ঢাকা ০১:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাংবাদিকদের নিয়োগপত্র ও পরিচয়পত্র দেওয়া বাধ্যতামূলক: প্রেস কাউন্সিল ঢাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে একদিনে গ্রেপ্তার ৪৬৫, মামলা ৭৩ কয়রার যোগাযোগ সংকট কাটাতে ৬০ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়নের উদ্যোগ দেশে ২ কোটি শিশুকে হাম-রুবেলা টিকা, লক্ষ্য আরও ৩৫ লাখ সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থানে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি ভাঙ্গুড়ায় নৈশ প্রহরী পদে চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ সিসিটিভিতে ধরা পড়ল প্রিজন ভ্যান থেকে পিচ্চি রাজার পালানোর দৃশ্য বাংলাদেশ সফরে আসছেন জাতিসংঘের বিশেষ র‍্যাপোর্টিয়ার ফরিদা শহীদ মনোযোগের রাশ কার হাতে, আপনার নাকি ফোনের স্ক্রিনের? যুক্তরাষ্ট্রে ফায়ারিং স্কোয়াডে কার্যকর হবে সাবেক মেজরের মৃত্যুদণ্ড

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাম্বুলেন্সের কৃতিত্ব নিয়ে শিবিরের সঙ্গে আম্মারের দ্বন্দ্ব

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:০৬:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে শিক্ষার্থীদের ব্যবহারের জন্য আনা একটি নতুন অ্যাম্বুলেন্সের কৃতিত্ব দাবি করা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির ও রাকসুর সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আম্মারের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অবস্থান তৈরি হয়েছে। বুধবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে অ্যাম্বুলেন্সটি হস্তান্তর করে শাখা ছাত্রশিবির। এর পরপরই সালাহউদ্দিন আম্মার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেন, ব্যক্তিগত উদ্যোগে তিনি এই অ্যাম্বুলেন্সটির ব্যবস্থা করেছেন এবং এতে কোনো রাজনৈতিক দলের ব্যানার থাকার কথা ছিল না। অ্যাম্বুলেন্সে ‘রাকসুর পক্ষ থেকে উপহার’ না লিখে ‘শিবিরের পক্ষ থেকে উপহার’ লেখায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং বিষয়টিকে ‘ছাত্রশিবিরের রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব’ বলে অভিহিত করেন।

সালাহউদ্দিন আম্মারের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ৬ আগস্ট তিনি লতিফা রশিদ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানের স্বামী ও জাতীয় সংসদের গত নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এস এম খালিদুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি অ্যাম্বুলেন্স ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামের আবেদন করেন। ফাউন্ডেশনের অনুমোদনের পর ১৭ আগস্ট তা আনুষ্ঠানিকভাবে মঞ্জুর হয় এবং ২১ আগস্ট রাকসুর অভ্যন্তরীণ মেসেঞ্জার গ্রুপে বিষয়টি জানানো হয়। আম্মারের অভিযোগ, সব প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হওয়ার পর ৭ সেপ্টেম্বর ছাত্রশিবির হঠাৎ করে দাবি করে যে অ্যাম্বুলেন্সটি তাদের উদ্যোগে আনা হয়েছে। তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, খালিদুজ্জামানের কাছে অন্য কেউ প্রস্তাব দেওয়ার প্রমাণ দেখাতে পারলে তিনি ক্যাম্পাস ছেড়ে দেবেন। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের জন্য তিনি আরও একটি অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করেছিলেন, তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে ইতিমধ্যে দুটি অ্যাম্বুলেন্স থাকায় ওই অর্থ দিয়ে শিক্ষার্থীদের তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সহায়তায় ৩০ লাখ টাকার একটি ‘জরুরি তহবিল’ গঠনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের অর্থ সম্পাদক আহমেদ আহসানউল্লাহ ফারহান ফেসবুকে এক পোস্টে সালাহউদ্দিন আম্মারের বিরুদ্ধে শিবিরের পরিচয় ব্যবহার করে খালিদুজ্জামানের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। ফারহান দাবি করেন, তিনি ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক দুই সভাপতি ১১ সেপ্টেম্বর খালিদুজ্জামানের আমন্ত্রণে তাঁর অফিসে অ্যাম্বুলেন্স গ্রহণ করতে গিয়েছিলেন। ফারহানের অভিযোগ, সালাহউদ্দিন আম্মার বিভিন্ন সময় শিবির পরিচয়ে খালিদুজ্জামানের কাছ থেকে কয়েক লাখ টাকা নিয়েছেন এবং কিছুদিন আগেও দুই লাখ টাকা নিয়েছেন। ফারহানের ভাষ্যমতে, আম্মারের আর্থিক অস্বচ্ছতা আঁচ করতে পেরে খালিদুজ্জামান তাঁকে আর সহযোগিতা না করে বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের মাধ্যমে অ্যাম্বুলেন্সটি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাম্বুলেন্সের কৃতিত্ব নিয়ে শিবিরের সঙ্গে আম্মারের দ্বন্দ্ব

আপডেট সময় : ০৬:০৬:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে শিক্ষার্থীদের ব্যবহারের জন্য আনা একটি নতুন অ্যাম্বুলেন্সের কৃতিত্ব দাবি করা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির ও রাকসুর সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আম্মারের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অবস্থান তৈরি হয়েছে। বুধবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে অ্যাম্বুলেন্সটি হস্তান্তর করে শাখা ছাত্রশিবির। এর পরপরই সালাহউদ্দিন আম্মার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেন, ব্যক্তিগত উদ্যোগে তিনি এই অ্যাম্বুলেন্সটির ব্যবস্থা করেছেন এবং এতে কোনো রাজনৈতিক দলের ব্যানার থাকার কথা ছিল না। অ্যাম্বুলেন্সে ‘রাকসুর পক্ষ থেকে উপহার’ না লিখে ‘শিবিরের পক্ষ থেকে উপহার’ লেখায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং বিষয়টিকে ‘ছাত্রশিবিরের রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব’ বলে অভিহিত করেন।

সালাহউদ্দিন আম্মারের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ৬ আগস্ট তিনি লতিফা রশিদ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানের স্বামী ও জাতীয় সংসদের গত নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এস এম খালিদুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি অ্যাম্বুলেন্স ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামের আবেদন করেন। ফাউন্ডেশনের অনুমোদনের পর ১৭ আগস্ট তা আনুষ্ঠানিকভাবে মঞ্জুর হয় এবং ২১ আগস্ট রাকসুর অভ্যন্তরীণ মেসেঞ্জার গ্রুপে বিষয়টি জানানো হয়। আম্মারের অভিযোগ, সব প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হওয়ার পর ৭ সেপ্টেম্বর ছাত্রশিবির হঠাৎ করে দাবি করে যে অ্যাম্বুলেন্সটি তাদের উদ্যোগে আনা হয়েছে। তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, খালিদুজ্জামানের কাছে অন্য কেউ প্রস্তাব দেওয়ার প্রমাণ দেখাতে পারলে তিনি ক্যাম্পাস ছেড়ে দেবেন। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের জন্য তিনি আরও একটি অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করেছিলেন, তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে ইতিমধ্যে দুটি অ্যাম্বুলেন্স থাকায় ওই অর্থ দিয়ে শিক্ষার্থীদের তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সহায়তায় ৩০ লাখ টাকার একটি ‘জরুরি তহবিল’ গঠনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের অর্থ সম্পাদক আহমেদ আহসানউল্লাহ ফারহান ফেসবুকে এক পোস্টে সালাহউদ্দিন আম্মারের বিরুদ্ধে শিবিরের পরিচয় ব্যবহার করে খালিদুজ্জামানের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। ফারহান দাবি করেন, তিনি ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক দুই সভাপতি ১১ সেপ্টেম্বর খালিদুজ্জামানের আমন্ত্রণে তাঁর অফিসে অ্যাম্বুলেন্স গ্রহণ করতে গিয়েছিলেন। ফারহানের অভিযোগ, সালাহউদ্দিন আম্মার বিভিন্ন সময় শিবির পরিচয়ে খালিদুজ্জামানের কাছ থেকে কয়েক লাখ টাকা নিয়েছেন এবং কিছুদিন আগেও দুই লাখ টাকা নিয়েছেন। ফারহানের ভাষ্যমতে, আম্মারের আর্থিক অস্বচ্ছতা আঁচ করতে পেরে খালিদুজ্জামান তাঁকে আর সহযোগিতা না করে বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের মাধ্যমে অ্যাম্বুলেন্সটি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo