ঢাকা ০৭:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এশিয়ান গেমসে চীনের একক আধিপত্য, ১০০ স্বর্ণপদক জয় চুয়াডাঙ্গায় ৫০টি অসহায় পরিবারের হাতে নতুন ঘরের চাবি হস্তান্তর বিশ্বমানের পর্যটন শিল্প গড়ে তোলা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী শান্তিগঞ্জে হাওর ও নদী রক্ষা কমিটির সভাপতি জিয়াউর, সম্পাদক রেদুয়ান জাজিরায় পুলিশ দেখে কেক ও মোটরসাইকেল ফেলে পালালো আ.লীগ নেতাকর্মীরা এশিয়ান গেমসের কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইন গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য হুমকি: বক্তারা শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের বিশেষ অনুদান দিচ্ছে সরকার, আবেদনের নিয়ম ১,৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণ নিয়ে জাতীয় মহাপরিকল্পনা করছে সরকার সিলেট চেম্বারের নির্বাচন বাতিল, নতুন প্রশাসক এজাজ আহমদ

সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে আটক যুবকের মৃত্যু, তদন্তে শেরেবাংলা নগর থানা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:১৭:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মোবাইল চুরির অভিযোগে আটক জনি হোসেন (৩০) নামের এক যুবকের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে তার মৃত্যু হয়।

হাসপাতাল ও আনসার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার ভোরে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পৃথক ঘটনায় মোট পাঁচজনকে আটক করা হয়েছিল। রাত ৩টার দিকে ৬৩২ নম্বর ওয়ার্ডের ছাদে এসির পাইপ কাটার অভিযোগে শাহাদত (৩৫), ভোর ৫টা ৫০ মিনিটে ৪২০ নম্বর ওয়ার্ড থেকে মোবাইল চুরির অভিযোগে জনি (৩০), জিহান (১২) ও নাদিম (১১) এবং সকাল ৬টার দিকে আইসিইউর সামনে এক রোগীর স্বজনকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে আনিসুর (৩২) নামে একজনকে আটক করা হয়।

সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে আনসার সদস্য এপিসি শফিকুল ইসলাম, এপিসি মো. আব্দুর রাজ্জাক, আনসার মো. হাবিব খান ও মো. হাসান আলী আটককৃত পাঁচজনকে হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার মো. রেজাউলের কাছে হস্তান্তর করেন। আনসার বাহিনীর দাবি, হস্তান্তরের সময় আটক ব্যক্তিরা সুস্থ ও স্বাভাবিক ছিলেন। পরবর্তীতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এসির পাইপ কাটার ও উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে আটক দুজনকে ছেড়ে দেয়। তবে খোয়া যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধার না হওয়ায় মোবাইল চুরির অভিযোগে আটক জনি, জিহান ও নাদিমকে ওয়ার্ড মাস্টার ও সুপারভাইজার সুমন হাসপাতালের একটি কক্ষে আটকে রাখেন বলে জানা গেছে।

শুক্রবার বিকাল ৩টার দিকে আটক জনি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে বিকাল ৫টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে। শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর সঠিক কারণ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ময়নাতদন্ত ও সার্বিক তদন্তের পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে আটক যুবকের মৃত্যু, তদন্তে শেরেবাংলা নগর থানা

আপডেট সময় : ০২:১৭:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মোবাইল চুরির অভিযোগে আটক জনি হোসেন (৩০) নামের এক যুবকের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে তার মৃত্যু হয়।

হাসপাতাল ও আনসার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার ভোরে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পৃথক ঘটনায় মোট পাঁচজনকে আটক করা হয়েছিল। রাত ৩টার দিকে ৬৩২ নম্বর ওয়ার্ডের ছাদে এসির পাইপ কাটার অভিযোগে শাহাদত (৩৫), ভোর ৫টা ৫০ মিনিটে ৪২০ নম্বর ওয়ার্ড থেকে মোবাইল চুরির অভিযোগে জনি (৩০), জিহান (১২) ও নাদিম (১১) এবং সকাল ৬টার দিকে আইসিইউর সামনে এক রোগীর স্বজনকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে আনিসুর (৩২) নামে একজনকে আটক করা হয়।

সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে আনসার সদস্য এপিসি শফিকুল ইসলাম, এপিসি মো. আব্দুর রাজ্জাক, আনসার মো. হাবিব খান ও মো. হাসান আলী আটককৃত পাঁচজনকে হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার মো. রেজাউলের কাছে হস্তান্তর করেন। আনসার বাহিনীর দাবি, হস্তান্তরের সময় আটক ব্যক্তিরা সুস্থ ও স্বাভাবিক ছিলেন। পরবর্তীতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এসির পাইপ কাটার ও উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে আটক দুজনকে ছেড়ে দেয়। তবে খোয়া যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধার না হওয়ায় মোবাইল চুরির অভিযোগে আটক জনি, জিহান ও নাদিমকে ওয়ার্ড মাস্টার ও সুপারভাইজার সুমন হাসপাতালের একটি কক্ষে আটকে রাখেন বলে জানা গেছে।

শুক্রবার বিকাল ৩টার দিকে আটক জনি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে বিকাল ৫টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে। শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর সঠিক কারণ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ময়নাতদন্ত ও সার্বিক তদন্তের পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh