ঢাকা ০২:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শামলিতে জিম থেকে বের হতেই গুলি, ২৫ সেকেন্ডে শেষ গায়কের জীবন ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় ৪৯১ জন গ্রেপ্তার, অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার ইউরোপে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত নিয়ে উদ্বেগ নেপাল সীমান্তে বন্যা ও ভূমিধসের নতুন ঝুঁকি, উদ্ধার অভিযান স্থগিত চীনের আগামী ৫ দিন দেশের অধিকাংশ অঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনা, কমবে গরম আশুলিয়ায় পত্রিকার সাইনবোর্ডের আড়ালে নকল কনডম তৈরির কারখানায় অভিযান সেপ্টেম্বরে নয়, জানুয়ারিতে হতে পারে ভারত-বাংলাদেশ সিরিজ ৮৯ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন নরওয়ের রাজা হারাল্ড নেপালের ভয়াবহ বন্যা: বাংলাদেশের কাপ্তাই বাঁধের জন্য কি সতর্কবার্তা? গোয়াইনঘাটে ২৬ কোটির মহাসড়ক নির্মাণে বাধা ৯০ গাছ

নোয়াখালীতে বৃদ্ধ আমিন উল্যাহ হত্যা: খুনিদের ফাঁসির দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:০৪:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালীর সদর উপজেলায় আমিন উল্যাহ হাওলাদার (৮৪) নামে এক বৃদ্ধকে কুপিয়ে হত্যার প্রতিবাদে এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয়রা। রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের বয়ার বাজারে ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নাসির উদ্দিন, ধর্মপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি খলিলুর রহমান, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মাহমুদুল হাসান, যুবদল নেতা মোসলেহ উদ্দিন, ব্যবসায়ী আবদুল করিম ও মো. নাসিমসহ স্থানীয় অনেকে বক্তব্য রাখেন।

বক্তারা অভিযোগ করেন, ভাটিরটেক গ্রামের মৃত মজু মিয়ার ছেলে আমিন উল্যাহ হাওলাদার দীর্ঘদিন ধরে তার পৈতৃক সম্পত্তিতে চাষাবাদ করে আসছিলেন। স্থানীয় একটি ভূমিহীন সংগঠনের নাম ব্যবহার করে একরাম ও তার সহযোগীরা এলাকায় ভূমি দখল, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০১১ সালে একরাম ও তার বাহিনীর সদস্যরা আমিন উল্যাহ হাওলাদারের কাছে ৩০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেছিল। চাঁদা না দেওয়ায় তার পরিবারের ওপর হামলা চালিয়ে জোরপূর্বক জমি দখল করা হয়।

নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, গত ১২ আগস্ট সকালে আমিন উল্যাহ হাওলাদার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে জমিতে ধান চাষ করতে গেলে একরাম ও তার সহযোগী ইসমাইল, সোলেমান, হাসান, সিরাজ, ইয়াকুব ও ইউসুফসহ ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি সন্ত্রাসী দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে আমিন উল্যাহ হাওলাদারসহ পরিবারের আটজন আহত হন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় আমিন উল্যাহ এবং তার দুই ছেলে আনোয়ার হোসেন ও জাকের হোসেনকে ঢাকার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে আমিন উল্যাহ ও আনোয়ার হোসেনকে রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২১ আগস্ট বিকেলে আমিন উল্যাহ হাওলাদার মারা যান।

মানবন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ঘটনার বেশ কয়েক দিন পেরিয়ে গেলেও খুনি ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে পুলিশ কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। তারা অবিলম্বে মামলার প্রধান আসামিসহ জড়িতদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। এ বিষয়ে সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম জানান, জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ইতোমধ্যে নিহতের পক্ষ থেকে দায়ের করা মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

নোয়াখালীতে বৃদ্ধ আমিন উল্যাহ হত্যা: খুনিদের ফাঁসির দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

আপডেট সময় : ০৩:০৪:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

নোয়াখালীর সদর উপজেলায় আমিন উল্যাহ হাওলাদার (৮৪) নামে এক বৃদ্ধকে কুপিয়ে হত্যার প্রতিবাদে এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয়রা। রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের বয়ার বাজারে ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নাসির উদ্দিন, ধর্মপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি খলিলুর রহমান, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মাহমুদুল হাসান, যুবদল নেতা মোসলেহ উদ্দিন, ব্যবসায়ী আবদুল করিম ও মো. নাসিমসহ স্থানীয় অনেকে বক্তব্য রাখেন।

বক্তারা অভিযোগ করেন, ভাটিরটেক গ্রামের মৃত মজু মিয়ার ছেলে আমিন উল্যাহ হাওলাদার দীর্ঘদিন ধরে তার পৈতৃক সম্পত্তিতে চাষাবাদ করে আসছিলেন। স্থানীয় একটি ভূমিহীন সংগঠনের নাম ব্যবহার করে একরাম ও তার সহযোগীরা এলাকায় ভূমি দখল, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০১১ সালে একরাম ও তার বাহিনীর সদস্যরা আমিন উল্যাহ হাওলাদারের কাছে ৩০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেছিল। চাঁদা না দেওয়ায় তার পরিবারের ওপর হামলা চালিয়ে জোরপূর্বক জমি দখল করা হয়।

নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, গত ১২ আগস্ট সকালে আমিন উল্যাহ হাওলাদার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে জমিতে ধান চাষ করতে গেলে একরাম ও তার সহযোগী ইসমাইল, সোলেমান, হাসান, সিরাজ, ইয়াকুব ও ইউসুফসহ ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি সন্ত্রাসী দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে আমিন উল্যাহ হাওলাদারসহ পরিবারের আটজন আহত হন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় আমিন উল্যাহ এবং তার দুই ছেলে আনোয়ার হোসেন ও জাকের হোসেনকে ঢাকার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে আমিন উল্যাহ ও আনোয়ার হোসেনকে রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২১ আগস্ট বিকেলে আমিন উল্যাহ হাওলাদার মারা যান।

মানবন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ঘটনার বেশ কয়েক দিন পেরিয়ে গেলেও খুনি ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে পুলিশ কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। তারা অবিলম্বে মামলার প্রধান আসামিসহ জড়িতদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। এ বিষয়ে সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম জানান, জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ইতোমধ্যে নিহতের পক্ষ থেকে দায়ের করা মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh