প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের মালামাল চুরির অভিযোগে সাবেক কর্মকর্তা গ্রেফতার
- আপডেট সময় : ১২:৫১:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬ ৩০ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের মালামাল, গ্যাস সিলিন্ডার ও ট্রাঙ্ক চুরির অভিযোগে ট্রাস্টের সাবেক সহকারী পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) আশরাফুল মামুনের (৪০) বিরুদ্ধে ধানমন্ডি মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাতে ট্রাস্টের সহকারী পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) রেজওয়ানা আক্তার জাহান বাদী হয়ে পেনাল কোডের ৩৮১ ধারায় কর্মচারী কর্তৃক চুরির অভিযোগে মামলাটি দায়ের করেন। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ অভিযুক্ত আশরাফুল মামুনকে গ্রেফতার করেছে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, আশরাফুল মামুন আগে ট্রাস্টের সহকারী পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত ৬ আগস্ট তাকে সহকারী পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) পদে বদলি করা হলেও তিনি নতুন পদে যোগ না দিয়ে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই অফিসের বিভিন্ন মালামাল সরিয়ে নেন।
তদন্তে চুরির বেশ কয়েকটি ঘটনার প্রমাণ পাওয়া গেছে। গত ২৫ জুলাই বিকেলে একটি কাভার্ড ভ্যানে করে ট্রাস্টের ৪টি গ্যাস সিলিন্ডার সরিয়ে নেওয়া হয়। এরপর ৮ আগস্ট শনিবার সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে আশরাফুল মামুন আউটসোর্সিং গাড়িচালক মো. আবুল কালামকে নিয়ে ট্রাস্টের অফিসিয়াল গাড়িতে (ঢাকা মেট্রো চ-১০-১৭০১) করে নিজের বর্তমান ঠিকানায় যান। একই দিন দুপুর পৌনে ২টায় পুনরায় ধানমন্ডি ১২/এ রোডস্থ অফিসে ফিরে পৌনে ৩টার দিকে বড় ৪টি বস্তা ও কয়েকটি ব্যাগভর্তি মালামাল গাড়িতে তুলে তিনি অফিস ত্যাগ করেন। এছাড়া ১১ আগস্ট মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে চুরিতে ব্যবহৃত একটি ট্রাঙ্ক অফিসের করিডর থেকে ট্রাস্টের ড্রাইভার শামীম মৃধার মাধ্যমে ময়মনসিংহে তার বাসায় পাঠানো হয়, যা আনসার সদস্য মনিরুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন।
মালামাল সরানোর বিষয়ে আনসার সদস্যরা চালককে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি গাবতলীতে নিয়ে যাওয়ার কথা জানান, তবে অভিযুক্ত আশরাফুল মামুন এ বিষয়ে কোনো সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। ২৫ জুলাই থেকে ১১ আগস্ট পর্যন্ত দফায় দফায় মালামাল চুরির ঘটনা সামনে আসার পর ১৩ আগস্ট ধানমন্ডি থানায় প্রথমে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-৭৭৬) করা হয়। পরবর্তীতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে মামলায় রূপান্তর করা হয়। ধানমন্ডি মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ এরশাদ উল্লাহকে এই মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

























