ঢাকা ০৬:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিক্ষকদের অনুপস্থিতিতে কুড়িগ্রামে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ শেরপুর হাসপাতালে দালাল আটক, আনসার সদস্যদের তৎপরতায় পুলিশে সোপর্দ রংপুরে সাংবাদিকদের থানায় ঢুকতে গলায় আইডি কার্ড ঝোলানোর নির্দেশ বগুড়ায় ফ্লাইহুইল প্রযুক্তিতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সফল আরডিএ অবশেষে বৈধতা পাচ্ছে ঢাকা জেলা পরিষদের অবৈধ ২০ তলা ভবন রাজবাড়ীতে মেয়াদোত্তীর্ণ শিশু পণ্য বিক্রি, ম্যানেজারকে কারাদণ্ড ও জরিমানা বরিশালে সংরক্ষিত এলাকায় অনুমোদনহীন বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ সাঁতারু আতিকুর রহমানের ঝুলিতে ৩৩০ পদক, পেলেন ফেডারেশনের দায়িত্ব উপসাগরীয় দেশগুলোর আস্থার সংকটে মার্কিন নিরাপত্তা ছাতা দেবীগঞ্জে স্মার্টফোন ও মাদককে ‘লাল কার্ড’ দেখাল শতাধিক শিক্ষার্থী

মেঘনায় ইলিশের আকাল, কর্মহীন ভোলার তজুমদ্দিনের পাঁচ হাজার জেলে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:১৮:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দ্বীপ জেলা ভোলার তজুমদ্দিনের মেঘনা নদীতে ভরা মৌসুম চললেও জেলেদের জালে ধরা পড়ছে না কাঙ্ক্ষিত ইলিশ। মাছের দেখা না পাওয়ায় উপজেলার প্রায় তিন শতাধিক নৌকার মালিক চরম হতাশায় দিন পার করছেন এবং পাঁচ হাজারের বেশি জেলে এখন বেকার হয়ে পড়েছেন।

তজুমদ্দিন মৎস্য অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এই উপজেলায় মোট ১৯ হাজার ৫০০ জন নিবন্ধিত জেলে রয়েছেন, যাদের মধ্যে সাত হাজারের বেশি সরাসরি মৎস্য পেশার সঙ্গে জড়িত। বর্তমানে মাছের অভাবে পাঁচ হাজার জেলে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। স্থানীয় জেলেরা আক্ষেপ করে জানান, নদীতে যে পরিমাণ মাছ পাওয়া যাচ্ছে তাতে নৌকার তেলের খরচই উঠছে না, যার ফলে সংসার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

শনিবার তজুমদ্দিনের স্লুইসগেট ঘাট, গুরিন্দা বাজার ঘাট এবং চৌমুহনী ঘাট ঘুরে দেখা গেছে, মাছের গদি ঘরগুলোতে ব্যবসায়ী ও জেলেরা অলস সময় কাটাচ্ছেন। ইলিশের পাশাপাশি অন্যান্য মাছও কম ধরা পড়ায় অনেক ব্যবসায়ী তাদের ব্যবসা গুটিয়ে নিয়েছেন। মনির নামের এক মাছ ব্যবসায়ী জানান, তিনটি নৌকা ও জালসহ প্রায় ২০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করলেও মাছ না পাওয়ায় তিনি নৌকা নামানো বন্ধ করে দিয়েছেন। গুরিন্দা বাজারের মাছ ব্যবসায়ী নুরনবী মিয়া বলেন, ভরা মৌসুমেও কোথাও ইলিশের দেখা নেই, এই অবস্থায় ব্যবসা চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

ইলিশ কম পাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তজুমদ্দিন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আমির হোসেন জানান, মেঘনা নদী অত্যন্ত খরস্রোতা। নদীতে জেগে ওঠা ডুবোচরের কারণে সমুদ্র থেকে উঠে আসা ইলিশের চলাচলের স্বাভাবিক প্রবাহ বিঘ্নিত হচ্ছে। তিনি জানিয়েছেন, ডুবোচরের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং তারা ড্রেজিং করার আশ্বাস দিয়েছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

মেঘনায় ইলিশের আকাল, কর্মহীন ভোলার তজুমদ্দিনের পাঁচ হাজার জেলে

আপডেট সময় : ০৪:১৮:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

দ্বীপ জেলা ভোলার তজুমদ্দিনের মেঘনা নদীতে ভরা মৌসুম চললেও জেলেদের জালে ধরা পড়ছে না কাঙ্ক্ষিত ইলিশ। মাছের দেখা না পাওয়ায় উপজেলার প্রায় তিন শতাধিক নৌকার মালিক চরম হতাশায় দিন পার করছেন এবং পাঁচ হাজারের বেশি জেলে এখন বেকার হয়ে পড়েছেন।

তজুমদ্দিন মৎস্য অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এই উপজেলায় মোট ১৯ হাজার ৫০০ জন নিবন্ধিত জেলে রয়েছেন, যাদের মধ্যে সাত হাজারের বেশি সরাসরি মৎস্য পেশার সঙ্গে জড়িত। বর্তমানে মাছের অভাবে পাঁচ হাজার জেলে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। স্থানীয় জেলেরা আক্ষেপ করে জানান, নদীতে যে পরিমাণ মাছ পাওয়া যাচ্ছে তাতে নৌকার তেলের খরচই উঠছে না, যার ফলে সংসার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

শনিবার তজুমদ্দিনের স্লুইসগেট ঘাট, গুরিন্দা বাজার ঘাট এবং চৌমুহনী ঘাট ঘুরে দেখা গেছে, মাছের গদি ঘরগুলোতে ব্যবসায়ী ও জেলেরা অলস সময় কাটাচ্ছেন। ইলিশের পাশাপাশি অন্যান্য মাছও কম ধরা পড়ায় অনেক ব্যবসায়ী তাদের ব্যবসা গুটিয়ে নিয়েছেন। মনির নামের এক মাছ ব্যবসায়ী জানান, তিনটি নৌকা ও জালসহ প্রায় ২০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করলেও মাছ না পাওয়ায় তিনি নৌকা নামানো বন্ধ করে দিয়েছেন। গুরিন্দা বাজারের মাছ ব্যবসায়ী নুরনবী মিয়া বলেন, ভরা মৌসুমেও কোথাও ইলিশের দেখা নেই, এই অবস্থায় ব্যবসা চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

ইলিশ কম পাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তজুমদ্দিন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আমির হোসেন জানান, মেঘনা নদী অত্যন্ত খরস্রোতা। নদীতে জেগে ওঠা ডুবোচরের কারণে সমুদ্র থেকে উঠে আসা ইলিশের চলাচলের স্বাভাবিক প্রবাহ বিঘ্নিত হচ্ছে। তিনি জানিয়েছেন, ডুবোচরের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং তারা ড্রেজিং করার আশ্বাস দিয়েছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh