ঢাকা ০৭:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইরানে সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েল ডেঙ্গুতে আরও ১০ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৯৯৬ নতুন রোগী ফ্রান্সে ছাত্র বিক্ষোভ ও সংঘাত, গ্রেপ্তার ৬ হাজার জুলাই যোদ্ধাদের সাংবিধানিক সুরক্ষা ও দায়মুক্তি নিশ্চিত করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের উপ-নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ, পুনর্নির্বাচনের দাবি বিরোধীদের সার্বিয়ার ভিসা দেওয়ার নামে ৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারক চক্র সামাজিক নিরাপত্তায় ধনীরা বেশি সুবিধা পান, গরিবেরা বঞ্চিত: বিশ্বব্যাংক ন্যাশনাল ব্যাংকে আটকে আছে বরিশাল জেলা পরিষদের পৌনে ১১ কোটি টাকা মালয়েশিয়ায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় শেরপুরের এক প্রবাসী নিহত ঢাকায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচলে শিগগিরই আসছে নীতিমালা

বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার: রশিদুজ্জামান মিল্লাত

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:৫৩:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



দেশের বিমানবন্দরগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত। সোমবার ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ‘এয়ারপোর্ট ফায়ার ইমার্জেন্সি এক্সারসাইজ ২০২৬’ শীর্ষক মহড়া পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, একটি আধুনিক ও নিরাপদ এভিয়েশন হাব প্রতিষ্ঠার অন্যতম ভিত্তি হলো অগ্নিনিরাপত্তা ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার সক্ষমতা। গত বছরের অক্টোবরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে বিমানবন্দরের আমদানি কার্গো কমপ্লেক্সে অগ্নিকাণ্ডের ফলে যে বিপুল ক্ষয়ক্ষতি ও দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছিল, তা থেকে শিক্ষা নিয়ে সরকার নিরাপত্তা জোরদারে কাজ করছে।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে সরকার ‘ন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন সিকিউরিটি কমিটি’ গঠন করেছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, আইকাও (ICAO) অডিট সামনে রেখে আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে সরকার সব ধরনের কমপ্লায়েন্স নিশ্চিতের ব্যবস্থা নিয়েছে। এছাড়া ভিআইপি ও সিআইপি নির্বিশেষে সবার জন্য সমান নিরাপত্তা প্রোটোকল অনুসরণের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

বিমানবন্দর এলাকায় অননুমোদিত ড্রোন উড্ডয়ন বন্ধে এন্ট্রি ড্রোন সিস্টেম স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বিমানবন্দরের মতো কেপিআইভুক্ত এলাকায় নিরাপত্তার সাথে সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতির সংখ্যা বাড়াতে হবে। দুর্ঘটনার সময় রেসপন্স টাইম কমিয়ে আনতে ফায়ার সার্ভিস, মেডিকেল টিম ও অপারেশনস সিকিউরিটি টিমের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধির ওপর জোর দেন তিনি। এক্ষেত্রে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সাথে এমইউ (MOU) স্বাক্ষরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

যাত্রীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় ভ্রমণ নিশ্চিত করাকে প্রতিটি কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দু উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আমাদের লক্ষ্য হলো যাত্রীরা যেন বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক মানের সেবা পান এবং নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন। এজন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে সবসময় সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার: রশিদুজ্জামান মিল্লাত

আপডেট সময় : ০২:৫৩:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

দেশের বিমানবন্দরগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত। সোমবার ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ‘এয়ারপোর্ট ফায়ার ইমার্জেন্সি এক্সারসাইজ ২০২৬’ শীর্ষক মহড়া পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, একটি আধুনিক ও নিরাপদ এভিয়েশন হাব প্রতিষ্ঠার অন্যতম ভিত্তি হলো অগ্নিনিরাপত্তা ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার সক্ষমতা। গত বছরের অক্টোবরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে বিমানবন্দরের আমদানি কার্গো কমপ্লেক্সে অগ্নিকাণ্ডের ফলে যে বিপুল ক্ষয়ক্ষতি ও দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছিল, তা থেকে শিক্ষা নিয়ে সরকার নিরাপত্তা জোরদারে কাজ করছে।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে সরকার ‘ন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন সিকিউরিটি কমিটি’ গঠন করেছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, আইকাও (ICAO) অডিট সামনে রেখে আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে সরকার সব ধরনের কমপ্লায়েন্স নিশ্চিতের ব্যবস্থা নিয়েছে। এছাড়া ভিআইপি ও সিআইপি নির্বিশেষে সবার জন্য সমান নিরাপত্তা প্রোটোকল অনুসরণের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

বিমানবন্দর এলাকায় অননুমোদিত ড্রোন উড্ডয়ন বন্ধে এন্ট্রি ড্রোন সিস্টেম স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বিমানবন্দরের মতো কেপিআইভুক্ত এলাকায় নিরাপত্তার সাথে সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতির সংখ্যা বাড়াতে হবে। দুর্ঘটনার সময় রেসপন্স টাইম কমিয়ে আনতে ফায়ার সার্ভিস, মেডিকেল টিম ও অপারেশনস সিকিউরিটি টিমের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধির ওপর জোর দেন তিনি। এক্ষেত্রে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সাথে এমইউ (MOU) স্বাক্ষরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

যাত্রীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় ভ্রমণ নিশ্চিত করাকে প্রতিটি কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দু উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আমাদের লক্ষ্য হলো যাত্রীরা যেন বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক মানের সেবা পান এবং নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন। এজন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে সবসময় সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin