বিদেশি ফ্লাইটের নিরাপত্তা নিয়ে ইসরাইলে বিতর্ক, চাপে নেতানিয়াহু
- আপডেট সময় : ১১:০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বর্তমানে কঠিন রাজনৈতিক পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন। সাধারণ নির্বাচনের কয়েক সপ্তাহ বাকি থাকতেই তার জনপ্রিয়তা হ্রাস পেয়েছে এবং বিরোধী নেতারা তার ওপর চাপ সৃষ্টি করছেন। দুবাই থেকে তেল আবিবগামী একটি বিমানে ওমানি সহকারী পাইলট কর্তৃক বিমান বিধ্বস্ত করার চেষ্টার ঘটনার পর পরিবহণমন্ত্রী মিরি রেগেভকে বরখাস্ত করার দাবি জোরালো হয়েছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে নতুন তথ্য প্রকাশ পেয়েছে যে, ইসরাইলের শীর্ষ সংস্থাগুলো বছরের পর বছর ধরে বিদেশি ফ্লাইটের নিরাপত্তা যাচাই এবং পাইলটদের তদারকির ক্ষেত্রে পরিবহণ মন্ত্রণালয়ের গাফিলতির ব্যাপারে সতর্ক করে আসছিল।
বিরোধী নেতারা প্রশ্ন তুলেছেন যে, ইসরাইলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই এমন একটি দেশের পাইলট কীভাবে তেল আবিবগামী ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি পেলেন। টাইমস অব ইসরাইল এবং আর্মি রেডিওর অভ্যন্তরীণ নথি অনুযায়ী, বিদেশি বিমান সংস্থাগুলোর নিরাপত্তা যাচাইয়ের দায়িত্ব কার—তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে উদ্বেগ ছিল। ২০২১ সালে ইসরাইলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেত-এর কাছ থেকে এই দায়িত্ব সরিয়ে পরিবহণ মন্ত্রণালয়ের সিভিল এভিয়েশন অথরিটিকে হস্তান্তর করে।
২০২৪ সালের একটি গোপনীয় রাষ্ট্রীয় মহা-হিসাব নিরীক্ষা প্রতিবেদনে দেখা যায়, পরিবহণ মন্ত্রণালয় তার অর্পিত দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে। এরপর মে মাসে নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলকে (এনএসসি) একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দেয়। শিন বেত জানায়, বিদেশি ফ্লাইটের নিরাপত্তা যাচাইয়ের মতো পর্যাপ্ত জনবল বা বাজেট তাদের নেই। এনএসসি পরবর্তীতে মত দেয় যে, পরিবহণ মন্ত্রণালয়েরই এই দায়িত্ব পালন করা উচিত, তবে তাদের প্রয়োজনীয় জনবল ও বাজেট নিশ্চিত করতে হবে।
আর্মি রেডিওর তথ্যমতে, পরিবহণ মন্ত্রণালয়ের নিরাপত্তা প্রধান আভরি কোহেন জানিয়েছিলেন যে, মন্ত্রণালয়ের এই ধরনের বড় চ্যালেঞ্জ নেয়ার সক্ষমতা নেই। তবুও মিরি রেগেভ দায়িত্ব গ্রহণে সম্মতি দেন এবং ২০২৫ সালে নেতানিয়াহু এই দায়িত্ব পুরোপুরি মন্ত্রণালয়ের কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দেন। পরিবহণ মন্ত্রণালয় অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। মন্ত্রী মিরি রেগেভ দাবি করেছেন, বিদেশি পাইলটদের ব্যাকগ্রাউন্ড যাচাই করার সক্ষমতা তাদের নেই এবং এটি নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের দায়িত্ব। তবে প্রাক্তন পরিবহণ সচিব কেরেন টেরনারসহ বিরোধী নেতারা এই ব্যর্থতার জন্য রেগেভকে দায়ী করেছেন। গাদি আইজেনকোটের মতো বিরোধী নেতারা বলেছেন, একটি কার্যকর সরকার হলে পরিবহণমন্ত্রীকে তখনই বরখাস্ত করা হতো। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ফ্লাইদুবাইয়ের ফ্লাইটে অনেক ওমানি পাইলট তেল আবিবে এসেছেন, অথচ বৈরী রাষ্ট্রগুলোর পাইলটদের প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
আর্মি রেডিও ওই নথির বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ২০২৪ সালের একটি গোপনীয় রাষ্ট্রীয় মহা-হিসাব নিরীক্ষা প্রতিবেদনে দেখা যায়, পরিবহন মন্ত্রণালয় তার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করছে না। ২০২৪ সালের মে মাসে নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলকে (এনএসসি) ৯০ দিনের মধ্যে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দেয়। পরিবহন মন্ত্রণালয়, সিভিল এভিয়
২৭শে অক্টোবরের নির্বাচনে নেতানিয়াহুর অন্যতম প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকোট বলেছেন, ‘একটি সঠিক ও কার্যকর সরকার হলে পরিবহণমন্ত্রী গত রাতেই পদত্যাগপত্র জমা দিতেন।’ এক্সে তিনি আরও লিখেছেন, একটি সঠিক দেশে প্রধানমন্ত্রী তাকে বরখাস্ত করতেন এবং এই ব্যর্থতার তদন্তে একটি তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দিতেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে


























