ঢাকা ০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টাঙ্গাইলে ভবঘুরে নারীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেপ্তার অবসরের ইঙ্গিত দিলেন মেসির দীর্ঘদিনের সতীর্থ নিকোলাস তালিয়াফিকো নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের কাছে সন্দেহজনক স্যুটকেস ঘিরে বোম আতঙ্ক পথঘাট পরিচ্ছন্ন রাখা ঈমানের দাবি ও সদকার সওয়াব গফরগাঁওয়ে প্রবাসীর স্ত্রীকে গণধর্ষণ: অভিযুক্তদের বাড়িঘরে ভাঙচুর বার্সেলোনায় ফিরল ‘এমএসএন’ যুগের স্মৃতি, রাফিনিয়া-ইয়ামালদের গোলবন্যা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান লঞ্চ ভাড়া ৬০ শতাংশ বাড়ানোর দাবি মালিকদের যুদ্ধ জিতলে লুটের মালে বিজয়ীরই অধিকার, জাতিসংঘে ঘোষণা ট্রাম্পের বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের দুই প্রশাসনিক পদে সেনা কর্মকর্তাদের নিয়োগ

প্রধানমন্ত্রীর পদবি থেকে ‘মাননীয়’ বাদ, ডিজিটাল হাজিরায় তারেক রহমান

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৭:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



প্রধানমন্ত্রী শব্দের আগে ‘মাননীয়’ বা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার না করার সরকারি সিদ্ধান্ত এখন থেকে তার নিজের দপ্তর থেকেই কার্যকর করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেই এই নতুন নিয়ম বাস্তবায়ন শুরু করেছেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সব ধরনের ফাইল, নথি এবং দাপ্তরিক কার্যক্রমে পদবির আগে ‘মাননীয়’ শব্দ বাদ দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের এই নির্দেশনা কেবল কাগজেই সীমাবদ্ধ রাখা হয়নি, বরং প্রধানমন্ত্রী তার নিজের কার্যালয়েই এটি বাস্তবায়ন করছেন। এখন থেকে তার কাছে উপস্থাপন করা ফাইল বা সরকারি নথিতে ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী’ লেখার পরিবর্তে শুধু ‘প্রধানমন্ত্রী’ সম্বোধন ব্যবহারের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য সম্পর্কে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ওই কর্মকর্তা আরও জানান, ‘মাননীয়’ শব্দ বাদ দেয়ার সিদ্ধান্তটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ধারাবাহিক ইতিবাচক উদ্যোগের একটি অংশ। এর মাধ্যমে তিনি পদমর্যাদার আনুষ্ঠানিক বিশেষণের চেয়ে দায়িত্ব, জনসেবা এবং দেশ ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতাকে বেশি গুরুত্ব দেয়ার বার্তা দিচ্ছেন।

একই সাথে দাপ্তরিক শৃঙ্খলার নজির স্থাপনে প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে ডিজিটাল হাজিরা প্রথা চালু করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে, সচিবালয়ে অফিস করার সময় নিজের দপ্তরে প্রবেশের আগে প্রধানমন্ত্রী নিয়মিত ডিজিটাল হাজিরা দিচ্ছেন। এছাড়া দিনের কাজ শেষে অফিস ত্যাগের সময়ও তিনি নির্ধারিত পদ্ধতিতে হাজিরা দিচ্ছেন।

উল্লেখ্য যে, বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা এক পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়, প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর সঙ্গে দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র ও সারসংক্ষেপ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে তাদের পদবির আগে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’ বা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ লিখিতভাবে ব্যবহার করা যাবে না।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রীর পদবি থেকে ‘মাননীয়’ বাদ, ডিজিটাল হাজিরায় তারেক রহমান

আপডেট সময় : ০৪:৩৭:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী শব্দের আগে ‘মাননীয়’ বা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার না করার সরকারি সিদ্ধান্ত এখন থেকে তার নিজের দপ্তর থেকেই কার্যকর করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেই এই নতুন নিয়ম বাস্তবায়ন শুরু করেছেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সব ধরনের ফাইল, নথি এবং দাপ্তরিক কার্যক্রমে পদবির আগে ‘মাননীয়’ শব্দ বাদ দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের এই নির্দেশনা কেবল কাগজেই সীমাবদ্ধ রাখা হয়নি, বরং প্রধানমন্ত্রী তার নিজের কার্যালয়েই এটি বাস্তবায়ন করছেন। এখন থেকে তার কাছে উপস্থাপন করা ফাইল বা সরকারি নথিতে ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী’ লেখার পরিবর্তে শুধু ‘প্রধানমন্ত্রী’ সম্বোধন ব্যবহারের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য সম্পর্কে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ওই কর্মকর্তা আরও জানান, ‘মাননীয়’ শব্দ বাদ দেয়ার সিদ্ধান্তটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ধারাবাহিক ইতিবাচক উদ্যোগের একটি অংশ। এর মাধ্যমে তিনি পদমর্যাদার আনুষ্ঠানিক বিশেষণের চেয়ে দায়িত্ব, জনসেবা এবং দেশ ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতাকে বেশি গুরুত্ব দেয়ার বার্তা দিচ্ছেন।

একই সাথে দাপ্তরিক শৃঙ্খলার নজির স্থাপনে প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে ডিজিটাল হাজিরা প্রথা চালু করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে, সচিবালয়ে অফিস করার সময় নিজের দপ্তরে প্রবেশের আগে প্রধানমন্ত্রী নিয়মিত ডিজিটাল হাজিরা দিচ্ছেন। এছাড়া দিনের কাজ শেষে অফিস ত্যাগের সময়ও তিনি নির্ধারিত পদ্ধতিতে হাজিরা দিচ্ছেন।

উল্লেখ্য যে, বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা এক পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়, প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর সঙ্গে দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র ও সারসংক্ষেপ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে তাদের পদবির আগে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’ বা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ লিখিতভাবে ব্যবহার করা যাবে না।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin