ঢাকা ০৯:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অলি আহমদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে ইসি অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ ঝিনাইদহে পুকুরে ডুবে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রের মৃত্যু অনারারি ডক্টরেট পেলেন বলিউড অভিনেত্রী রানী মুখার্জি প্রাণ গ্রুপে অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার পদে চাকরির সুযোগ দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ ১১ জনের প্রাণহানি হাসিনাকে ‘অমূল্য সম্পদ’ বলা চসিক সচিবের অডিও ফাঁস কিশোরগঞ্জে ইমাম ও পুরোহিতদের সম্মানি ভাতা কার্যক্রম উদ্বোধন করছেন প্রধানমন্ত্রী কিশোরগঞ্জের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইনিংস ব্যবধানে হার এড়ালো অস্ট্রেলিয়া, লিড মাত্র ১৫ রানের

সরকারি চাকরির নামে প্রতারণা, উপসচিবের স্বাক্ষর জালকারী গ্রেপ্তার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সরকারি অফিসের উপসচিবের স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া নিয়োগপত্র ও প্রজ্ঞাপন তৈরি করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে বাবলু কাজী (৬০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গত শুক্রবার রাজধানীর পল্লবী থানার মিরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে বাংলাদেশ সরকারের সিলযুক্ত ও জাল স্বাক্ষর করা ভুয়া নিয়োগ আদেশ, যোগদানপত্র, প্রজ্ঞাপন এবং নকল হাজিরা খাতা জব্দ করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডিএমপি অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম।

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, চক্রটি অত্যন্ত সুসংগঠিত ও কৌশলী। তারা সাধারণ মানুষের যাতায়াত বেশি এমন সরকারি অফিসগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করত। নিজেদের বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জনের জন্য চক্রের একজন সদস্য উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা এবং অন্য সদস্যরা তার গাড়িচালক বা অফিস সহকারী হিসেবে পরিচয় দিতেন। তারা কোনো পরীক্ষা ছাড়াই চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রার্থীদের সঙ্গে চুক্তি করতেন। এমনকি চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর টাকা পরিশোধের সুযোগও দেওয়া হতো, যা প্রার্থীদের আশ্বস্ত করত।

মো. শফিকুল ইসলাম জানান, বাবলু ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা করে আসছিলেন। চক্রটির বিরুদ্ধে গত ২৫ জুন থেকে ২৬ জুলাইয়ের মধ্যে ফরিদপুরের নগরকান্দা এলাকার বাসিন্দা সবুজ সরকারের কাছ থেকে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ১৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। প্রতারণার বিষয়টি যাতে সহজে ধরা না পড়ে, সে জন্য চক্রের সদস্যরা প্রথম এক-দুই মাস ভুক্তভোগীদের নিজেদের টাকা থেকে ‘বেতন’ও দিতেন। এরপর বড় অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়ে তারা যোগাযোগ বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যেতেন। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় মামলা হয়েছে এবং চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy

নিউজটি শেয়ার করুন

সরকারি চাকরির নামে প্রতারণা, উপসচিবের স্বাক্ষর জালকারী গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৬:৩৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

সরকারি অফিসের উপসচিবের স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া নিয়োগপত্র ও প্রজ্ঞাপন তৈরি করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে বাবলু কাজী (৬০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গত শুক্রবার রাজধানীর পল্লবী থানার মিরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে বাংলাদেশ সরকারের সিলযুক্ত ও জাল স্বাক্ষর করা ভুয়া নিয়োগ আদেশ, যোগদানপত্র, প্রজ্ঞাপন এবং নকল হাজিরা খাতা জব্দ করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডিএমপি অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম।

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, চক্রটি অত্যন্ত সুসংগঠিত ও কৌশলী। তারা সাধারণ মানুষের যাতায়াত বেশি এমন সরকারি অফিসগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করত। নিজেদের বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জনের জন্য চক্রের একজন সদস্য উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা এবং অন্য সদস্যরা তার গাড়িচালক বা অফিস সহকারী হিসেবে পরিচয় দিতেন। তারা কোনো পরীক্ষা ছাড়াই চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রার্থীদের সঙ্গে চুক্তি করতেন। এমনকি চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর টাকা পরিশোধের সুযোগও দেওয়া হতো, যা প্রার্থীদের আশ্বস্ত করত।

মো. শফিকুল ইসলাম জানান, বাবলু ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা করে আসছিলেন। চক্রটির বিরুদ্ধে গত ২৫ জুন থেকে ২৬ জুলাইয়ের মধ্যে ফরিদপুরের নগরকান্দা এলাকার বাসিন্দা সবুজ সরকারের কাছ থেকে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ১৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। প্রতারণার বিষয়টি যাতে সহজে ধরা না পড়ে, সে জন্য চক্রের সদস্যরা প্রথম এক-দুই মাস ভুক্তভোগীদের নিজেদের টাকা থেকে ‘বেতন’ও দিতেন। এরপর বড় অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়ে তারা যোগাযোগ বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যেতেন। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় মামলা হয়েছে এবং চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy