ঢাকা ০৫:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাংবাদিক ইউনিয়ন যশোরে ফিরলেন প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ফকির শওকত ইসরায়েলি নির্বাচনে ফিলিস্তিনিদের রক্তকে হাতিয়ার বানানো হচ্ছে: হামাস ইনস্টাগ্রাম পোস্ট লাইক করে নতুন বিতর্কে কৃতি স্যানন গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার ব্যর্থ: ডাকসু ভিপি নবীনগরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি: ৮ মাসে ১৩ হত্যা ও ২৪ অপমৃত্যু পেনাল্টি মিসের মাশুল, ইংল্যান্ডকে হারিয়ে স্পেনের জয়যাত্রা শুরু চুয়েটে নতুন উপাচার্য প্রত্যাখ্যান, শিক্ষার্থীদের লাল কার্ড ও বিক্ষোভ এশিয়ান গেমসে পদক জিতলে আরচারদের জন্য থাকছে নগদ অর্থ পুরস্কার চট্টগ্রামে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন সয়াবিন তেলের বাজারে কৃত্রিম সংকট, দাম বাড়ানোর পাঁয়তারার অভিযোগ

সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে আটক জনি হোসেনের মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:১৭:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জনি হোসেন (৩০) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মোবাইল চুরির অভিযোগে তাকে হাসপাতালের আনসার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হেফাজতে আটক রাখা হয়েছিল।

হাসপাতাল ও আনসার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিভিন্ন অভিযোগে মোট পাঁচজনকে আটক করা হয়। এর মধ্যে রাত ৩টার দিকে ৬৩২ নম্বর ওয়ার্ডের ছাদে এসির পাইপ কাটার অভিযোগে শাহাদত (৩৫) এবং ভোর ৫টা ৫০ মিনিটে ৪২০ নম্বর ওয়ার্ড থেকে মোবাইল চুরির অভিযোগে জনি (৩০), জিহান (১২) ও নাদিম (১১)-কে আটক করা হয়। এছাড়া সকাল ৬টার দিকে আইসিইউর সামনে এক রোগীর স্বজনকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে আনিসুর (৩২) নামে আরেকজনকে আটক করা হয়।

সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে আনসার সদস্য এপিসি শফিকুল ইসলাম, এপিসি মো. আব্দুর রাজ্জাক, আনসার মো. হাবিব খান ও মো. হাসান আলী আটককৃত ওই পাঁচজনকে হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার মো. রেজাউলের কাছে হস্তান্তর করেন। আনসার বাহিনীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, হস্তান্তরের সময় আটক ব্যক্তিরা সুস্থ ও স্বাভাবিক ছিলেন।

পরবর্তীতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এসির পাইপ কাটা ও উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে আটক দুজনকে ছেড়ে দিলেও, মোবাইল চুরির অভিযোগে আটক জনি, জিহান ও নাদিমকে আটকে রাখা হয়। ওয়ার্ড মাস্টার ও সুপারভাইজার সুমন তাদের হাসপাতালের একটি কক্ষে আটকে রাখেন বলে জানা গেছে। শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে জনি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয় এবং বিকেল ৫টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।

ঘটনার পরপরই শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ময়নাতদন্ত এবং সার্বিক তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে আটক জনি হোসেনের মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ

আপডেট সময় : ০২:১৭:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জনি হোসেন (৩০) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মোবাইল চুরির অভিযোগে তাকে হাসপাতালের আনসার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হেফাজতে আটক রাখা হয়েছিল।

হাসপাতাল ও আনসার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিভিন্ন অভিযোগে মোট পাঁচজনকে আটক করা হয়। এর মধ্যে রাত ৩টার দিকে ৬৩২ নম্বর ওয়ার্ডের ছাদে এসির পাইপ কাটার অভিযোগে শাহাদত (৩৫) এবং ভোর ৫টা ৫০ মিনিটে ৪২০ নম্বর ওয়ার্ড থেকে মোবাইল চুরির অভিযোগে জনি (৩০), জিহান (১২) ও নাদিম (১১)-কে আটক করা হয়। এছাড়া সকাল ৬টার দিকে আইসিইউর সামনে এক রোগীর স্বজনকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে আনিসুর (৩২) নামে আরেকজনকে আটক করা হয়।

সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে আনসার সদস্য এপিসি শফিকুল ইসলাম, এপিসি মো. আব্দুর রাজ্জাক, আনসার মো. হাবিব খান ও মো. হাসান আলী আটককৃত ওই পাঁচজনকে হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার মো. রেজাউলের কাছে হস্তান্তর করেন। আনসার বাহিনীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, হস্তান্তরের সময় আটক ব্যক্তিরা সুস্থ ও স্বাভাবিক ছিলেন।

পরবর্তীতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এসির পাইপ কাটা ও উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে আটক দুজনকে ছেড়ে দিলেও, মোবাইল চুরির অভিযোগে আটক জনি, জিহান ও নাদিমকে আটকে রাখা হয়। ওয়ার্ড মাস্টার ও সুপারভাইজার সুমন তাদের হাসপাতালের একটি কক্ষে আটকে রাখেন বলে জানা গেছে। শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে জনি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয় এবং বিকেল ৫টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।

ঘটনার পরপরই শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ময়নাতদন্ত এবং সার্বিক তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh