পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ০১:০৯:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব এবং আত্মমর্যাদা রক্ষাকে আগামীর বাংলাদেশের মূল অঙ্গীকার হিসেবে ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার সাভারে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে কয়েকটি ব্যাটালিয়ন ও রেজিমেন্টকে জাতীয় পতাকা প্রদানকালে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমতার ভিত্তিতে বিশ্বের সকল দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা সুদৃঢ় করতে আগ্রহী।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড কেবল একটি পতাকা নয়, বরং এটি কোনো ইউনিটের ইতিহাস, ঐতিহ্য, শৃঙ্খলা, পেশাদারিত্ব, আত্মত্যাগ এবং দেশের প্রতি অটল অঙ্গীকারের প্রতীক। তিনি বলেন, জাতীয় পতাকার গৌরবময় উড্ডয়ন আমাদের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং অগণিত মানুষের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। সৈনিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এই পতাকা হাতে তুলে দেওয়ার অর্থ হলো অর্পিত দায়িত্ব আরও নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের নতুন শপথ নেওয়া এবং পতাকার মান রক্ষা করা প্রতিটি সৈনিকের পবিত্র দায়িত্ব।
সশস্ত্র বাহিনীর ইতিহাস ও ঐতিহ্য তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর জন্ম। বিভিন্ন সময়ে বাহিনীর ভাবমূর্তি নষ্টের অপচেষ্টা হলেও তা সফল হয়নি। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে চট্টগ্রামে অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের তৎকালীন উপঅধিনায়ক মেজর জিয়াউর রহমানের ‘উই রিভোল্ট’ ঘোষণার কথাও তিনি স্মরণ করেন।
আধুনিক সশস্ত্র বাহিনীর শক্তির উৎস সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেবল অস্ত্র বা জনবলই শক্তি নয়, বরং এর প্রকৃত শক্তি নিহিত থাকে শৃঙ্খলা, দক্ষতা, নেতৃত্ব, নৈতিকতা, প্রশিক্ষণ এবং জনগণের আস্থায়। তিনি আরও বলেন, সশস্ত্র বাহিনীকে প্রযুক্তিনির্ভর, দক্ষ ও পেশাদার হিসেবে গড়ে তোলার প্রক্রিয়া চলমান। তবে প্রযুক্তির চেয়ে মানুষের গুরুত্ব বেশি উল্লেখ করে তিনি সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য ও কর্মকর্তাদের সংবিধান, আইন, সামরিক বিধি-বিধান এবং মানবিক মূল্যবোধের প্রতি অবিচল থাকা প্রয়োজন, যা জনগণের প্রত্যাশা। একই সঙ্গে বর্তমান সরকার দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে যাতে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও প্রতিরক্ষা সামগ্রী দেশেই উৎপাদন করা সম্ভব হয়।




























