শ্যামনগরে পারিবারিক কবরস্থানে শায়িত এমপি নজরুলের স্ত্রী মরিয়ম
- আপডেট সময় : ০৩:৩৩:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের (১৯) মরদেহ সোমবার রাতে শ্যামনগরের গাবুরার সরদারপাড়ায় পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। রাত প্রায় ১১টার দিকে কপোতাক্ষ নদ পেরিয়ে ট্রলারে করে তাঁর মরদেহ গাবুরায় পৌঁছায়। মরদেহের সঙ্গে তাঁর বাবা মাসুম বিল্লাহ, মা, দাদি, নানি, ফুপা, ফুপি ও ছোট চাচা মোতাসিম বিল্লাহসহ স্বজনেরা উপস্থিত ছিলেন।
লাশ পৌঁছানোর পর রাত ১২টা ৩৫ মিনিটে গাবুরা পশ্চিম পাড়া সরদার বাড়ি জামে মসজিদের পাশে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা নুরুল হুদা এতে ইমামতি করেন। জানাজায় স্থানীয় ইউপি সদস্য গোলাম মোস্তফা, শ্যামনগর থানার এসআই অনিরুদ্ধ রায় ও বদিউজ্জামানসহ স্থানীয়রা অংশ নেন। জানাজা শেষে স্বজনদের পুরোনো কবরগুলোর পাশেই মরিয়মকে সমাহিত করা হয়।
মরিয়মের চাচা মিলন সরদার প্রবাসে থাকায় তাঁর স্ত্রী মুন্নী খাতুন বাড়িতে দাফনের সব প্রস্তুতি তদারকি করেন। তিনি জানান, মরদেহবাহী গাড়িটি পদ্মা সেতু পার হয়ে খুলনার কয়রা হয়ে সড়কপথে আসে এবং পরে ট্রলারে করে গাবুরায় পৌঁছায়। স্থানীয় বাসিন্দা ইয়াসিন সরদার জানান, ২০০৯ সালের ঘূর্ণিঝড় আইলার পর থেকেই মরিয়ম পরিবারসহ ঢাকায় থাকতেন। সাবেক গ্রাম পুলিশ গোলাম রহমান জানান, মেয়েটি ছোটবেলা থেকেই ঢাকায় পড়াশোনা করত এবং এসএসসি পরীক্ষাও দিয়েছিল। নাতনির অকাল মৃত্যুতে তাঁর দাদা ইউনুস সরদার শোকে পাথর হয়ে বাড়িতে বসে ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে মরিয়মের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় তাঁর বাবা মাসুম বিল্লাহ আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে শেরেবাংলা নগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম, তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগম ও মরিয়মের মামা ওবায়দুল রহমানকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যে গাজী নজরুল ও মাকসুদাকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিয়েছে এবং ওবায়দুল পলাতক রয়েছেন।




























