাগারে শ্রমিক ও যুবদল নেতা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৯:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



২০১৭ সালে বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে স্বাগত জানিয়ে মিছিল করার ঘটনায় দায়ের করা রাজনৈতিক মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দুই নেতাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন জানালে ম্যাজিস্ট্রেট রিয়াদ হাসান তা নামঞ্জুর করেন এবং তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। কারাবন্দি এই দুই নেতা হলেন ঢাকা মহানগর উত্তর শ্রমিক দলের আহ্বায়ক সদস্য এবং টাঙ্গাইল সদর আসনের সংসদ সদস্য ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাহউদ্দিন টুকুর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মোকলেস মিয়া এবং যাত্রাবাড়ী থানা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৭ সালের ২২ জুন খালেদা জিয়া আদালতে যাওয়ার সময় শাহবাগে জাতীয় ঈদগাহের প্রথম গেটের সামনে মিছিল করার সময় পুলিশের কাজে বাধা ও ধাক্কাধাক্কির অভিযোগে শাহবাগ থানায় দণ্ডবিধির ৩৫৩ ধারাসহ একাধিক ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়। ২০২৩ সালের ২৮ ডিসেম্বর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২৬-এর বিচারক মোকলেস মিয়া ও জাহিদুল ইসলামকে দণ্ডবিধির ৩৫৩ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেন। জরিমানার অর্থ পরিশোধ না করলে আরও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়। তবে মামলার অন্যান্য ধারা থেকে তাদের খালাস দেওয়া হয়েছিল।

নিম্ন আদালতের এই রায়ের বিরুদ্ধে মোকলেস মিয়া ও জাহিদুল ইসলাম ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে ফৌজদারি আপিল করেছেন। আপিল আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মামলার ৩২ জন সাক্ষীর মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষ মাত্র ৯ জনকে আদালতে হাজির করেছিল এবং গুরুত্বপূর্ণ ও নিরপেক্ষ সাক্ষীদের সাক্ষ্য নেওয়া হয়নি। এছাড়া রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্য ও মামলার অন্যান্য উপাদান বিবেচনায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়নি বলে দাবি করে তারা সাজা বাতিল ও খালাসের প্রার্থনা করেছেন।

এদিকে, সোমবার আদালতের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে আত্মসমর্পণের পর তাদের পক্ষে জামিনের আবেদন করেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাহবুবুল আলম। আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত নেতাকর্মীরা এ সময় বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে মোকলেস মিয়া ও জাহিদুল ইসলামের মুক্তির দাবি জানান। আইনজীবী মাহবুবুল আলম বলেন, ২০১৭ সালে মিথ্যা মামলায় ফ্যাসিস্ট সরকার সাজা দিয়েছিল। আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে তারা আত্মসমর্পণ করেছেন এবং পরবর্তী সময়ে সাজা বাতিল ও জামিনের জন্য আইনগতভাবে আবারও আবেদন করা হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

রাজনৈতিক মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ, কারাগারে শ্রমিক ও যুবদল নেতা

আপডেট সময় : ০৯:৩৯:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

২০১৭ সালে বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে স্বাগত জানিয়ে মিছিল করার ঘটনায় দায়ের করা রাজনৈতিক মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দুই নেতাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন জানালে ম্যাজিস্ট্রেট রিয়াদ হাসান তা নামঞ্জুর করেন এবং তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। কারাবন্দি এই দুই নেতা হলেন ঢাকা মহানগর উত্তর শ্রমিক দলের আহ্বায়ক সদস্য এবং টাঙ্গাইল সদর আসনের সংসদ সদস্য ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাহউদ্দিন টুকুর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মোকলেস মিয়া এবং যাত্রাবাড়ী থানা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৭ সালের ২২ জুন খালেদা জিয়া আদালতে যাওয়ার সময় শাহবাগে জাতীয় ঈদগাহের প্রথম গেটের সামনে মিছিল করার সময় পুলিশের কাজে বাধা ও ধাক্কাধাক্কির অভিযোগে শাহবাগ থানায় দণ্ডবিধির ৩৫৩ ধারাসহ একাধিক ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়। ২০২৩ সালের ২৮ ডিসেম্বর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২৬-এর বিচারক মোকলেস মিয়া ও জাহিদুল ইসলামকে দণ্ডবিধির ৩৫৩ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেন। জরিমানার অর্থ পরিশোধ না করলে আরও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়। তবে মামলার অন্যান্য ধারা থেকে তাদের খালাস দেওয়া হয়েছিল।

নিম্ন আদালতের এই রায়ের বিরুদ্ধে মোকলেস মিয়া ও জাহিদুল ইসলাম ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে ফৌজদারি আপিল করেছেন। আপিল আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মামলার ৩২ জন সাক্ষীর মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষ মাত্র ৯ জনকে আদালতে হাজির করেছিল এবং গুরুত্বপূর্ণ ও নিরপেক্ষ সাক্ষীদের সাক্ষ্য নেওয়া হয়নি। এছাড়া রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্য ও মামলার অন্যান্য উপাদান বিবেচনায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়নি বলে দাবি করে তারা সাজা বাতিল ও খালাসের প্রার্থনা করেছেন।

এদিকে, সোমবার আদালতের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে আত্মসমর্পণের পর তাদের পক্ষে জামিনের আবেদন করেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাহবুবুল আলম। আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত নেতাকর্মীরা এ সময় বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে মোকলেস মিয়া ও জাহিদুল ইসলামের মুক্তির দাবি জানান। আইনজীবী মাহবুবুল আলম বলেন, ২০১৭ সালে মিথ্যা মামলায় ফ্যাসিস্ট সরকার সাজা দিয়েছিল। আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে তারা আত্মসমর্পণ করেছেন এবং পরবর্তী সময়ে সাজা বাতিল ও জামিনের জন্য আইনগতভাবে আবারও আবেদন করা হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin