আখতারুজ্জামানকে অপমান করার হীন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: জামায়াত আমির
- আপডেট সময় : ০২:০৩:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

সাবেক সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে জনসমক্ষে হেনস্তা ও অপমান করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। আজ রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই দাবি করেন।
‘কোনো মানুষই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়’ শিরোনামে দেওয়া ওই ফেসবুক পোস্টে জামায়াত আমির উল্লেখ করেন, বিমানবন্দরে যাত্রীসাধারণের দুর্ভোগ-ভোগান্তি এবং কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা ও অনিয়মের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছিলেন আখতারুজ্জামান। এর মাধ্যমে তিনি মূলত ভুক্তভোগী যাত্রী ও বিদেশফেরত প্রবাসীদের প্রতিবাদের কণ্ঠে পরিণত হয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর এই প্রতিবাদকে ইতিবাচকভাবে নিয়ে অব্যবস্থাপনাগুলো দূর করার পরিবর্তে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এমনকি দুইবারের সাবেক এই সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধাকে জনসমক্ষে হেয় প্রতিপন্ন করার নানা হীন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
ঘটনাটি নিয়ে শফিকুর রহমান আরও লিখেছেন, জনগণ অন্ধ নয় এবং তারা সবকিছুই দেখছে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে আখতারুজ্জামান মূলত বীরত্বের পরিচয় দিয়েছেন এবং ভুক্তভোগী মানুষের হৃদয়ে বীরের স্থান করে নিয়েছেন।
উল্লেখ্য, ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি সংকটকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা তৈরি, সরকারি কাজে বাধা প্রদান এবং দায়িত্বরত এক নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে গত বৃহস্পতিবার রাতে আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা করা হয়। এই মামলায় গত শুক্রবার বিকেলে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর গতকাল শনিবার আদালত তাঁর এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান কিশোরগঞ্জ-২ আসন থেকে ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে বিএনপির টিকিটে টানা দুইবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন এবং ২০২৪ সালের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়েও হেরে যান। তিনি কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০২২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি তাঁকে পঞ্চমবারের মতো বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়। পরবর্তীতে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে গত ১৩ ডিসেম্বর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন।




























