ঢাকা ০২:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারের রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: নিখোঁজ যশোরের নাহিদুর ও তার পরিবার বিদেশি আগ্রাসনের কাছে মাথা নত করবে না ইরান: পেজেশকিয়ান সিরাজগঞ্জে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় মাঠে থাকছেন ৩৬৩০ আনসার-ভিডিপি সদস্য ২৪ ঘণ্টায় ডিএমপির অভিযানে ৪৯০ জন গ্রেপ্তার সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে কাজ করছে সরকার এআইয়ের যুগে তরুণদের কর্মসংস্থান বাড়ানোর নতুন কৌশল ও দিকনির্দেশনা পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবায় রোগীর তথ্যের নিরাপত্তা ও দায়িত্বশীল ব্যবস্থাপনা ফ্রান্সে জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে বিক্ষোভ, গ্রেপ্তার ১২০০ কিংবদন্তি আইয়ুব বাচ্চুর ৮ম প্রয়াণ দিবস: ‘রুপালি গিটার ফেলে’

তরমুজ চাষে  শাহীনের মুখে হাসি

সাব্বির হোসেন পটুয়াখালী প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৩:১৮:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ অগাস্ট ২০২৩ ৫৭৪ বার পড়া হয়েছে

তরমুজ চাষে  শাহীনের মুখে হাসি

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তায় এবং পরিবার উন্নয়ন সংস্থা (এফডিএ) এর সার্বিক সহযোগিতায় ৪০ শতাংশ জমিতে মাচা পদ্ধতিতে বেবি তরমুজ চাষ শুরু করে সফলতার মুখ দেখেছেন চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষন ইউনিয়নের শাহীন।

তরমুজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম। নিয়মিত তরমুজ খেলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে, চুলও সুন্দর হয়। প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘এ’ পাওয়া যায়। এ জন্যই বাংলাদেশের কৃষক ও ভোক্তাদের মধ্যে ফলটির উৎপাদন বৃদ্ধি ও ক্রেতার সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।  প্রচলিত অনেক প্রজাতির তরমুজের মধ্যে বারোমাসি ‘বেবি তরমুজ’ অন্যতম। তরমুজ সাধারণত এপ্রিল-মে মাসে ওঠে। এটাই তরমুজের প্রধান মৌসুম। কিন্তু সম্প্রতি এ দেশের বাজারে এ সময় ছাড়া অন্য সময়েও তরমুজ পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে মে থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ তরমুজ বেশি পাওয়া যায়। এ তরমুজকে অনেকে নাম দিয়েছেন ‘বারোমাসি তরমুজ অথবা বেবি তরমুজ ছোট, লম্বাটে, ডিম্বাকার, কালো খোসা, ভেতরে টকটকে লাল শাঁসের তরমুজগুলো অসময়ে ওঠার কারণে বাজারে চাষিরা ভালো দাম পাচ্ছেন। কোনো স্থানে হলুদ রঙের খোসার অমৌসুমী তরমুজেরও চাষ হচ্ছে। দিন দিন অমৌসুমে তরমুজ চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। চারা রোপনের শুরু থেকে ফল পাকতে  ৭০ দিন পর্যন্ত সময় লাগে। 

তরমুজ চাষি শাহীন বলেন,” ২৪ হাজার টাকা খরচ করে প্রায় ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকার তরমুজ বিক্রি করেছি। প্রাকৃতিক পরিবেশ ও প্রতিকূলতায় এ জাতের তরমুজের কোনো ক্ষতির আশঙ্কা না থাকায় এই জাতের তরমুজ চাষ লাভজনক।

পরিবার উন্নয়ন সংস্থার কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মনিরুল ইসলাম বলেন, “পরিবেশবান্ধব মালচিং পেপার পরিবেশের যেমন ক্ষতি করে না তেমনি এই মালচিং পেপার ব‍্যবহার করলে মাটির আর্দ্রতা ধরে রাখা সম্ভব ,অতিরিক্ত সেচের দরকার হয় না এবং অতিরিক্ত সার প্রয়োগের দরকার হয় না। তরমুজ গ্রীষ্মকালীন ফল হলেও এখন সারা বছর হয় এমন জাতের তরমুজ চাষ হচ্ছে।”
চরফ্যাশন উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ওমর ফারুক বলেন,” বাড়ির আশেপাশে পরিত্যক্ত জায়গায় মাচা পদ্ধতিতে এই তরমুজ আবাদে কৃষকদের পরামর্শ ও সার্বিক সহযোগিতা করছি আমরা।”

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

তরমুজ চাষে  শাহীনের মুখে হাসি

আপডেট সময় : ০৩:১৮:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ অগাস্ট ২০২৩

পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তায় এবং পরিবার উন্নয়ন সংস্থা (এফডিএ) এর সার্বিক সহযোগিতায় ৪০ শতাংশ জমিতে মাচা পদ্ধতিতে বেবি তরমুজ চাষ শুরু করে সফলতার মুখ দেখেছেন চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষন ইউনিয়নের শাহীন।

তরমুজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম। নিয়মিত তরমুজ খেলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে, চুলও সুন্দর হয়। প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘এ’ পাওয়া যায়। এ জন্যই বাংলাদেশের কৃষক ও ভোক্তাদের মধ্যে ফলটির উৎপাদন বৃদ্ধি ও ক্রেতার সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।  প্রচলিত অনেক প্রজাতির তরমুজের মধ্যে বারোমাসি ‘বেবি তরমুজ’ অন্যতম। তরমুজ সাধারণত এপ্রিল-মে মাসে ওঠে। এটাই তরমুজের প্রধান মৌসুম। কিন্তু সম্প্রতি এ দেশের বাজারে এ সময় ছাড়া অন্য সময়েও তরমুজ পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে মে থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ তরমুজ বেশি পাওয়া যায়। এ তরমুজকে অনেকে নাম দিয়েছেন ‘বারোমাসি তরমুজ অথবা বেবি তরমুজ ছোট, লম্বাটে, ডিম্বাকার, কালো খোসা, ভেতরে টকটকে লাল শাঁসের তরমুজগুলো অসময়ে ওঠার কারণে বাজারে চাষিরা ভালো দাম পাচ্ছেন। কোনো স্থানে হলুদ রঙের খোসার অমৌসুমী তরমুজেরও চাষ হচ্ছে। দিন দিন অমৌসুমে তরমুজ চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। চারা রোপনের শুরু থেকে ফল পাকতে  ৭০ দিন পর্যন্ত সময় লাগে। 

তরমুজ চাষি শাহীন বলেন,” ২৪ হাজার টাকা খরচ করে প্রায় ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকার তরমুজ বিক্রি করেছি। প্রাকৃতিক পরিবেশ ও প্রতিকূলতায় এ জাতের তরমুজের কোনো ক্ষতির আশঙ্কা না থাকায় এই জাতের তরমুজ চাষ লাভজনক।

পরিবার উন্নয়ন সংস্থার কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মনিরুল ইসলাম বলেন, “পরিবেশবান্ধব মালচিং পেপার পরিবেশের যেমন ক্ষতি করে না তেমনি এই মালচিং পেপার ব‍্যবহার করলে মাটির আর্দ্রতা ধরে রাখা সম্ভব ,অতিরিক্ত সেচের দরকার হয় না এবং অতিরিক্ত সার প্রয়োগের দরকার হয় না। তরমুজ গ্রীষ্মকালীন ফল হলেও এখন সারা বছর হয় এমন জাতের তরমুজ চাষ হচ্ছে।”
চরফ্যাশন উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ওমর ফারুক বলেন,” বাড়ির আশেপাশে পরিত্যক্ত জায়গায় মাচা পদ্ধতিতে এই তরমুজ আবাদে কৃষকদের পরামর্শ ও সার্বিক সহযোগিতা করছি আমরা।”