ঢাকা ১১:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদারগঞ্জে অনিয়মের দায়ে দুই ফার্মেসিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা নেত্রকোনা-১ আসনের সাবেক এমপি মোশতাক আহমেদ রুহী গ্রেপ্তার নিউ ইয়র্কে নামছে না নেতানিয়াহুর উড়োজাহাজ মূল্যস্ফীতির চাপে নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রাখল কেন্দ্রীয় ব্যাংক টাকায় আন্তর্জাতিক লেনদেন সহজ করতে নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের পাকিস্তান–চীন নতুন সীমান্ত চুক্তি নিয়ে ভারতের তীব্র প্রতিক্রিয়া গুলশানে ককটেল বিস্ফোরণ মামলায় ১৫ আসামির ৩ দিনের রিমান্ড ক্ষমতার পাঁচ মাসে কেন হতাশ পশ্চিমবঙ্গের মানুষ, কী বলছে পরিস্থিতি মাদরাসা প্রধানদের ইআইআইএনভিত্তিক সিম কার্ড সচল রাখার নির্দেশ পাংশায় প্রবাসীর স্ত্রী রুনা হত্যায় প্রধান আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

এআইইউবিতে স্পেস এক্সপ্লোরেশন অলিম্পিয়াড, অংশ নিল ২০২ ক্ষুদে শিক্ষার্থী

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:২১:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬ ১৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



রাজধানীর আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি) ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে তৃতীয় স্পেস এক্সপ্লোরেশন অলিম্পিয়াডের গ্র্যান্ড ফিনালে। শনিবার দিনব্যাপী এই আয়োজনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বাছাই হয়ে আসা ২০২ জন শিশু-কিশোর অংশ নেয়। ৬ থেকে ১৬ বছর বয়সী এই প্রতিযোগীদের বয়স ও শেখার সক্ষমতা বিবেচনা করে পুরো আয়োজনটিকে চারটি পৃথক ক্যাটাগরিতে সাজানো হয়েছিল। ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের মাঝে মহাকাশচারী হওয়ার স্বপ্ন এবং বিজ্ঞানমনস্কতা ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

এবারের অলিম্পিয়াডকে কেবল সাধারণ প্রশ্নোত্তরভিত্তিক কুইজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়নি। ছোটদের ক্যাটাগরিতে ছিল সৌরজগৎ, গ্রহ-নক্ষত্র, রকেট ও স্যাটেলাইটসহ মহাকাশবিজ্ঞানের মৌলিক বিষয়াবলি। অন্যদিকে, অপেক্ষাকৃত বড়দের ক্যাটাগরিতে রাখা হয়েছিল মহাকাশ রোবোটিকস, মঙ্গল গ্রহের রোভার, স্পেস স্টেশন, মহাকাশ অভিযান এবং ভবিষ্যতের মহাকাশ প্রযুক্তির মতো উন্নত ও আকর্ষণীয় বিষয়সমূহ।

ঢাকার এই চূড়ান্ত পর্বের আগে অনলাইনে কয়েক ধাপে বাছাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এই অনলাইন পর্বে বাংলাদেশের পাশাপাশি বিদেশে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরাও অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিল। অনলাইন পর্বের বৈতরণী পার হয়ে নির্বাচিত প্রতিযোগীরাই ঢাকার গ্র্যান্ড ফিনালেতে অংশ নেয়। দিনব্যাপী জমজমাট এই প্রতিযোগিতা শেষে চারটি ক্যাটাগরিতে মোট ৩৩ জন শিক্ষার্থীকে বিজয়ী হিসেবে পুরস্কৃত করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এআইইউবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, আজকের শিশুরাই আগামী দিনের বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী ও উদ্ভাবক। মহাকাশবিজ্ঞানের মতো বিষয়গুলো যদি আনন্দের সঙ্গে হাতে-কলমে শেখার সুযোগ পায়, তবে শিশুদের শিখন প্রক্রিয়া আরও গভীর ও কার্যকর হয়। ভবিষ্যতে দেশের বিজ্ঞান শিক্ষায় এ ধরনের আয়োজন আরও বড় ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের (আইইউবি) ফিজিক্যাল সায়েন্সেস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সৈয়দ আশরাফ উদ্দিন বলেন, ছোটবেলা থেকেই শিশুদের মনে মহাকাশ ও পদার্থবিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি। পাঠ্যবইয়ের গণ্ডির বাইরে গিয়ে নতুনভাবে চিন্তা করা এবং প্রশ্ন করতে শেখায় এই ধরনের আয়োজন। স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্পের সভাপতি আরিফুল হাসান বলেন, দেশের শিশু-কিশোরদের মধ্যেই লুকিয়ে আছে ভবিষ্যতের বিজ্ঞানী ও উদ্ভাবক হওয়ার সম্ভাবনা। এই সম্ভাবনা বিকাশের জন্য ছোট বয়স থেকেই তাদের মধ্যে বিজ্ঞানমনস্কতা ও অনুসন্ধিৎসা গড়ে তুলতে হবে।

আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনে স্পেস এক্সপ্লোরেশন অলিম্পিয়াড আরও বড় পরিসরে আয়োজন করা হবে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও বাংলাদেশের শিশু-কিশোরদের জন্য মহাকাশবিজ্ঞান চর্চার নতুন নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

এআইইউবিতে স্পেস এক্সপ্লোরেশন অলিম্পিয়াড, অংশ নিল ২০২ ক্ষুদে শিক্ষার্থী

আপডেট সময় : ০৯:২১:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

রাজধানীর আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি) ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে তৃতীয় স্পেস এক্সপ্লোরেশন অলিম্পিয়াডের গ্র্যান্ড ফিনালে। শনিবার দিনব্যাপী এই আয়োজনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বাছাই হয়ে আসা ২০২ জন শিশু-কিশোর অংশ নেয়। ৬ থেকে ১৬ বছর বয়সী এই প্রতিযোগীদের বয়স ও শেখার সক্ষমতা বিবেচনা করে পুরো আয়োজনটিকে চারটি পৃথক ক্যাটাগরিতে সাজানো হয়েছিল। ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের মাঝে মহাকাশচারী হওয়ার স্বপ্ন এবং বিজ্ঞানমনস্কতা ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

এবারের অলিম্পিয়াডকে কেবল সাধারণ প্রশ্নোত্তরভিত্তিক কুইজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়নি। ছোটদের ক্যাটাগরিতে ছিল সৌরজগৎ, গ্রহ-নক্ষত্র, রকেট ও স্যাটেলাইটসহ মহাকাশবিজ্ঞানের মৌলিক বিষয়াবলি। অন্যদিকে, অপেক্ষাকৃত বড়দের ক্যাটাগরিতে রাখা হয়েছিল মহাকাশ রোবোটিকস, মঙ্গল গ্রহের রোভার, স্পেস স্টেশন, মহাকাশ অভিযান এবং ভবিষ্যতের মহাকাশ প্রযুক্তির মতো উন্নত ও আকর্ষণীয় বিষয়সমূহ।

ঢাকার এই চূড়ান্ত পর্বের আগে অনলাইনে কয়েক ধাপে বাছাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এই অনলাইন পর্বে বাংলাদেশের পাশাপাশি বিদেশে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরাও অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিল। অনলাইন পর্বের বৈতরণী পার হয়ে নির্বাচিত প্রতিযোগীরাই ঢাকার গ্র্যান্ড ফিনালেতে অংশ নেয়। দিনব্যাপী জমজমাট এই প্রতিযোগিতা শেষে চারটি ক্যাটাগরিতে মোট ৩৩ জন শিক্ষার্থীকে বিজয়ী হিসেবে পুরস্কৃত করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এআইইউবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, আজকের শিশুরাই আগামী দিনের বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী ও উদ্ভাবক। মহাকাশবিজ্ঞানের মতো বিষয়গুলো যদি আনন্দের সঙ্গে হাতে-কলমে শেখার সুযোগ পায়, তবে শিশুদের শিখন প্রক্রিয়া আরও গভীর ও কার্যকর হয়। ভবিষ্যতে দেশের বিজ্ঞান শিক্ষায় এ ধরনের আয়োজন আরও বড় ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের (আইইউবি) ফিজিক্যাল সায়েন্সেস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সৈয়দ আশরাফ উদ্দিন বলেন, ছোটবেলা থেকেই শিশুদের মনে মহাকাশ ও পদার্থবিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি। পাঠ্যবইয়ের গণ্ডির বাইরে গিয়ে নতুনভাবে চিন্তা করা এবং প্রশ্ন করতে শেখায় এই ধরনের আয়োজন। স্পেস ইনোভেশন ক্যাম্পের সভাপতি আরিফুল হাসান বলেন, দেশের শিশু-কিশোরদের মধ্যেই লুকিয়ে আছে ভবিষ্যতের বিজ্ঞানী ও উদ্ভাবক হওয়ার সম্ভাবনা। এই সম্ভাবনা বিকাশের জন্য ছোট বয়স থেকেই তাদের মধ্যে বিজ্ঞানমনস্কতা ও অনুসন্ধিৎসা গড়ে তুলতে হবে।

আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনে স্পেস এক্সপ্লোরেশন অলিম্পিয়াড আরও বড় পরিসরে আয়োজন করা হবে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও বাংলাদেশের শিশু-কিশোরদের জন্য মহাকাশবিজ্ঞান চর্চার নতুন নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh