ঢাকা ০২:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাঠে অদ্ভূতকাণ্ড: প্রতিপক্ষের চুল ধরে টানায় ২ লাল কার্ড এআইয়ের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার চিন্তাশক্তি ও সৃজনশীলতা কমায়: রাষ্ট্রপতি উন্নয়ন প্রকল্পে পরামর্শক ব্যয় কমানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে, অক্টোবরে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা দেশের চার জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটির পরিকল্পনা সরকারের কিশোরগঞ্জে পুলিশের কাছে পানির বাড়তি দাম নিল ম্যাক টেস্ট শপ নেগেটিভ বিষয় দর্শক বেশি দেখে: অপু বিশ্বাস ইরান যুদ্ধ ‘খুব শিগগিরই’ শেষ হতে যাচ্ছে: ডোনাল্ড ট্রাম্প বঙ্গভবনে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

গাজা শান্তি পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান নেতানিয়াহুর, বাড়ছে যুদ্ধের নতুন ঝুঁকি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:৫৩:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬ ২৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



গাজার ভঙ্গুর শান্তি প্রক্রিয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে গভীর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় তৈরি ১৫ দফা শান্তি পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তার এই সিদ্ধান্তের ফলে গাজায় বসবাসকারী ২০ লাখেরও বেশি ফিলিস্তিনির দুর্ভোগ দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত ওই পরিকল্পনায় হামাসের অস্ত্র ত্যাগের বিপরীতে ধাপে ধাপে গাজা থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বাহিনীর সহায়তায় একটি টেকনোক্র্যাটিক ফিলিস্তিনি কমিটির কাছে প্রশাসনের দায়িত্ব হস্তান্তরের কথা বলা হয়েছিল। তবে রোববার নেতানিয়াহু স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, হামাস সত্যিকার অর্থে নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত ইসরাইলি সেনারা গাজা থেকে সরবে না।

বিশ্লেষকদের মতে, নেতানিয়াহুর এই অবস্থান কূটনৈতিক প্রক্রিয়াকে কার্যত অচল করে দিয়েছে। গাজার রাজনৈতিক বিশ্লেষক ইয়াদ আল-কারা সতর্ক করে বলেছেন, এর ফলে গাজায় আবারও ব্যাপক হত্যাকাণ্ড ও বোমাবর্ষণের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ইসরাইল যে ‘ইয়েলো এরিয়া’ বা বাফার জোন তৈরি করেছে, তার ফলে ফিলিস্তিনিদের জীবন আরও সংকীর্ণ হয়ে পড়ছে। গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস এই ঘোষণাকে শান্তি আলোচনার বিরুদ্ধে একটি পরিকল্পিত অভ্যুত্থান হিসেবে অভিহিত করেছে। তাদের অভিযোগ, ইসরাইল আলোচনাকে কেবল একটি রাজনৈতিক আবরণ হিসেবে ব্যবহার করে সময়ক্ষেপণ করছে এবং যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে।

এদিকে, নেতানিয়াহুর ঘোষণার পর হামাস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় নিজেদের প্রতিশ্রুতি ধরে রাখতে আগ্রহী। তবে তারা মধ্যস্থতাকারী ও গ্যারান্টিদাতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যেন চুক্তির লঙ্ঘন রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়। ইয়াদ আল-কারা আরও সতর্ক করেছেন যে, মধ্যস্থতাকারীরা যদি ইসরাইলের ওপর চাপ প্রয়োগে ব্যর্থ হন, তবে ফিলিস্তিনিদের সামনে যুদ্ধের সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। বর্তমানে গাজার ৭০ শতাংশেরও বেশি এলাকা ইসরাইলের সামরিক নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, যদিও যুদ্ধবিরতির দাবি করা হচ্ছিল।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজা শান্তি পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান নেতানিয়াহুর, বাড়ছে যুদ্ধের নতুন ঝুঁকি

আপডেট সময় : ১০:৫৩:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

গাজার ভঙ্গুর শান্তি প্রক্রিয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে গভীর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় তৈরি ১৫ দফা শান্তি পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তার এই সিদ্ধান্তের ফলে গাজায় বসবাসকারী ২০ লাখেরও বেশি ফিলিস্তিনির দুর্ভোগ দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত ওই পরিকল্পনায় হামাসের অস্ত্র ত্যাগের বিপরীতে ধাপে ধাপে গাজা থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বাহিনীর সহায়তায় একটি টেকনোক্র্যাটিক ফিলিস্তিনি কমিটির কাছে প্রশাসনের দায়িত্ব হস্তান্তরের কথা বলা হয়েছিল। তবে রোববার নেতানিয়াহু স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, হামাস সত্যিকার অর্থে নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত ইসরাইলি সেনারা গাজা থেকে সরবে না।

বিশ্লেষকদের মতে, নেতানিয়াহুর এই অবস্থান কূটনৈতিক প্রক্রিয়াকে কার্যত অচল করে দিয়েছে। গাজার রাজনৈতিক বিশ্লেষক ইয়াদ আল-কারা সতর্ক করে বলেছেন, এর ফলে গাজায় আবারও ব্যাপক হত্যাকাণ্ড ও বোমাবর্ষণের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ইসরাইল যে ‘ইয়েলো এরিয়া’ বা বাফার জোন তৈরি করেছে, তার ফলে ফিলিস্তিনিদের জীবন আরও সংকীর্ণ হয়ে পড়ছে। গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস এই ঘোষণাকে শান্তি আলোচনার বিরুদ্ধে একটি পরিকল্পিত অভ্যুত্থান হিসেবে অভিহিত করেছে। তাদের অভিযোগ, ইসরাইল আলোচনাকে কেবল একটি রাজনৈতিক আবরণ হিসেবে ব্যবহার করে সময়ক্ষেপণ করছে এবং যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে।

এদিকে, নেতানিয়াহুর ঘোষণার পর হামাস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় নিজেদের প্রতিশ্রুতি ধরে রাখতে আগ্রহী। তবে তারা মধ্যস্থতাকারী ও গ্যারান্টিদাতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যেন চুক্তির লঙ্ঘন রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়। ইয়াদ আল-কারা আরও সতর্ক করেছেন যে, মধ্যস্থতাকারীরা যদি ইসরাইলের ওপর চাপ প্রয়োগে ব্যর্থ হন, তবে ফিলিস্তিনিদের সামনে যুদ্ধের সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। বর্তমানে গাজার ৭০ শতাংশেরও বেশি এলাকা ইসরাইলের সামরিক নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, যদিও যুদ্ধবিরতির দাবি করা হচ্ছিল।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin