সেলেনা গোমেজের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা, বিনিয়োগকারীদের ১২ লাখ ডলার দাবি
- আপডেট সময় : ০৫:৫১:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০২১ সালে মা ম্যান্ডি টিফির সঙ্গে যৌথভাবে 'ওয়ান্ডারমাইন্ড গ্লোবাল' প্রতিষ্ঠা করেছিলেন জনপ্রিয় হলিউড তারকা সেলেনা গোমেজ। তবে প্রতিষ্ঠার কয়েক বছরের মাথায় প্রতিষ্ঠানটি ঘিরে গুরুতর আইনি জটিলতায় পড়েছেন এই তারকা। প্রতিষ্ঠানের পাঁচ বিনিয়োগকারী সেলেনার বিরুদ্ধে প্রাতিষ্ঠানিক অব্যবস্থাপনা ও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেছেন।
বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিউইয়র্ক ও ফ্লোরিডাভিত্তিক ওই বিনিয়োগকারীরা সেলেনার বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ তুলে দাবি করেছেন যে, তার নিষ্ক্রিয়তার কারণে প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে দেউলিয়ার পথে রয়েছে। মামলায় তারা প্রায় ১২ লাখ ডলারের বিনিয়োগ ফেরতের পাশাপাশি অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণও দাবি করেছেন।
বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ, সেলেনা ওয়ান্ডারমাইন্ডের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করবেন এবং প্রতিষ্ঠানের প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন—এমন প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতেই তারা অর্থ বিনিয়োগ করেছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানটির প্রসারে সেলেনা কার্যকর কোনো ভূমিকা রাখেননি। এছাড়া বিজ্ঞাপনী চুক্তি, সেলিব্রিটি কাভার স্টোরি এবং নতুন অ্যাপ চালুর মতো যেসব প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তার বেশিরভাগই বাস্তবায়িত হয়নি বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। এমনকি প্রায় তিন বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটির সংকটময় অবস্থা বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে গোপন রাখা হয়েছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে।
গত সেপ্টেম্বরে 'দ্য কাট'-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে ওয়ান্ডারমাইন্ডের অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলার বিষয়টি প্রথম প্রকাশ্যে আসে। ওই প্রতিবেদনে ম্যান্ডি টিফির প্রশাসনিক ব্যর্থতা এবং মা-মেয়ের দ্বন্দ্বের কারণে সেলেনার দায়িত্ব এড়িয়ে চলার বিষয়গুলো উঠে এসেছিল।
বিশ্বজুড়ে পপতারকা ও অভিনেত্রী হিসেবে পরিচিত সেলেনা গোমেজ সফল বিউটি ব্র্যান্ড 'রেয়ার বিউটি'রও প্রতিষ্ঠাতা। ২০২৪ সালে তিনি বিলিয়নেয়ার হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে তার সহপ্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিনিয়োগকারীদের প্রতারণার অভিযোগ নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত সেলেনা গোমেজ বা ওয়ান্ডারমাইন্ড কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এই মামলার বিষয়ে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। বিনিয়োগকারীদের এই দাবি আদালতে কতটা গ্রহণযোগ্য হয়, তা এখন দেখার বিষয়।


























